ঢাকায় ৮০ হাজার মাদক মামলা, নিষ্পত্তিতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ

ইমাম রাকিব
আপডেট : ২৫ জুন ২০২৬, ১৭: ৫৭
ঢাকায় প্রায় ৮০ হাজার মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ছবি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি

দেশে মাদক-সংক্রান্ত বিচারাধীন মামলার সংখ্যা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। শুধু ঢাকাতেই প্রায় ৮০ হাজার মাদক মামলা ঝুলে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এসব মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) কর্মকর্তাদের অস্ত্র দেওয়ার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, মাদক এখন শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়; এটি জনস্বাস্থ্য, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকিতে পরিণত হয়েছে। এদিকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত এক জাতীয় গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে বর্তমানে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ বিভিন্ন ধরনের মাদক ব্যবহার করছে। তাদের মধ্যে ৬০ শতাংশেরও বেশি ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই প্রথমবার মাদকের সংস্পর্শে আসে।

আগামীকাল আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বেসরকারি মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে অনুদানের চেকও বিতরণ করা হয়।

আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস কাল

আগামীকাল ২৬ জুন পালিত হবে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৬’। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীতে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

সকালে রমনা পার্কের দক্ষিণ-পূর্ব পাশ থেকে একটি মাদকবিরোধী র‌্যালি বের হয়ে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হবে। সেখানে আলোচনা সভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, ডিএনসির থিম সং ও মাদকবিরোধী কার্যক্রমের ডকুমেন্টারি প্রদর্শনের আয়োজন রয়েছে। মাদকাসক্তি থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কারও বিতরণ করা হবে।

ডিএনসি জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য ৪টি সরকারি এবং ৩৮৬টি লাইসেন্সপ্রাপ্ত বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব কেন্দ্রে ডিটক্সিফিকেশন, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাসেবা, মনোসামাজিক কাউন্সেলিং, গ্রুপ ও ফ্যামিলি থেরাপি, পুনর্বাসন এবং পুনরায় সমাজে সম্পৃক্তকরণসহ সমন্বিত চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

অধিদপ্তরের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা ও পুনর্বাসন— এই তিন ক্ষেত্রকে সমান গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ সংশোধন করে আরও যুগোপযোগী করার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

ডিএনসি জানায়, বর্তমান সরকার মাদক, সন্ত্রাস ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। সরকারিভাবে পরিচালিত ঢাকার তেজগাঁওয়ের কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের কেন্দ্রগুলোর শয্যাসংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মাদক নিরাময় কেন্দ্রকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার কাজ চলছে।

বিচারাধীন মাদক মামলার পাহাড়

মাদক নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হচ্ছে বিপুলসংখ্যক বিচারাধীন মামলা। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সম্মেলন কক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শুধু ঢাকাতেই প্রায় ৮০ হাজার মাদক মামলা ঝুলে আছে। দেশের অন্যান্য জেলাতেও রয়েছে হাজার হাজার অনিষ্পন্ন মামলা।

তিনি বলেন, ‘এত বিপুল সংখ্যক মামলার বিচার প্রচলিত আদালতের মাধ্যমে দ্রুত সম্পন্ন করা কঠিন। তাই মাদক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।’

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হলে সেগুলোর পাশাপাশি সাধারণ আদালতেও মাদক মামলার বিচার চলবে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিচারিক দীর্ঘসূত্রতা মাদক ব্যবসায়ীদের অন্যতম বড় সুবিধা। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় ধরে মামলা ঝুলে থাকায় আসামিরা জামিনে বেরিয়ে আসে এবং পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।

‘মাদকচক্রের হাতে অস্ত্র, কর্মকর্তাদের হাতে কিছুই নেই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে সিনথেটিক ও সেমি-সিনথেটিক মাদকের বিস্তার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বিদ্যমান আইনি কাঠামো দিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, ‘মাদকচক্রগুলো অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করছে। অথচ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে কোনো অস্ত্র নেই। অনেকটা ‘ঢাল নেই, তলোয়ার নেই, নিধিরাম সর্দার’-এর মতো অবস্থা। তাই আইন সংশোধনের পাশাপাশি কর্মকর্তাদের অস্ত্র দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন যুগোপযোগী করতে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে অধিদপ্তরের কার্যক্ষমতা বাড়ানো এবং মাঠপর্যায়ে অভিযান আরও কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংসদ অধিবেশনে দেশব্যাপী অভিযানের ঘোষণা

সাম্প্রতিক সময়ে সংসদেও মাদক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন, ওই অধিবেশন শেষ হওয়ার পরপরই সারা দেশে মাদক, জুয়া এবং অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সুসমন্বিত অভিযান শুরু হবে।

ওই বিশেষ অভিযানে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অংশ নেবে বলে সংসদকে আশ্বস্ত করেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অধিবেশন চলাকালে গত ২৭ এপ্রিল তিনি বলেন, ‘দেশের যুবসমাজকে রক্ষা করতে হলে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। সরকার এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।’

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দেশে ৩০ হাজার ৭৪৪টি মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এসব অভিযানে ৯ হাজার ২৫১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ৯ হাজার ৬৮৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে শীর্ষ মাদক কারবারিদের তালিকা তৈরির কাজও চলছে।

গবেষণায় মাদকের ভয়াবহ চিত্র

দেশে মাদক পরিস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে পরিচালিত সবচেয়ে বড় গবেষণাগুলোর একটি প্রকাশিত হয়েছে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ)। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণাটি যৌথভাবে করেছে বিএমইউ এবং রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট লিমিটেড।

