
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

ভালো চাকরি ও উপার্জনের প্রলোভনে পড়ে বিভিন্ন সময়ে ভারতে পাচারের শিকার শিশুসহ ২১ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ দেশে ফিরেছেন। ভারতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ার পর তারা বিভিন্ন মেয়াদে সাজা খেটেছেন। বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল স্থলবন্দরে তাদের হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ।
বুধবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ পাচার হওয়া বাংলাদেশিদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে তুলে দেয়। বিভিন্ন সীমান্তপথে ভারতে গিয়ে অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক হয়েছিলেন তারা।
যারা দেশে ফিরেছেন তারা হলেন— সাহিদা খাতুন (৯), সুবর্ণা রায় (৮), মিরাজ হোসাইন রিমন (১৭), মো. আবু জুবাইদা সান (১৮), স্নিগ্ধা বিশ্বাস (১৫), ইয়াসির আরাফ (৭), ইন্দ্রজিৎ মন্ডল (১৪), প্রান্ত মন্ডল (১৬), আপন বিশ্বাস (১৮), মিহির জোয়দার (১৮), খাইরুল ইসলাম (১৯), সৈকত আলম (১৯), আবিদ আহমেদ (১), শিলা আক্তার (২০), টপা খানম (১৬), আজমিরা আক্তার খাতুন (৯), টুম্পা মন্ডল (১১), সুমাইয়া আক্তার (১৫), দিঘি বিশ্বাস (১০), সোনিয়া আক্তার (১৭) ও সুমাইয়া আক্তার (১৭)।
তারা যশোর, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ফরিদপুর, ঢাকা, কেরাণীগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, কক্সবাজার ও নড়াইল জেলার বাসিন্দা। আইনি সহায়তা দিতে রাইটস যশোর তাদের ১০ জনকে ও জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ১১ জনকে গ্রহণ করেছে।
জাস্টিজ অ্যান্ড কেয়ারের যশোর শাখার সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার আব্দুল মুহিত বলেন, ভালো বেতনের কাজের প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন সীমান্তপথে দালালের মাধ্যমে তারা ভারতে গিয়েছিলেন। অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে আইনি সহায়তা দিতে ভারতীয় একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের আদালত থেকে ছাড়িয়ে হেফাজতে নেয়।
বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ভোগের পর দুই দেশের সরকারের সহযোগিতায় বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন। ফেরত আসা বাংলাদেশিরা পাচারকারীদের শনাক্ত করে আইনি সহায়তা চাইলে সে সহায়তাও তাদের দেওয়া হবে বলে জানান আব্দুল মুহিত।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আহম্মেদ বলেন, ভারত ফেরত ২১ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ ও শিশুকে বেনাপোল বন্দর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। সেখান থেকে এনজিও সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ও রাইটস যশোর তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।

ভালো চাকরি ও উপার্জনের প্রলোভনে পড়ে বিভিন্ন সময়ে ভারতে পাচারের শিকার শিশুসহ ২১ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ দেশে ফিরেছেন। ভারতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ার পর তারা বিভিন্ন মেয়াদে সাজা খেটেছেন। বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল স্থলবন্দরে তাদের হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ।
বুধবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ পাচার হওয়া বাংলাদেশিদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে তুলে দেয়। বিভিন্ন সীমান্তপথে ভারতে গিয়ে অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক হয়েছিলেন তারা।
যারা দেশে ফিরেছেন তারা হলেন— সাহিদা খাতুন (৯), সুবর্ণা রায় (৮), মিরাজ হোসাইন রিমন (১৭), মো. আবু জুবাইদা সান (১৮), স্নিগ্ধা বিশ্বাস (১৫), ইয়াসির আরাফ (৭), ইন্দ্রজিৎ মন্ডল (১৪), প্রান্ত মন্ডল (১৬), আপন বিশ্বাস (১৮), মিহির জোয়দার (১৮), খাইরুল ইসলাম (১৯), সৈকত আলম (১৯), আবিদ আহমেদ (১), শিলা আক্তার (২০), টপা খানম (১৬), আজমিরা আক্তার খাতুন (৯), টুম্পা মন্ডল (১১), সুমাইয়া আক্তার (১৫), দিঘি বিশ্বাস (১০), সোনিয়া আক্তার (১৭) ও সুমাইয়া আক্তার (১৭)।
তারা যশোর, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ফরিদপুর, ঢাকা, কেরাণীগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, কক্সবাজার ও নড়াইল জেলার বাসিন্দা। আইনি সহায়তা দিতে রাইটস যশোর তাদের ১০ জনকে ও জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ১১ জনকে গ্রহণ করেছে।
জাস্টিজ অ্যান্ড কেয়ারের যশোর শাখার সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার আব্দুল মুহিত বলেন, ভালো বেতনের কাজের প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন সীমান্তপথে দালালের মাধ্যমে তারা ভারতে গিয়েছিলেন। অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে আইনি সহায়তা দিতে ভারতীয় একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের আদালত থেকে ছাড়িয়ে হেফাজতে নেয়।
বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ভোগের পর দুই দেশের সরকারের সহযোগিতায় বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন। ফেরত আসা বাংলাদেশিরা পাচারকারীদের শনাক্ত করে আইনি সহায়তা চাইলে সে সহায়তাও তাদের দেওয়া হবে বলে জানান আব্দুল মুহিত।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আহম্মেদ বলেন, ভারত ফেরত ২১ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ ও শিশুকে বেনাপোল বন্দর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। সেখান থেকে এনজিও সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ও রাইটস যশোর তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইইউ’র পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এর মধ্যে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন, দক্ষতা উন্নয়ন, ইউরোপে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষা খাত অন্যতম।
৭ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ দুপুর ১টার মধ্যে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ৭টি জেলা ও তৎসংলগ্ন এলাকার ওপর দিয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। অঞ্চলগুলো হলো— রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং সিলেট।
৮ ঘণ্টা আগে
এর আগে সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে তুলে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন এবং এ কাজে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য আদালতের কাছে গত ২০ মে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. জিয়াউল মোর্শেদ।
১৮ ঘণ্টা আগে