
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পেশাদার সাংবাদিক দ্বারা পরিচালিত হওয়া সত্ত্বেও মূলধারার গণমাধ্যমও মিথ্যা তথ্য ছড়ায়। সরকার ও বিরোধী দলগুলোও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এসব তথ্য ছড়িয়ে থাকে। গণতন্ত্র না থাকলে মিথ্যা তথ্য বেশি ছড়ায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রসারের ফলে মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ও গুজব বেশি ছড়াচ্ছে। এই মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ও গুজবের ফলে সহিংসতা, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মতো ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
রোববার রাজধানীর গুলশানের ইএমকে সেন্টারে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘দ্য ওয়ার এগেইনস্ট মিসইনফরমেশন কন্টিনিউস (মিথ্যা তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই চলছে)’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে অতিথিরা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কাউন্সেলর স্টিফেন ইবেলি।
তিনি বলেন, মিথ্যা তথ্য অনেক ক্ষেত্রে জীবন-মরণের প্রশ্ন তৈরি করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর বিষয়টি আরও খারাপ আকার ধারণ করছে।
তিনি বলেন, সরকার পছন্দ করুক বা না করুক, জনগণ পছন্দ করুক বা না করুক, আমরা পছন্দ করি বা না করি, এটা গুরুত্বপূর্ণ যে আপনাদের (সাংবাদিক) কণ্ঠস্বর যেন সেন্সর করা না হয়।
স্টিফেন ইবেলি বলেন, সাংবাদিকরা এমন পরিস্থিতি প্রত্যাশা করেন না, যেখানে তাদের সেন্সর করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সব উপকরণ ব্যবহার করবে।
মিডিয়া লিটারেসি আগের চেয়ে এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, যখন প্রযুক্তি দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ, তখন মিডিয়া লিটারেসির ক্ষেত্রেও তাই হওয়া উচিত।
সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন, বাংলাদেশি গণমাধ্যমগুলো মালিকানার ধরনের কারণে মালিকরা স্বাধীন সাংবাদিকতাকে বাধাগ্রস্ত করে।
তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সংগঠনগুলো নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে বিচ্ছিন্ন। এটাও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এক ধরনের নিপীড়ন।
জিল্লুর রহমান বলেন, মিথ্যা তথ্য এমন একটি বিষয়, যেটির বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হয়। বাংলাদেশে সরকার ও বিরোধী দলও মিথ্যা তথ্য ছড়ায়। ধর্মীয় দলগুলো মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। মূলধারার গণমাধ্যমও অনেক ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়। গণমাধ্যমগুলো তাদের অনলাইন সংস্করণে অর্থ উপার্জনের জন্যও মিথ্যা ও অপতথ্য ছড়িয়ে দিয়ে থাকে।
এক প্রশ্নের জবাবে জিল্লুর রহমান বলেন, গণতন্ত্রের চেয়ে ভালো শাসনব্যবস্থা নেই। গণতন্ত্র না থাকলে মিথ্যা তথ্য, গুজব বাড়তে থাকবে। উগ্রবাদের বিস্তার, সহিংসতা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ঝুঁকিও থাকবে। মিথ্যা তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে দেশের গণতন্ত্রের জন্যও লড়তে হবে। গণতন্ত্র শক্তিশালী না হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ভবিষ্যৎ অন্ধকার।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সহযোগিতায় ‘কনফ্রন্টিং মিসইনফরমেশন ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে সিজিএস। স্থানীয় পর্যায়ে ভুল তথ্যের প্রক্রিয়া এবং ভুল তথ্য মোকাবিলার চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করতে প্রকল্পটি কাজ করে। এই প্রকল্পের আওতায় গত এক বছরে সারা দেশে ১৪টি সংলাপ ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকেরা অংশ নেন।
প্রকল্পের অধীন ‘ভুয়া তথ্য কী: একটি শনাক্তকরণ নির্দেশিকা’ও প্রস্তুত করা হয়েছে।
সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন, কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই মিথ্যা তথ্যের বিস্তার থেকে রেহাই পাওয়া যাবে না। তবে এমন কার্যক্রমগুলো চলমান থাকলে মিথ্যা তথ্য ও গুজব সম্পর্কে মানুষ সচেতন হবে।
সিজিএসের গবেষণা সহযোগী স্যাঁইনশৈক্য অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

পেশাদার সাংবাদিক দ্বারা পরিচালিত হওয়া সত্ত্বেও মূলধারার গণমাধ্যমও মিথ্যা তথ্য ছড়ায়। সরকার ও বিরোধী দলগুলোও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এসব তথ্য ছড়িয়ে থাকে। গণতন্ত্র না থাকলে মিথ্যা তথ্য বেশি ছড়ায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রসারের ফলে মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ও গুজব বেশি ছড়াচ্ছে। এই মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ও গুজবের ফলে সহিংসতা, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মতো ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
