অগ্নিসন্ত্রাস ও লাশের রাজনীতি কার প্রিয়, জানালেন সোহেল তাজ

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০২৫, ১৪: ৩১
সোহেল তাজ

রাজধানীতে বাসে আগুন, অগ্নিসন্ত্রাস আর ককটেল বিস্ফোরণ ও লাশের রাজনীতি কারা করে, এ নিয়ে মন্তব্য করেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ। এছাড়া তিনি দু'টি বইয়ের উদাহরণ দিয়ে তা বুঝে নেওয়ার কথাও বলেছেন।

বুধবার ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। সোহেল তাজ লেখেন, ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে আর সত্যি কথা বললে যদি গালি খেতে হয় তাহলে কি আর করা।’

তিনি আরও লেখেন, ‘সাবেক (পতিত) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী মাফিয়া শাসনকালে ঘটে যাওয়া হত্যা, গুম, খুন, দুর্নীতি, টাকা পাচার, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা ধ্বংস করা, জনগণের ভোট অধিকার কেড়ে নেওয়া, বাংলাদেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করতে দেওয়া এবং পরিশেষে নিজের দেশের ছাত্র-জনতার ওপর গণহত্যা চালানোর কারণে যদি প্রতিবাদ করে সত্য কথা বলে গালি খেতে হয়, তাহলে লজ্জাটা আসলে কার?’

সোহেল তাজ লেখেন, ‘সবাই একটু কষ্ট করে বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান রেন্টুর ‘আমার ফাঁসি চাই’ আর ‘অন্তরালের হত্যাকারী প্রধানমন্ত্রী’ বই দু’টি পড়লেই বুঝবেন বাসে আগুন, অগ্নিসন্ত্রাস আর ককটেল, লাশের রাজনীতি কার খুব প্রিয়।’

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

ওসমান হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ করল ডিএমপি

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেফতারে রাজধানীতে জোর অভিযান পরিচালনা করছে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ছবির ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা গেছে।

৩ ঘণ্টা আগে

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি

৫ ঘণ্টা আগে

‘শংকামুক্ত নন ওসমান হাদি, তবে অবস্থার কিছুটা উন্নতি’

পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। তবে এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায় নি।

৫ ঘণ্টা আগে

এই হামলা বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত: প্রধান উপদেষ্টা

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির হামলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদকালে অন্যতম উদ্বেগজনক ঘটনা। এই হামলা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার ওপর সুপরিকল্পিত আঘাত। এর মাধ্যমে পরাজিত শক্তি দেশের অস্তিত্বকে চ্যালেঞ্জ করার দুঃ

৬ ঘণ্টা আগে