
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে নিয়োগ দিয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন বিধিমালা, ২০০৭-এর বিধি ৩(২) (ক)-এর বিধানমতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ করেছেন। এই নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে প্রধান বিচারপতি হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন।
গত বছরের ২৪ মার্চ বিচারপতি ফারাহ মাহবুব আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২৫ মার্চ শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব আপিল বিভাগে নিয়োগ পাওয়া পঞ্চম নারী বিচারপতি।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম পাসের পর ১৯৯২ সালে জেলা আদালতে আইন পেশা শুরু করেন। এরপর ১৯৯৪ সালের ১৫ অক্টোবর হাইকোর্টে এবং ২০০২ সালের ১৫ মে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন ফারাহ মাহবুব। ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি নিযুক্ত হন। ২০০৬ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে নিয়োগ দিয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন বিধিমালা, ২০০৭-এর বিধি ৩(২) (ক)-এর বিধানমতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ করেছেন। এই নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে প্রধান বিচারপতি হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন।
গত বছরের ২৪ মার্চ বিচারপতি ফারাহ মাহবুব আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২৫ মার্চ শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব আপিল বিভাগে নিয়োগ পাওয়া পঞ্চম নারী বিচারপতি।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম পাসের পর ১৯৯২ সালে জেলা আদালতে আইন পেশা শুরু করেন। এরপর ১৯৯৪ সালের ১৫ অক্টোবর হাইকোর্টে এবং ২০০২ সালের ১৫ মে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন ফারাহ মাহবুব। ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি নিযুক্ত হন। ২০০৬ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

প্রতীক পাওয়ার পর ডা. তাসনিম জারা তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, "নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আমি ফুটবল প্রতীক পেয়েছি। আগামীকাল থেকে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণায় নামবো। সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবং এলাকার উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে আমি মাঠে থাকবো।"
৪ ঘণ্টা আগে
গত বছর নিজের সাজা স্থগিতের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন আবুল কালাম আজাদ। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী এই আবেদন করেন তিনি। এর আগে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।
৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এ দিন পর্যন্ত ২৯৮ আসনে ৩০৫ জন প্রত্যাহারের পর প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী দাঁড়াল ১৯৬৭ জন।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১১৯তম সভা শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
৭ ঘণ্টা আগে