ডেঙ্গু নিয়ে যেসব ভুল ধারণা হয়ে উঠতে পারে প্রাণঘাতী

কারার জুনায়েদ আহসান
ডেঙ্গু নিয়ে প্রয়োজন সচেতনতা। গ্রাফিক্স: রাজনীতি ডটকম
ডেঙ্গু নিয়ে প্রয়োজন সচেতনতা। গ্রাফিক্স: রাজনীতি ডটকম

‘রোগীর জ্বর তো কমে যাচ্ছিল। ও তো সুস্থ হয়ে উঠছিল। হঠাৎ এমন হলো কীভাবে?’— ডেঙ্গুতে কোনো শিশু বা পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হলে স্বজনদের মনে এমন প্রশ্ন জাগা খুবই স্বাভাবিক।

কয়েক দিন ধরে জ্বর, মাথাব্যথা, শরীরব্যথা। তারপর একদিন জ্বর কমে গেল। পরিবারের সবাই ভাবলেন, বিপদ কেটে গেছে। অথচ তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রোগীর অবস্থা খারাপ হতে শুরু করল। দ্রুত হাসপাতালে নিতে হলো।

এমন ঘটনা ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক নয়। কারণ ডেঙ্গুর সবচেয়ে বিপজ্জনক সময়টি অনেক ক্ষেত্রে শুরু হয় ঠিক তখনই, যখন জ্বর কমতে থাকে। এই সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক তথ্যটি আমাদের অনেকেরই জানা নেই।

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। ১২ অক্টোবর পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, কেবল এ বছরেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা এক লাখ এক হাজার ৪৪২ জন। এর মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩০৭ জনের। অথচ ডেঙ্গু নিয়ে আমাদের কিছু ভুল ধারণা ও প্রচলিত অভ্যাস এখনো সময়মতো চিকিৎসা নেওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

ডেঙ্গুর ৩ পর্যায়: কখন কী ঘটে?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী, ডেঙ্গু সাধারণত তিনটি পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যায়। প্রথমটি Febrile Phase বা জ্বরের পর্যায়। এ সময় প্রচণ্ড জ্বর, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, শরীরে ব্যথা, বমি বমি ভাব কিংবা দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। জ্বর সাধারণত দুই থেকে সাত দিন থাকে। এ সময় পানিশূন্যতাও হতে পারে।

ডেঙ্গুর দ্বিতীয় পর্যায়কে বলা হয় Critical Phase বা সংকটপূর্ণ পর্যায়। সাধারণত অসুস্থতার তৃতীয় থেকে সপ্তম দিনের মধ্যে জ্বর কমার কাছাকাছি সময়ে এ পর্যায় শুরু হতে পারে। এটি সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা স্থায়ী হয়। তবে সবার ক্ষেত্রে একই সময়ে শুরু হয় না।

এই সময়ে কিছু রোগীর রক্তনালি থেকে রক্তের তরল অংশ বেরিয়ে আশপাশের টিস্যুতে জমা হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে প্লাজমা লিকেজ। এর ফলে রক্তনালির ভেতরে তরলের পরিমাণ কমে যায়। গুরুতর ক্ষেত্রে রক্তসঞ্চালন ব্যাহত হয়ে শক, রক্তক্ষরণ, কিংবা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। একই সময়ে প্লাটিলেটও দ্রুত কমতে পারে। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— প্লাটিলেট কমে যাওয়াই ডেঙ্গুর সবচেয়ে বড় বিপদ নয়। রক্তনালি থেকে তরল বেরিয়ে যাওয়া এবং তার ফলে রক্তসঞ্চালন ব্যাহত হওয়া অনেক বেশি বিপজ্জনক।

তৃতীয়টি Recovery Phase বা সুস্থ হয়ে ওঠার পর্যায়। এ সময় বেরিয়ে যাওয়া তরল আবার রক্তনালিতে ফিরতে থাকে, রোগীর অবস্থার উন্নতি হয় এবং প্লাটিলেটও ধীরে ধীরে বাড়ে। তবে এ পর্যায়ে অতিরিক্ত স্যালাইন দিলে শরীরে তরল জমে শ্বাসকষ্টসহ জটিলতা হতে পারে।