দেশের আট বিভাগের ১৩ জেলা ও ২৬ উপজেলায় পাঁচ হাজার ২৮০ জনের ওপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৮২ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

গবেষকদের মতে, এই সংখ্যা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়; এটি দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। উল্লেখ্য, গবেষণায় সিগারেটকে মাদক হিসেবে গণনা করা হয়নি।

গবেষণায় সবচেয়ে উদ্বেগজনক যে তথ্য উঠে এসেছে, তা হলো— মাদক ব্যবহারকারীদের ৬০ শতাংশের বেশি ১৮ বছর বয়সের আগেই প্রথমবার মাদক গ্রহণ করে।

গবেষকরা বলছেন, বন্ধুদের প্রভাব, কৌতূহল, পারিবারিক অশান্তি, মানসিক চাপ এবং সামাজিক পরিবেশ মাদক গ্রহণের প্রধান কারণ। অনেক ক্ষেত্রে কিশোররা প্রথমে কৌতূহলবশত মাদক গ্রহণ করলেও পরে তা আসক্তিতে পরিণত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবণতা ইঙ্গিত দেয় যে মাদক প্রতিরোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা নয়, পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।

বেশি ব্যবহৃত গাঁজা, নতুন আতঙ্ক সিনথেটিক মাদক

গবেষণার প্রধান গবেষক এবং বিএমইউর ডিন অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বলেন, দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাদক হলো গাঁজা। এরপর রয়েছে ইয়াবা, হেরোইন, ফেনসিডিল এবং কোডিনজাত কাশির সিরাপ।

তিনি জানান, শহরাঞ্চলে মাদক ব্যবহার বেশি হলেও গ্রামাঞ্চলেও দ্রুত বিস্তার ঘটছে। বিভাগভিত্তিক হিসেবে ঢাকা বিভাগে মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি এবং বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম।

সীমান্তবর্তী জেলা এবং বড় শহরের আশপাশের এলাকাগুলোতে মাদক ব্যবহার ও সরবরাহের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

বিশেষজ্ঞদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ এখন নতুন প্রজন্মের সিনথেটিক বা কৃত্রিম মাদক। প্রচলিত ইয়াবা, গাঁজা বা হেরোইনের বাইরে দেশে ছড়িয়ে পড়ছে এমডিএমএ, এলএসডি, আইস, ফেন্টানাইল, কেটামিন, ম্যাজিক মাশরুম ও কুশের মতো মাদক।

চিকিৎসকরা বলছেন, এসব মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব অনেক ক্ষেত্রে প্রচলিত মাদকের চেয়েও ভয়াবহ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের ভাষ্য, অনেক অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো এসব নতুন মাদকের ঝুঁকি সম্পর্কে পর্যাপ্ত সচেতন নয়।

বাড়ছে ইনজেকশন মাদকের ব্যবহার

গবেষণায় আরেকটি উদ্বেগজনক বিষয় হলো ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি।

অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বলেন, “ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীদের মধ্যে এইচআইভি, হেপাটাইটিসসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি।”

তার মতে, এটি এখন শুধু মাদক সমস্যা নয়, একটি জনস্বাস্থ্য সংকট।

পুনর্বাসনে বড় বিনিয়োগ

মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য সরকার ১ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সাতটি বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট সাতটি মাদক নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে।

এ ছাড়া বেসরকারি খাতে পরিচালিত ৭৩টি মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রকে এক কোটি ১০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হচ্ছে।

ডিএনসির মহাপরিচালক হাসান মারুফ বলেন, “মাদক এখন আর বিচ্ছিন্ন কিছু মানুষের সমস্যা নয়। এটি একটি বড় সামাজিক ও জনস্বাস্থ্য সংকটে পরিণত হয়েছে।”

তার মতে, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান দিয়ে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠনকে একসঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে।

‘এটি সামাজিক যুদ্ধ’

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শাহিনুল আলম বলেন, “এটা ভাবার কোনো কারণ নেই যে শুধু কিছু খারাপ মানুষই মাদকাসক্ত হয়। বাস্তবে আমাদের সন্তানরাও ঝুঁকির বাইরে নয়।”

তিনি বলেন, মাদক প্রতিরোধে রাজনৈতিক অঙ্গীকার, গবেষণা, সামাজিক সচেতনতা এবং সমন্বিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক নিয়ন্ত্রণ কেবল আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, জনস্বাস্থ্য এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন। তাই বড় মাদক সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া, বিচারিক কার্যকারিতা বাড়ানো, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ করা এবং সমাজভিত্তিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাই হতে পারে এই সংকট মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর পথ।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শুক্রবার

চীন সফরের শেষ দিন শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব পিপলে’ এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

৩ ঘণ্টা আগে

হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ মৃত্যু

দেশের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৩ জুন) সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময় কারও শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়নি।

৩ ঘণ্টা আগে

বাসসের সাবেক এমডি মাহবুব মোর্শেদকে তলব করেছে দুদক

চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ওই বছরের ১৮ আগস্ট মাহবুব মোর্শেদকে দুই বছরের জন্য বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। ওই সময় নিজের একটি গাড়ি আরেকটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত এ সংবাদমাধ্যমেই ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে।

৩ ঘণ্টা আগে

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, আরিফ-গউছ-বাবরকে খালাস

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে হত্যাচেষ্টা মামলায় এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এই মামলায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সরকার দলীয় হুইপ জি কে গউছ এবং সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরসহ অন্য আসামিদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

৪ ঘণ্টা আগে