
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর লালবাগে হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সিএমএম) নেওয়া হয়। এরপর তাকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে রিমান্ড ও জামিন সংক্রান্ত শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালতে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে দুই দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অপরদিকে আসামিপক্ষও রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেছিল। আদালত রিমান্ড ও জামিন— দুটি আবেদনই নামঞ্জুর করেন।
শিরীন শারমিন চৌধুরীকে বিকেল ৩টা ১২ মিনিটে এজলাসে তোলা হয়। এক মিনিট পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এজলাসে ওঠেন। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।
শুনানিতে তিনি বলেন, 'এই আসামি ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী। তিনি বিনা ভোটে নির্বাচিত এমপি ছিলেন। তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের একজন উপকারভোগী। এ মামলায় এজাহারনামীয় ৩ নম্বর আসামি। এতদিন আত্মগোপনে ছিলেন। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এ মামলার ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া এ ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত ও আলামত উদ্ধারের জন্য তাকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এজন্য তার সর্বোচ্চ দুই দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করছি।'
অপরদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তার রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানিতে তারা বলেন, এ মামলায় ১৩০ জন আসামি যার মধ্যে শিরীন শারমিন ৩ নম্বর আসামি। মামলায় শুধু তার নামটাই রয়েছে। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। ঘটনার ১০ মাস পর এ মামলা করা হয়েছে।'
আসামি পক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে আরও বলেন, সাংবিধানিকভাবে তিনি মাহান সংসদের স্পিকার হওয়ায় তিনি ছিলেন নিউট্রাল (নিরপেক্ষ) একজন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক মামলা ছাড়া তার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নাই। তিনি বিগত সরকারের আমলে কোনো অন্যায় বা লুট করেছেন এই মর্মে কোনো অভিযোগ নেই। তিনি ক্লিন ইমেজের একজন ব্যক্তি। দীর্ঘদিন পলাতক অবস্থায় থাকায় তিনি এখন অসুস্থ। তাকে রিমান্ডে নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
এরপর বিচারক শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
শিরীন শারমিন চৌধুরীকে লালবাগ থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গত বছরের ১৭ জুলাই মো. আশরাফুল নামের এক ভুক্তভোগী দায়ের করেন মামলাটি। মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই আজিমপুর সরকারি কলোনির ভিতরে মিছিল করছিলেন ভুক্তভোগী মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম। এ সময় আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে ভুক্তভোগীর বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়।
মামলায় মো. আশরাফুল অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বিপ্লব বড়ুয়া, ওবায়দুল কাদের ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পরিকল্পনা ও নির্দেশে পুলিশ সদস্য এবং অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা আন্দোলনে অংশ নেওয়া নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর দেশীয় ও বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে গুলিবর্ষণ করেন। এই মামলায় শিরীন শারমীন চৌধুরী ৩ নম্বর আসামি।
এর আগে আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধানমন্ডির ৮/এ রোডের বাসা থেকে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করার কথা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘তাকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
তবে ঠিক কোন মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা শুরুতে জানানো হয়নি। এ দিন বেলা ১২টার দিকে ডিবির পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, রাজধানীর লালবাগে জুলাই আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
রংপুরেও শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন নিহত হওয়ার ঘটনায় সে বছরের ২৭ আগস্ট শিরীন শারমিন চৌধুরী, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে এ হত্যা মামলা করা হয়।
এ ছাড়া রাজধানীর উত্তরা ও বনানী থানায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে পৃথক আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর লালবাগে হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সিএমএম) নেওয়া হয়। এরপর তাকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে রিমান্ড ও জামিন সংক্রান্ত শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালতে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে দুই দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অপরদিকে আসামিপক্ষও রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেছিল। আদালত রিমান্ড ও জামিন— দুটি আবেদনই নামঞ্জুর করেন।
