
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলার রায় পড়া শুরু হয়েছে। এজলাসে আসামিদের উপস্থিতিতে বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় পড়া শুরু করেন।
রোববার (৭ জুন) আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে বিচার কাজের নজির স্থাপন হতে যাচ্ছে। অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত এই মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।
এর আগে তিন কার্যদিবসে মাদক মামলা নিষ্পত্তির নজির রয়েছে। আর গত বছর মাগুরায় আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন হয় ১৪ কার্যদিবসে। ওই মামলায় আসামির সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ডের রায় আসে।
রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্বপ্নাকে কাশিমপুর কারাগার থেকে এবং পৌনে ৯টার দিকে সোহেলকে কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। আসামিদের কারাগার থেকে এনে মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
রায় ঘোষণার আগে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় মাথায় হেলমেট, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে সোহেলকে এজলাসে নেওয়া হয় ১০ টা ৪৫ মিনিটে। এ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে দোয়া পড়তে দেখা যায় তাকে। তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে কাঁদতে দেখা যায়। কাঠগড়ায় আসামির নিরাপত্তা দেওয়া পুলিশ সদস্যরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১৯ মে দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি-ব্লকের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রামিসা পরিবারের সঙ্গে পাশের ফ্ল্যাটে থাকত। রামিসার মরদেহ উদ্ধারের পরপরই পুলিশ ওই বাসা থেকে স্বপ্নাকে আটক করে। পরে সন্ধ্যায় সোহেলকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুজনকে আসামি করে সেদিনই পল্লবী থানায় মামলা করেন। পরদিন সোহেল দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। স্বপ্নাকেও পাঠানো হয় কারাগারে।
এ ঘটনার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় ২৪ মে দুপুরে সোহেল ও স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন সেদিনই আসামিদের উপস্থিতিতে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। তিনি অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন রাখেন ১ জুন।
সেদিন আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে বিচারক আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২ জুন দিন রাখা হয়। সেদিন ১৭ জনের মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
পরদিন ৩ জুন আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানিতে বিচারক আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ও ১৬ জনের সাক্ষ্য পড়ে শোনান। স্বপ্না নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। সোহেল রানাও নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ক্ষমা চান।
আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন। যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক রায় ঘোষণার জন্য আজ দিন ঠিক করে দেন।

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলার রায় পড়া শুরু হয়েছে। এজলাসে আসামিদের উপস্থিতিতে বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় পড়া শুরু করেন।
রোববার (৭ জুন) আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে বিচার কাজের নজির স্থাপন হতে যাচ্ছে। অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত এই মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।
এর আগে তিন কার্যদিবসে মাদক মামলা নিষ্পত্তির নজির রয়েছে। আর গত বছর মাগুরায় আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন হয় ১৪ কার্যদিবসে। ওই মামলায় আসামির সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ডের রায় আসে।
রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্বপ্নাকে কাশিমপুর কারাগার থেকে এবং পৌনে ৯টার দিকে সোহেলকে কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। আসামিদের কারাগার থেকে এনে মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
রায় ঘোষণার আগে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় মাথায় হেলমেট, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে সোহেলকে এজলাসে নেওয়া হয় ১০ টা ৪৫ মিনিটে। এ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে দোয়া পড়তে দেখা যায় তাকে। তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে কাঁদতে দেখা যায়। কাঠগড়ায় আসামির নিরাপত্তা দেওয়া পুলিশ সদস্যরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১৯ মে দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি-ব্লকের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রামিসা পরিবারের সঙ্গে পাশের ফ্ল্যাটে থাকত। রামিসার মরদেহ উদ্ধারের পরপরই পুলিশ ওই বাসা থেকে স্বপ্নাকে আটক করে। পরে সন্ধ্যায় সোহেলকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুজনকে আসামি করে সেদিনই পল্লবী থানায় মামলা করেন। পরদিন সোহেল দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। স্বপ্নাকেও পাঠানো হয় কারাগারে।
এ ঘটনার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় ২৪ মে দুপুরে সোহেল ও স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন সেদিনই আসামিদের উপস্থিতিতে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। তিনি অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন রাখেন ১ জুন।
সেদিন আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে বিচারক আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২ জুন দিন রাখা হয়। সেদিন ১৭ জনের মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
পরদিন ৩ জুন আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানিতে বিচারক আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ও ১৬ জনের সাক্ষ্য পড়ে শোনান। স্বপ্না নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। সোহেল রানাও নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ক্ষমা চান।
আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন। যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক রায় ঘোষণার জন্য আজ দিন ঠিক করে দেন।

মহেশখালীর বিকল হয়ে যাওয়া এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) টার্মিনাল পুরোপুরি সচল হতে আরও দুয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে ধীরে ধীরে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে অংশ নেওয়া বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী সব ক্ষুদে ক্রীড়াবিদকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তাদের খেলাধুলায় উৎসাহ দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
৭ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠককালে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেকোনো দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং শিল্পায়নের মূল ভিত্তি হলো শক্তিশালী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজি খাটাতে চান নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশে। যদি জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে সামান্যতম শঙ্কাও থাকে, তবে বিদেশি বিনিয়োগ তো দূরের কথা, দেশীয় উদ্যোক্তারাও বিনিয
৮ ঘণ্টা আগে