রোববার রাজধানীর গুলশানের ইএমকে সেন্টারে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘দ্য ওয়ার এগেইনস্ট মিসইনফরমেশন কন্টিনিউস (মিথ্যা তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই চলছে)’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে অতিথিরা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কাউন্সেলর স্টিফেন ইবেলি।
তিনি বলেন, মিথ্যা তথ্য অনেক ক্ষেত্রে জীবন-মরণের প্রশ্ন তৈরি করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর বিষয়টি আরও খারাপ আকার ধারণ করছে।
তিনি বলেন, সরকার পছন্দ করুক বা না করুক, জনগণ পছন্দ করুক বা না করুক, আমরা পছন্দ করি বা না করি, এটা গুরুত্বপূর্ণ যে আপনাদের (সাংবাদিক) কণ্ঠস্বর যেন সেন্সর করা না হয়।
স্টিফেন ইবেলি বলেন, সাংবাদিকরা এমন পরিস্থিতি প্রত্যাশা করেন না, যেখানে তাদের সেন্সর করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সব উপকরণ ব্যবহার করবে।
মিডিয়া লিটারেসি আগের চেয়ে এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, যখন প্রযুক্তি দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ, তখন মিডিয়া লিটারেসির ক্ষেত্রেও তাই হওয়া উচিত।
সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন, বাংলাদেশি গণমাধ্যমগুলো মালিকানার ধরনের কারণে মালিকরা স্বাধীন সাংবাদিকতাকে বাধাগ্রস্ত করে।
তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সংগঠনগুলো নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে বিচ্ছিন্ন। এটাও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এক ধরনের নিপীড়ন।
জিল্লুর রহমান বলেন, মিথ্যা তথ্য এমন একটি বিষয়, যেটির বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হয়। বাংলাদেশে সরকার ও বিরোধী দলও মিথ্যা তথ্য ছড়ায়। ধর্মীয় দলগুলো মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। মূলধারার গণমাধ্যমও অনেক ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়। গণমাধ্যমগুলো তাদের অনলাইন সংস্করণে অর্থ উপার্জনের জন্যও মিথ্যা ও অপতথ্য ছড়িয়ে দিয়ে থাকে।
এক প্রশ্নের জবাবে জিল্লুর রহমান বলেন, গণতন্ত্রের চেয়ে ভালো শাসনব্যবস্থা নেই। গণতন্ত্র না থাকলে মিথ্যা তথ্য, গুজব বাড়তে থাকবে। উগ্রবাদের বিস্তার, সহিংসতা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ঝুঁকিও থাকবে। মিথ্যা তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে দেশের গণতন্ত্রের জন্যও লড়তে হবে। গণতন্ত্র শক্তিশালী না হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ভবিষ্যৎ অন্ধকার।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সহযোগিতায় ‘কনফ্রন্টিং মিসইনফরমেশন ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে সিজিএস। স্থানীয় পর্যায়ে ভুল তথ্যের প্রক্রিয়া এবং ভুল তথ্য মোকাবিলার চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করতে প্রকল্পটি কাজ করে। এই প্রকল্পের আওতায় গত এক বছরে সারা দেশে ১৪টি সংলাপ ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকেরা অংশ নেন।
প্রকল্পের অধীন ‘ভুয়া তথ্য কী: একটি শনাক্তকরণ নির্দেশিকা’ও প্রস্তুত করা হয়েছে।
সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন, কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই মিথ্যা তথ্যের বিস্তার থেকে রেহাই পাওয়া যাবে না। তবে এমন কার্যক্রমগুলো চলমান থাকলে মিথ্যা তথ্য ও গুজব সম্পর্কে মানুষ সচেতন হবে।
সিজিএসের গবেষণা সহযোগী স্যাঁইনশৈক্য অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

গত আড়াই মাস ধরে চালানো ‘বিশেষ অভিযানে’ ৩২ হাজার ৯০৮ জনকে গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে মাদক-সংক্রান্ত মামলাতেই গ্রেপ্তার হয়েছেন ২০ হাজারের বেশি। আজ সোমবার পুলিশ সদরদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রাম বিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে অর্থপাচার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন আজ সোমবার এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কবীর হোসেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, নকল ও ভেজাল ওষুধের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় দেশব্যাপী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
দেশে অতি বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢলে বন্যা ও পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে ৭ জেলায় এখনো পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে দেড় লাখের বেশি পরিবার। এ ছাড়া বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জনে।
১৬ ঘণ্টা আগে