জ্বর কমছে, কিন্তু বিপদ বাড়ছে কেন?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশিত ডেঙ্গুর গতিপথের চিত্রটি দেখলে বিষয়টি সহজে বোঝা যায়। চিত্রে অসুস্থতার প্রথম কয়েক দিনে জ্বর বেশি থাকে। এরপর জ্বরের রেখা নিচে নামতে শুরু করে। কিন্তু ঠিক একই সময়ে অনেক রোগীর প্লাটিলেটের সংখ্যাও কমতে থাকে।

কিছু রোগীর হেমাটোক্রিট বেড়ে যেতে পারে, যা রক্তনালি থেকে তরল বেরিয়ে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে। হেমাটোক্রিট হলো রক্তে লোহিত রক্তকণিকার অনুপাত। রক্তের তরল অংশ কমে গেলে এই অনুপাত বেড়ে যেতে পারে। তবে শুধু প্লাটিলেট বা হেমাটোক্রিটের সংখ্যা দিয়ে রোগীর বিপদ নির্ধারণ করা যায় না। রোগীর রক্তচাপ, নাড়ির গতি, প্রস্রাবের পরিমাণ এবং অন্যান্য উপসর্গও দেখতে হয়।

অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী গুরুতর জটিলতা ছাড়াই সুস্থ হয়ে ওঠেন। কিন্তু কার অবস্থার অবনতি হবে, তা শুরুতেই সব সময় বোঝা যায় না। তাই জ্বর কমার সময় এবং পরবর্তী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা বিশেষ সতর্ক থাকা জরুরি। তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, ঘুমঘুম ভাব, অস্থিরতা, রক্তপাত, শ্বাসকষ্ট কিংবা প্রস্রাব কমে গেলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।

জ্বর হলে ৩ দিন অপেক্ষা কেন?

আমাদের দেশে একটি প্রচলিত ধারণা হলো, জ্বরের তিন দিন না হলে ডেঙ্গুর পরীক্ষা করা যায় না। ধারণাটি ভুল। জ্বর শুরুর প্রথম দিন থেকেই NS1 অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) নির্দেশিকা অনুযায়ী, উপসর্গ শুরুর প্রথম সাত দিনের মধ্যে এই পরীক্ষা সবচেয়ে উপযোগী, বিশেষ করে প্রথম কয়েক দিনে।

তাহলে আমরা কেন তিন দিন অপেক্ষা করি? ডেঙ্গুর মৌসুমে জ্বর হলে প্রথম দিনেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে সেদিনই পরীক্ষা করাতে পারেন। তবে প্রথম দিনের এনএস১ পরীক্ষার ফল নেগেটিভ হলেও ডেঙ্গুর আশঙ্কা পুরোপুরি বাদ দেওয়া যায় না। পরীক্ষার সময়, ব্যবহৃত কিট ও রোগীর সংক্রমণের ধরন অনুযায়ী ফলের নির্ভরযোগ্যতা বদলায়।

অন্যদিকে আইজিএম অ্যান্টিবডি সাধারণত অসুস্থতার চতুর্থ বা পঞ্চম দিন থেকে শনাক্ত হতে শুরু করে। তাই কখন কোন পরীক্ষা করতে হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

রক্তের সিবিসি (কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট) পরীক্ষায় প্লাটিলেট ও হেমাটোক্রিট দেখা যায়। তবে একবারের পরীক্ষার চেয়ে রোগীর সামগ্রিক অবস্থা ও প্রয়োজন অনুযায়ী ধারাবাহিক পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ডেঙ্গু সন্দেহ হলে পরীক্ষার ফলের অপেক্ষায় থাকার কারণে চিকিৎসকের কাছে যেতে দেরী করা উচিত নয়।

প্লাটিলেট বাড়ানোর ‘প্রতিযোগিতা’ কি আসল চিকিৎসা?

ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পর অনেক পরিবারের সব মনোযোগ চলে যায় প্লাটিলেটের দিকে। এক লাখের নিচে নামলেই দুশ্চিন্তা, ৫০ হাজার হলে আতঙ্ক। অথচ শুধু প্লাটিলেটের সংখ্যা দিয়ে ডেঙ্গুর তীব্রতা বোঝা যায় না। প্লাটিলেট অনেক কমলেও রোগী স্থিতিশীল থাকতে পারেন। আবার তুলনামূলক বেশি প্লাটিলেট নিয়েও কেউ গুরুতর শকে যেতে পারেন।

শুধু প্লাটিলেট কমেছে বলে প্রতিরোধমূলকভাবে প্লাটিলেট ট্রান্সফিউশন দেওয়ার সুপারিশ করা হয় না। অপ্রয়োজনীয় ট্রান্সফিউশন বরং ক্ষতির কারণ হতে পারে। ২০১৭ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিখ্যাত সাময়িকী দ‍্য ল‍্যানসেটে প্রকাশিত সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার পাঁচটি হাসপাতালে করা একটি গবেষণায় দেখা যায়, প্লাটিলেট দেওয়া ও না দেওয়া রোগীদের মধ‍্যে রক্তক্ষরণের হারের পার্থক্যটি পরিসংখ্যানগতভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল না। অর্থাৎ আগেভাগে প্লাটিলেট দিয়ে রক্তক্ষরণ প্রতিরোধের বাড়তি উপকার পাওয়া যায়নি। বরং প্লাটিলেট পাওয়া রোগীদের মধ্যে চিকিৎসাজনিত বিরূপ প্রতিক্রিয়া বেশি দেখা গেছে।

কেন এমন হয়?

ডেঙ্গুর সংকটকালে কিছু রোগীর রক্তনালি থেকে তরল বেরিয়ে আশপাশের টিস্যুতে জমা হয়। আবার সুস্থ হওয়ার সময় সেই তরল রক্তনালিতে ফিরে আসে। এ অবস্থায় অপ্রয়োজনীয় রক্ত বা প্লাটিলেট সঞ্চালন শরীরে অতিরিক্ত তরল জমার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এর ফলে ফুসফুসে তরল জমে শ্বাসকষ্ট, এমনকি জীবনসংকটও দেখা দিতে পারে।

এ ছাড়া রক্ত বা প্লাটিলেট সঞ্চালনে গুরুতর অ্যালার্জি, ফুসফুসের ক্ষতি এবং অন্যান্য জটিলতার ঝুঁকিও রয়েছে। এ কারণেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসি ডেঙ্গুতে শুধু প্লাটিলেটের সংখ্যা কম বলে নিয়মিত প্রতিরোধমূলক প্লাটিলেট ট্রান্সফিউশন দেওয়ার সুপারিশ করে না। তবে গুরুতর রক্তক্ষরণ হলে রক্ত সঞ্চালন জীবন বাঁচাতে পারে। তাই সিদ্ধান্তটি শুধু প্লাটিলেটের সংখ্যার ওপর নয়, রোগীর রক্তক্ষরণ, রক্তসঞ্চালন ও সামগ্রিক শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করতে হবে।

পেঁপে পাতার রস, কিউই, ডাবের পানি— কতটা কার্যকর?

ডেঙ্গু হলেই পেঁপে পাতার রস খাওয়ানোর প্রবণতা আমাদের দেশে বেশ পরিচিত। কিছু ছোট গবেষণায় পেঁপে পাতার নির্যাস গ্রহণকারীদের প্লাটিলেট তুলনামূলক দ্রুত বাড়তে দেখা গেছে। কিন্তু গবেষণাগুলোর মান ও পদ্ধতিগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে। গুরুতর ডেঙ্গু, রক্তক্ষরণ বা মৃত্যু কমায়— এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।

প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়ানো আর রোগীর জীবন বাঁচানো এক বিষয় নয়। তাই পেঁপে পাতার রসকে ডেঙ্গুর প্রমাণিত চিকিৎসা মনে করা ভুল। একইসাথে পেঁপে পাতার রস প্রাকৃতিক বলেই নিরাপদ— এমন ধারণাও ঠিক নয়।

