
প্রতিনিধি, ঈশ্বরদী (পাবনা)

পাবনার ঈশ্বরদীতে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। উত্তরের ঠান্ডা বাতাসের সঙ্গে একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন, বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষেরা। গতকাল ঈশ্বরদীর তাপমাত্রা ছিল এ মৌসুমে সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আগের দিন রোববার এ তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, অর্থাৎ এক দিনে কমেছে প্রায় ১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত চার দিন ধরে ঈশ্বরীর ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ, সূর্যের দেখা মেলেনি গত দুই দিন। সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘন কুয়াশায় সকাল থেকেই কাজে বের হতে পারছেন না দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ। যানবাহন চলাচল করছে চরম ঝুঁকি নিয়ে। দুপুরের পর কুয়াশা কিছুটা কাটলেও রোদের তেজ না থাকায় শীতের তীব্রতা কমেনি।
এদিকে শীতবস্ত্রের অভাবে ছিন্নমূল ও দরিদ্র মানুষজন চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেককে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। গৃহহীন মানুষগুলো শীতবস্ত্রের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে। দিনমজুররা হয়ে পড়েছে কর্মহীন। হাটবাজারে লোকজনের উপস্থিতি একেবারেই কম। বেচাকেনা অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে। সন্ধ্যার আগেই জনশূন্য হয়ে পড়েছে রাস্তাঘাট।
এ ছাড়া শীতের প্রভাবে স্থানীয় হাসপাতালগুলোতেও ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের মধ্যে সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেশি।
ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আরিফুর রহমান জানান, শীতে দুস্থ অসহায় মানুষের ইতোমধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে পাওয়া ৩ হাজার ১০০ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। আগামীতে আরও কম্বল বিতরণ করা হবে। তবে ঈশ্বরদীতে এ বছর এখন পর্যন্ত বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানকে শীতার্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি।
জানা গেছে, ঈশ্বরদীর বিভিন্ন এলাকায় শীতার্তদের মাঝে সরকারিভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দপ্তর থেকে এ পর্যন্ত মাত্র ৩ হাজার ৬ পিস কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। তবে এগুলো চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল, আরও শীতবস্ত্রের প্রয়োজন রয়েছে।
এদিকে এখানকার তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবহাওয়া পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন। তিনি বলেন, কয়েকদিন ধরে ঈশ্বরদীর ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থেকে তাপমাত্রা আরও কমার আশঙ্কা রয়েছে। শীতে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা, তার ওপর তাপমাত্রা আরও কমলে জনজীবনে একেবারেই অচলাবস্থা নেমে আসবে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। উত্তরের ঠান্ডা বাতাসের সঙ্গে একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন, বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষেরা। গতকাল ঈশ্বরদীর তাপমাত্রা ছিল এ মৌসুমে সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আগের দিন রোববার এ তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, অর্থাৎ এক দিনে কমেছে প্রায় ১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত চার দিন ধরে ঈশ্বরীর ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ, সূর্যের দেখা মেলেনি গত দুই দিন। সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘন কুয়াশায় সকাল থেকেই কাজে বের হতে পারছেন না দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ। যানবাহন চলাচল করছে চরম ঝুঁকি নিয়ে। দুপুরের পর কুয়াশা কিছুটা কাটলেও রোদের তেজ না থাকায় শীতের তীব্রতা কমেনি।
এদিকে শীতবস্ত্রের অভাবে ছিন্নমূল ও দরিদ্র মানুষজন চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেককে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। গৃহহীন মানুষগুলো শীতবস্ত্রের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে। দিনমজুররা হয়ে পড়েছে কর্মহীন। হাটবাজারে লোকজনের উপস্থিতি একেবারেই কম। বেচাকেনা অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে। সন্ধ্যার আগেই জনশূন্য হয়ে পড়েছে রাস্তাঘাট।
এ ছাড়া শীতের প্রভাবে স্থানীয় হাসপাতালগুলোতেও ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের মধ্যে সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেশি।
ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আরিফুর রহমান জানান, শীতে দুস্থ অসহায় মানুষের ইতোমধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে পাওয়া ৩ হাজার ১০০ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। আগামীতে আরও কম্বল বিতরণ করা হবে। তবে ঈশ্বরদীতে এ বছর এখন পর্যন্ত বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানকে শীতার্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি।
জানা গেছে, ঈশ্বরদীর বিভিন্ন এলাকায় শীতার্তদের মাঝে সরকারিভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দপ্তর থেকে এ পর্যন্ত মাত্র ৩ হাজার ৬ পিস কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। তবে এগুলো চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল, আরও শীতবস্ত্রের প্রয়োজন রয়েছে।
এদিকে এখানকার তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবহাওয়া পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন। তিনি বলেন, কয়েকদিন ধরে ঈশ্বরদীর ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থেকে তাপমাত্রা আরও কমার আশঙ্কা রয়েছে। শীতে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা, তার ওপর তাপমাত্রা আরও কমলে জনজীবনে একেবারেই অচলাবস্থা নেমে আসবে।

১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট— দুটিই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদে সমর্থন দিয়েছে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে তারা প্রচার চালাবে বলে তার বিশ্বাস। তিনি বলেন, “আমি মনে করি না কোনো দল ‘না’ ভোটের পক্ষে যাবে।”
৩ ঘণ্টা আগে
এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা যদি অতীতের মতো শাসন দেখতে না চাই, তাহলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-সূচক ভোট দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে। যখন মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে উঠবে, তখন রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কার মেনে নিতে বাধ্য হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা, দেশের মর্যাদা এবং বাংলাদেশের নিরাপত্তা—এসব বিষয়ে আমরা কোনো আপস করব না। আমরা অবশ্যই ক্রিকেট খেলতে চাই, আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই। অন্য একটি আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কাও আছে, সেখানে আমরা খেলতে ইচ্ছুক।’
৪ ঘণ্টা আগে
পুলিশের ১৪ জন কর্মকর্তার পদায়ন ও বদলি করা হয়েছে। আজ বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
৪ ঘণ্টা আগে