শিরীন শারমিন চৌধুরীকে বিকেল ৩টা ১২ মিনিটে এজলাসে তোলা হয়। এক মিনিট পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এজলাসে ওঠেন। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।
শুনানিতে তিনি বলেন, 'এই আসামি ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী। তিনি বিনা ভোটে নির্বাচিত এমপি ছিলেন। তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের একজন উপকারভোগী। এ মামলায় এজাহারনামীয় ৩ নম্বর আসামি। এতদিন আত্মগোপনে ছিলেন। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এ মামলার ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া এ ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত ও আলামত উদ্ধারের জন্য তাকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এজন্য তার সর্বোচ্চ দুই দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করছি।'
অপরদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তার রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানিতে তারা বলেন, এ মামলায় ১৩০ জন আসামি যার মধ্যে শিরীন শারমিন ৩ নম্বর আসামি। মামলায় শুধু তার নামটাই রয়েছে। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। ঘটনার ১০ মাস পর এ মামলা করা হয়েছে।'
আসামি পক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে আরও বলেন, সাংবিধানিকভাবে তিনি মাহান সংসদের স্পিকার হওয়ায় তিনি ছিলেন নিউট্রাল (নিরপেক্ষ) একজন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক মামলা ছাড়া তার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নাই। তিনি বিগত সরকারের আমলে কোনো অন্যায় বা লুট করেছেন এই মর্মে কোনো অভিযোগ নেই। তিনি ক্লিন ইমেজের একজন ব্যক্তি। দীর্ঘদিন পলাতক অবস্থায় থাকায় তিনি এখন অসুস্থ। তাকে রিমান্ডে নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
এরপর বিচারক শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
শিরীন শারমিন চৌধুরীকে লালবাগ থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গত বছরের ১৭ জুলাই মো. আশরাফুল নামের এক ভুক্তভোগী দায়ের করেন মামলাটি। মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই আজিমপুর সরকারি কলোনির ভিতরে মিছিল করছিলেন ভুক্তভোগী মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম। এ সময় আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে ভুক্তভোগীর বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়।
মামলায় মো. আশরাফুল অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বিপ্লব বড়ুয়া, ওবায়দুল কাদের ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পরিকল্পনা ও নির্দেশে পুলিশ সদস্য এবং অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা আন্দোলনে অংশ নেওয়া নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর দেশীয় ও বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে গুলিবর্ষণ করেন। এই মামলায় শিরীন শারমীন চৌধুরী ৩ নম্বর আসামি।
এর আগে আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধানমন্ডির ৮/এ রোডের বাসা থেকে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করার কথা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘তাকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
তবে ঠিক কোন মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা শুরুতে জানানো হয়নি। এ দিন বেলা ১২টার দিকে ডিবির পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, রাজধানীর লালবাগে জুলাই আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
রংপুরেও শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন নিহত হওয়ার ঘটনায় সে বছরের ২৭ আগস্ট শিরীন শারমিন চৌধুরী, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে এ হত্যা মামলা করা হয়।
এ ছাড়া রাজধানীর উত্তরা ও বনানী থানায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে পৃথক আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

জাতীয় সংসদে আজ নয়টি বিল পাস হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে এসব বিল পাস করা হয়। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে প্রথমে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ বিল’ সংসদে পাসের জন্য প্রস্তাব করেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী। বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, চিকিৎসক সমাজ ও জনস্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
৪ ঘণ্টা আগে
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুম অধ্যাদেশের আওতাধীন যে অপরাধটি ছিল, এরই মধ্যে ট্রাইব্যুনাল আইনে সেটি সংবিধিবদ্ধ ছিল। এ আইনে যে গুমের অভিযোগ বিচারের এখতিয়ার ছিল, সেখানে আরেকটি আইন ও ট্রাইব্যুনাল গঠন করার প্রয়োজনীয়তা ছিল বলে আমার কাছে মনে হয়নি।
৪ ঘণ্টা আগে
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিস্তৃত হাওর ও জলাভূমি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি হাওরকে সমন্বিতভাবে ব্যবস্থাপনা; অবকাঠামোগত উন্নয়ন; সেচব্যবস্থা; বন্যা নিয়ন্ত্রণ; মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন এবং কৃষি সম্প্রসারণের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সালে ‘হা
৪ ঘণ্টা আগে