
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ওমান হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে দেশটিতে ‘ভয়াবহ বোমা হামলা’ চালানোর হুমকিও দিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের আলোচনা যখন অচলাবস্থায় রয়েছে, তখন সোমবার এসব মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ইরান এমন কোনো চুক্তিতে রাজি হবে না, যেটিকে তিনি প্রয়োজনীয় মনে করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সেখানে একটি কারণেই আছি— ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।’
গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি হয়েছিল। এতে ‘সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে বন্ধের’ কথা বলা হয়েছিল। তবে চুক্তিটি দ্রুত ভেঙে পড়ে। গত ৭ জুলাই ট্রাম্প চুক্তিটি ‘শেষ’ হয়ে গেছে বলে ঘোষণা করেন। এর এক সপ্তাহ পর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, চুক্তিটি ‘স্থগিত’ করা হয়েছে।
ওই সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছিল। এতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎসহ আরও বিস্তৃত বিষয় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা ছিল। চুক্তি অনুযায়ী, পারস্পরিক সম্মতিতে সময় বাড়ানোর সুযোগ রেখে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে এই আলোচনা শেষ করার কথা ছিল।
সোমবার ওই সমঝোতা স্মারক সইয়ের ৬০ দিন পূর্ণ হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে ফক্স নিউজের এক সাংবাদিককে ফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের ‘আত্মসমর্পণের সাদা পতাকা তোলা উচিত’।
হরমুজ নিয়ে ওমান-ইরানের আলোচনা
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছে ওমান ও ইরান। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ওমান যদি পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে আমরা তাদের ওপর ভয়াবহ বোমা হামলা চালাব।’
পরে ওমানের ওপর তিনি ধৈর্য হারিয়েছেন কি না, ওভাল অফিসে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘না। আমার মনে হয় না তারা খুব ভালো আচরণ করেছে। তবে আমরা তাদের খুব সহজেই সামলাতে পারব, যেমনটা আমরা অন্য বিষয়গুলো সামলাই।’
যুদ্ধ নিয়ে রাজনৈতিক চাপে ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্পের ওপর যুদ্ধ শেষ করার চাপও বাড়ছে। ওই নির্বাচনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে, তা নির্ধারিত হবে। দেশে অজনপ্রিয় এই যুদ্ধের কারণে ট্রাম্পের ওপর রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে।
তবে ইরান নিয়ে তার কৌশলের ওপর মধ্যবর্তী নির্বাচনের কোনো প্রভাব নেই বলে ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘মধ্যবর্তী নির্বাচনের সঙ্গে আমার চিন্তাভাবনার কোনো সম্পর্ক নেই।’
এর আগে সোমবার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছিলেন, ‘এক নম্বর লক্ষ্য এবং তা সবসময়ই থাকবে—ইরান কোনোভাবেই, কোনো আকারে বা কোনো পরিস্থিতিতে পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না।’
যুদ্ধ শুরুর অন্যতম কারণ হিসেবেও এর আগে তিনি একই যুক্তি তুলে ধরেছেন।

ইরানকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ওমান হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে দেশটিতে ‘ভয়াবহ বোমা হামলা’ চালানোর হুমকিও দিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের আলোচনা যখন অচলাবস্থায় রয়েছে, তখন সোমবার এসব মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ইরান এমন কোনো চুক্তিতে রাজি হবে না, যেটিকে তিনি প্রয়োজনীয় মনে করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সেখানে একটি কারণেই আছি— ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।’
গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি হয়েছিল। এতে ‘সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে বন্ধের’ কথা বলা হয়েছিল। তবে চুক্তিটি দ্রুত ভেঙে পড়ে। গত ৭ জুলাই ট্রাম্প চুক্তিটি ‘শেষ’ হয়ে গেছে বলে ঘোষণা করেন। এর এক সপ্তাহ পর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, চুক্তিটি ‘স্থগিত’ করা হয়েছে।
ওই সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছিল। এতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎসহ আরও বিস্তৃত বিষয় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা ছিল। চুক্তি অনুযায়ী, পারস্পরিক সম্মতিতে সময় বাড়ানোর সুযোগ রেখে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে এই আলোচনা শেষ করার কথা ছিল।
সোমবার ওই সমঝোতা স্মারক সইয়ের ৬০ দিন পূর্ণ হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে ফক্স নিউজের এক সাংবাদিককে ফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের ‘আত্মসমর্পণের সাদা পতাকা তোলা উচিত’।
হরমুজ নিয়ে ওমান-ইরানের আলোচনা
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছে ওমান ও ইরান। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ওমান যদি পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে আমরা তাদের ওপর ভয়াবহ বোমা হামলা চালাব।’
পরে ওমানের ওপর তিনি ধৈর্য হারিয়েছেন কি না, ওভাল অফিসে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘না। আমার মনে হয় না তারা খুব ভালো আচরণ করেছে। তবে আমরা তাদের খুব সহজেই সামলাতে পারব, যেমনটা আমরা অন্য বিষয়গুলো সামলাই।’
যুদ্ধ নিয়ে রাজনৈতিক চাপে ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্পের ওপর যুদ্ধ শেষ করার চাপও বাড়ছে। ওই নির্বাচনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে, তা নির্ধারিত হবে। দেশে অজনপ্রিয় এই যুদ্ধের কারণে ট্রাম্পের ওপর রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে।
তবে ইরান নিয়ে তার কৌশলের ওপর মধ্যবর্তী নির্বাচনের কোনো প্রভাব নেই বলে ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘মধ্যবর্তী নির্বাচনের সঙ্গে আমার চিন্তাভাবনার কোনো সম্পর্ক নেই।’
এর আগে সোমবার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছিলেন, ‘এক নম্বর লক্ষ্য এবং তা সবসময়ই থাকবে—ইরান কোনোভাবেই, কোনো আকারে বা কোনো পরিস্থিতিতে পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না।’
যুদ্ধ শুরুর অন্যতম কারণ হিসেবেও এর আগে তিনি একই যুক্তি তুলে ধরেছেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) পুরান ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এলএনজি আমদানির প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। এই সরকারি সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিনিধিদলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী প্রমুখ রয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মেঘনাঘাটে হাইওয়ে পুলিশের কমান্ড, কন্ট্রোল অ্যান্ড মনিটরিং সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নতুন এই ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
৪ ঘণ্টা আগে