
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভী (মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া)। অধস্তন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হলে তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।
বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল রোববার এ আদেশ দেন। জামিন চেয়ে করা আবেদনের প্রাথমিক শুনানির পর আদালত রুল জারি করেছিলেন। পরে চূড়ান্ত শুনানি শেষে সেই রুল যথাযথ ঘোষণা করে জাহের আলভীকে জামিন দেওয়া হয়।
শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও আইনজীবী শেখ রফিকুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে আদালতে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে আফরা ইভনাথ খান ইকরার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় জাহের আলভী নেপালে অবস্থান করছিলেন।
ওই রাতেই ইকরার বাবা কবির হায়াত খান মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন। এ ঘটনায় জাহের আলভীসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়।
মামলার পর গত ১৮ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন জাহের আলভী। সেদিন তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। পরে মামলার তদন্তের স্বার্থে তাঁকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ২৪ জুন আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে আফরা ইভনাথ খান ইকরার সঙ্গে জাহের আলভীর বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে সন্তান রয়েছে।

স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভী (মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া)। অধস্তন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হলে তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।
বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল রোববার এ আদেশ দেন। জামিন চেয়ে করা আবেদনের প্রাথমিক শুনানির পর আদালত রুল জারি করেছিলেন। পরে চূড়ান্ত শুনানি শেষে সেই রুল যথাযথ ঘোষণা করে জাহের আলভীকে জামিন দেওয়া হয়।
শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও আইনজীবী শেখ রফিকুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে আদালতে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে আফরা ইভনাথ খান ইকরার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় জাহের আলভী নেপালে অবস্থান করছিলেন।
ওই রাতেই ইকরার বাবা কবির হায়াত খান মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন। এ ঘটনায় জাহের আলভীসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়।
মামলার পর গত ১৮ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন জাহের আলভী। সেদিন তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। পরে মামলার তদন্তের স্বার্থে তাঁকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ২৪ জুন আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে আফরা ইভনাথ খান ইকরার সঙ্গে জাহের আলভীর বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে সন্তান রয়েছে।

বিলবোর্ডটিতে যুদ্ধাপরাধের মামলায় দণ্ডিত জামায়াতে ইসলামীর নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাসেম আলী, মতিউর রহমান নিজামী, আব্দুল কাদের মোল্লা ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ছবি ছিল। এ ছাড়া বিএনপির নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবিও সেখানে রাখা হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে
তথ্যমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের শহিদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মূল্যায়ন হবে তখনই, যখন জাতীয় সংসদকে কার্যকর গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা যাবে। রাজনৈতিক বিতর্ক, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু হতে হবে সংসদকেই।
৪ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী জানান, বেনজীরকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাসহ কিছু শর্তে জামিন দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আদালত।
৫ ঘণ্টা আগে
অধ্যক্ষকে না জানিয়ে কলেজের বাইরে গভর্নিং বডির সভা ডেকে তাকে একমাসের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। এখন অধ্যক্ষকে স্থায়ীভাবে অপসারণের প্রস্তুতি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া ডিআইএর তদন্ত প্রতিবেদন এবং এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে সুরক্ষার অভিযোগ ঘিরে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছেন
৫ ঘণ্টা আগে