এর সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আমাদের মনে রাখা দরকার। ২০২১ সালে প্রকাশিত একটি সিস্টেমেটিক রিভিউতে ৪১টি গবেষণা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, স্বল্প সময়ের ব্যবহারে পেঁপে পাতার নির্যাস সাধারণত সহনীয় হলেও বমি, পেটের সমস্যা ও অ্যালার্জির মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। লিভারের এনজাইম বেড়ে যাওয়ার কিছু সন্দেহজনক ঘটনাও পাওয়া গেছে, যদিও নির্যাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নিশ্চিত হয়নি। অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যবহারের নিরাপত্তা নিয়েও পর্যাপ্ত গবেষণা নেই।

তাই পেঁপে পাতার রস বেশি খেলে বেশি উপকার হবে— এমন ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বরং ডেঙ্গুতে বারবার বমি নিজেই একটি বিপৎসংকেত। তাই এসব নির্যাসের ওপর নির্ভর করে চিকিৎসা নিতে দেরি করা বিপজ্জনক হতে পারে।

কিউই, ডালিম কিংবা বিশেষ কোনো ফল ডেঙ্গু সারিয়ে দেয় বা দ্রুত প্লাটিলেট বাড়ায়— এমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে স্বাভাবিক খাবারের অংশ হিসেবে এসব ফল খাওয়া যায়। ডাবের পানি, ওরস্যালাইন, স্যুপ ও অন্যান্য তরল পানিশূন্যতা প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু ডাবের পানি ডেঙ্গুর বিশেষ ওষুধ নয়। গুরুতর ডেঙ্গুতে কতটা তরল প্রয়োজন, তা চিকিৎসককে নির্ধারণ করতে হয়। অতিরিক্ত তরলও বিপজ্জনক হতে পারে।

আরেকটি ভুল হলো জ্বর বা ব্যথায় আইবুপ্রোফেন, অ্যাসপিরিন কিংবা ডাইক্লোফেনাক খাওয়া। এসব ওষুধ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারিত মাত্রায় প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যায়। অ্যান্টিবায়োটিকও ডেঙ্গুর চিকিৎসা নয়।

এখন আমাদের কী করা উচিত?

  • প্রথমত, ডেঙ্গুর মৌসুমে জ্বরকে অবহেলা করা যাবে না। শুরুতেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা করাতে হবে।
  • দ্বিতীয়ত, জ্বর কমার সময় রোগীর অবস্থা আরও সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। বিপৎসংকেত দেখা দিলে পরীক্ষার ফলের অপেক্ষা না করে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।
  • তৃতীয়ত, শুধু প্লাটিলেটের সংখ্যা নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে রোগীর সামগ্রিক অবস্থার দিকে নজর দিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রাম, উপযুক্ত পরিমাণে তরল এবং প্রয়োজনীয় ফলোআপ নিশ্চিত করতে হবে।

সরকারেরও দায়িত্ব রয়েছে। শুধু হাসপাতালে শয্যা বাড়ালেই চলবে না, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ, ঝুঁকি অনুযায়ী রোগী ব্যবস্থাপনা, সময়মতো হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছানো জরুরি। পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য। কিন্তু আক্রান্ত হওয়ার পর জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন সঠিক সময়ে চিকিৎসা, বিপৎসংকেত চেনা, এবং যথাযথ পর্যবেক্ষণ।

যে মা-বাবা ভাবছেন, ‘বাচ্চার শরীর তো ভালো হয়ে যাচ্ছিল, হঠাৎ এমন হলো কেন?’— তাদের প্রশ্নের উত্তর আমাদের সবার জানা দরকার। ডেঙ্গুতে জ্বর কমে যাওয়া মানেই বিপদ কেটে যাওয়া নয়। কখনো কখনো তখনই সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, পাবলিক হেলথ লিডারশিপ অ্যান্ড প্র্যাকটিস, ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক‍্যারোলাইনা অ্যাট চ‍্যপেল হিল, যুক্তরাষ্ট্র

ইমেইল: [email protected]

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement