
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভারতীয় কূটনীতিকদের জন্য বাংলাদেশকে ‘নো ফ্যামিলি পোস্টিং’ তথা পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার নীতি কার্যকরের কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, ভারতের কূটনীতিকরা চাইলে তাদের পরিবারকে সরাতেই পারেন। এটি তাদের ব্যাপার। কিন্তু নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশে কোনো শঙ্কা নেই। এ বিষয়ে তাদের সংকেত যে কী, তা আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ভারতের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে গত ২০ জানুয়ারি হিন্দুস্তান টাইমস প্রথম জানায়, ‘নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায়’ বাংলাদেশকে কূটনীতিকদের জন্য ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এ সিদ্ধান্তের আওতায় বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে।
কোনো দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় ভারত ওই দেশকে তাদের কূটনীতিকদের জন্য ‘নো-চিলড্রেন পোস্টিং’ ও ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’ নামে বিশেষ নীতি অনুসরণ করে থাকে। এর মধ্যে ‘নো-চিলড্রেন পোস্টিং’ নীতি প্রযোজ্য হলে সেখানে কূটনতিকের সঙ্গে কেবল স্ত্রী কর্মস্থল দেশে থাকতে পারেন, সন্তানরা সঙ্গে থাকার অনুমতি পান না। অন্যদিকে ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’ নীতির আওতায় কূটনীতিককে একাই কর্মস্থলে থাকতে হয়, পরিবারের কোনো সদস্য সঙ্গে থাকতে পারেন না।
ভারতের কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’কে ভারতীয় কূটনীতিকদের জন্য সবচেয়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলোর একটি মনে করা হয়। বর্তমানে ভারতের সঙ্গে সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক যে পাকিস্তানের, সেখানেও এই নীতি প্রযোজ্য নেই। এই দেশটি ভারতের কাছে ‘নো-চিলড্রেন পোস্টিং’ হিসেবে বিবেচিত।
বাংলাদেশকে ‘নো ফ্যামিলি পোস্টিং’ ঘোষণার মধ্য দিয়ে ভারত কোনো বার্তা দিচ্ছে কি না— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটি একেবারেই তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তারা তাদের কর্মচারীদের পরিবারকে চলে যেতে বলতেই পারেন যেকোনো সময়। কিন্তু কেন বলেছেন, আমি তার কোনো কারণ খুঁজে পাই না।
‘বাংলাদেশে এমন কোনো পরিস্থিতি বিদ্যমান নেই যে তাদের কর্মকর্তারা, তাদের পরিবার-পরিজন অনেক বিপদে আছে। তেমন কোনো ঘটনা তো এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ঘটেনি। তাদের মনে হয়তো আশঙ্কা আছে, অথবা তারা কোনো মেসেজ (বার্তা) দিতে এটা করছেন। তবে আমি আসলে সঠিক কোনো মেসেজ (কারণ) খুঁজে পাচ্ছি না,’— বলেন তৌহিদ হোসেন।
আগেকার নির্বাচনকালীন পরিস্থিতির সঙ্গে বর্তমান সময়ের তুলনা টেনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, অতীতের নির্বাচনের সময়ের তুলনায় এখন সংঘর্ষ বেশি হচ্ছে, আমার কাছে সেটি মনে হচ্ছে না। আমার তো মনে হয় না যে এমন কোনো নিরাপত্তা-পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে সে জন্য এ পদক্ষেপ নিতে হবে।
নিরাপত্তা নিয়ে ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস আগাম উদ্বেগ জানিয়েছিল কি না— এমন প্রশ্নের জবাবেও উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন ‘না’ সূচক জবাব দেন।
বাংলাদেশে ঢাকায় রয়েছে ভারতের হাইকমিশন। এর বাইরে চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটে রয়েছে চারটি সহকারী হাইকমিশন। ভারতীয় কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ‘নো ফ্যামিলি পোস্টিং’ নীতিতেও এসব মিশনের কোনোটির কার্যক্রমই বাধাগ্রস্ত হবে না। সবগুলো মিশনই খোলা থাকবে এবং স্বাভাবিক জনবল নিয়েই কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

ভারতীয় কূটনীতিকদের জন্য বাংলাদেশকে ‘নো ফ্যামিলি পোস্টিং’ তথা পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার নীতি কার্যকরের কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, ভারতের কূটনীতিকরা চাইলে তাদের পরিবারকে সরাতেই পারেন। এটি তাদের ব্যাপার। কিন্তু নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশে কোনো শঙ্কা নেই। এ বিষয়ে তাদের সংকেত যে কী, তা আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ভারতের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে গত ২০ জানুয়ারি হিন্দুস্তান টাইমস প্রথম জানায়, ‘নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায়’ বাংলাদেশকে কূটনীতিকদের জন্য ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এ সিদ্ধান্তের আওতায় বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে।
কোনো দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় ভারত ওই দেশকে তাদের কূটনীতিকদের জন্য ‘নো-চিলড্রেন পোস্টিং’ ও ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’ নামে বিশেষ নীতি অনুসরণ করে থাকে। এর মধ্যে ‘নো-চিলড্রেন পোস্টিং’ নীতি প্রযোজ্য হলে সেখানে কূটনতিকের সঙ্গে কেবল স্ত্রী কর্মস্থল দেশে থাকতে পারেন, সন্তানরা সঙ্গে থাকার অনুমতি পান না। অন্যদিকে ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’ নীতির আওতায় কূটনীতিককে একাই কর্মস্থলে থাকতে হয়, পরিবারের কোনো সদস্য সঙ্গে থাকতে পারেন না।
ভারতের কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’কে ভারতীয় কূটনীতিকদের জন্য সবচেয়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলোর একটি মনে করা হয়। বর্তমানে ভারতের সঙ্গে সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক যে পাকিস্তানের, সেখানেও এই নীতি প্রযোজ্য নেই। এই দেশটি ভারতের কাছে ‘নো-চিলড্রেন পোস্টিং’ হিসেবে বিবেচিত।
বাংলাদেশকে ‘নো ফ্যামিলি পোস্টিং’ ঘোষণার মধ্য দিয়ে ভারত কোনো বার্তা দিচ্ছে কি না— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটি একেবারেই তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তারা তাদের কর্মচারীদের পরিবারকে চলে যেতে বলতেই পারেন যেকোনো সময়। কিন্তু কেন বলেছেন, আমি তার কোনো কারণ খুঁজে পাই না।
‘বাংলাদেশে এমন কোনো পরিস্থিতি বিদ্যমান নেই যে তাদের কর্মকর্তারা, তাদের পরিবার-পরিজন অনেক বিপদে আছে। তেমন কোনো ঘটনা তো এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ঘটেনি। তাদের মনে হয়তো আশঙ্কা আছে, অথবা তারা কোনো মেসেজ (বার্তা) দিতে এটা করছেন। তবে আমি আসলে সঠিক কোনো মেসেজ (কারণ) খুঁজে পাচ্ছি না,’— বলেন তৌহিদ হোসেন।
আগেকার নির্বাচনকালীন পরিস্থিতির সঙ্গে বর্তমান সময়ের তুলনা টেনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, অতীতের নির্বাচনের সময়ের তুলনায় এখন সংঘর্ষ বেশি হচ্ছে, আমার কাছে সেটি মনে হচ্ছে না। আমার তো মনে হয় না যে এমন কোনো নিরাপত্তা-পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে সে জন্য এ পদক্ষেপ নিতে হবে।
নিরাপত্তা নিয়ে ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস আগাম উদ্বেগ জানিয়েছিল কি না— এমন প্রশ্নের জবাবেও উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন ‘না’ সূচক জবাব দেন।
বাংলাদেশে ঢাকায় রয়েছে ভারতের হাইকমিশন। এর বাইরে চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটে রয়েছে চারটি সহকারী হাইকমিশন। ভারতীয় কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ‘নো ফ্যামিলি পোস্টিং’ নীতিতেও এসব মিশনের কোনোটির কার্যক্রমই বাধাগ্রস্ত হবে না। সবগুলো মিশনই খোলা থাকবে এবং স্বাভাবিক জনবল নিয়েই কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

ইসি সচিব বলেন, তারা আমাদেরকে জানিয়েছেন যে নির্বাচন উপলক্ষে তাদের কোন পর্যবেক্ষক দল আসবে না। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বাধীন একটা দল আসবে এবং মার্কিন দূতাবাস থেকে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনায় নিজ উদ্যোগে, নিজেদের মতো করে তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে যাবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
এ ছাড়া যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির র্যাপিড অ্যাকশন টিম (র্যাট), কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) এবং প্রয়োজনে হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে এবার বডি ওর্ন ক্যামেরা, নাইট ভিশন ডিভাইস, এপিসি ও আধুনিক সিগন্যাল সরঞ্জাম ব্যবহার করা হবে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ
৭ ঘণ্টা আগে
আগুন নিয়ন্ত্রণে তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আরো দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাকিবুল হাসান।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষপাতিত্ব করবে না, দেশটি থাকবে জনগণের পক্ষে— এমনটাই জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
১১ ঘণ্টা আগে