
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সদ্য শেষ হওয়া জুন মাসে দেশে ৬৮৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬৯৬ জন নিহত হয়েছেন বলে জনিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। এসব সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও এক হাজার ৮৬৭ জন। সে হিসাবে জুন মাসে গড়ে প্রতিদিন সড়কে প্রাণ হারিয়েছেন ২৩ জনেরও বেশি। একই সময়ে ১৮টি নৌ দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন। ৫৩টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ৪৪ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়েছেন।
এসব সড়ক দুর্ঘটনায় যে পরিমাণ মানবসম্পদের ক্ষতি হয়েছে তার আর্থিক মূল্য প্রায় দুই হাজার ৪৬৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, সড়ক দুর্ঘটনার অনেক তথ্য অপ্রকাশিত থাকায় ক্ষতির পরিমাণ এর চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি হবে। তবে তথ্য না পাওয়ার কারণে সম্পদের ক্ষতির পরিমাপ করতে পারেনি সংস্থাটি।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতি মাসের সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে, যা বুধবার (২ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, সাতটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।
এদিকে এর আগে মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৮৭ জন নিহত হয়েছিলেন। প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছিলেন ১৮ দশমিক ৯৩ জন। সে হিসাবে মে মাসের তুলনায় জুনে ১০৯ জন বেশি নিহত হয়েছেন সড়কে, যা শতাংশের হারে ২২ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেশি।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, নিহতের মধ্যে নারী ১০৪ জন (১৫ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ), শিশু ১০৯ জন (১৫ দশমিক ৮২ দশমিক)। দুর্ঘটনায় ১২০ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ১৭ দশমিক ২৪ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ১০৬ জন, অর্থাৎ ১৫ দশমিক ২২ শতাংশ।
এ ছাড়া ২৫৬টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২২৮ জন, যা মোট নিহতের ৩২ দশমিক ৭৫ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৭ দশমিক ১৫ শতাংশ।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৯৬টি (৪২ দশমিক ৯৬ শতাংশ) ঘটেছে জাতীয় মহাসড়কে। এ ছাড়া ২৪৩টি (৩৫ দশমিক ২৬ শতাংশ) ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে।
অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি ৩০৬টি (৪৪ দশমিক ৪১ শতাংশ) দুর্ঘটনা ঘটেছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬৭টি (২৪ দশমিক ২৩ শতাংশ) দুর্ঘটনা ঘটেছে মুখোমুখি সংঘর্ষে। এ ছাড়া ১২৪টি (১৮ শতাংশ) দুর্ঘটনায় পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
দুর্ঘটনায় জড়িত মোট এক হাজার ২৪৩টি যানবাহনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৭১টি মোটরসাইকেল, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১৯টি থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান), তৃতীয় সর্বোচ্চ ২১৩টি বাস। এ ছাড়া ১৮০টি ট্রাক এ মাসে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে অতিরিক্ত গতির কারণে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। এই গতি নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি এবং চালকদের মোটিভেশনাল প্রশিক্ষণ দরকার। যানবাহনের বেপরোয়া গতি ও পথচারীদের অসচেতনতার কারণে পথচারী নিহতের ঘটনা বাড়ছে। এ জন্য সরকারি উদ্যোগে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে জীবনমুখী সচেতনতামূলক প্রচার চালাতে হবে।

সদ্য শেষ হওয়া জুন মাসে দেশে ৬৮৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬৯৬ জন নিহত হয়েছেন বলে জনিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। এসব সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও এক হাজার ৮৬৭ জন। সে হিসাবে জুন মাসে গড়ে প্রতিদিন সড়কে প্রাণ হারিয়েছেন ২৩ জনেরও বেশি। একই সময়ে ১৮টি নৌ দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন। ৫৩টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ৪৪ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়েছেন।
এসব সড়ক দুর্ঘটনায় যে পরিমাণ মানবসম্পদের ক্ষতি হয়েছে তার আর্থিক মূল্য প্রায় দুই হাজার ৪৬৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, সড়ক দুর্ঘটনার অনেক তথ্য অপ্রকাশিত থাকায় ক্ষতির পরিমাণ এর চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি হবে। তবে তথ্য না পাওয়ার কারণে সম্পদের ক্ষতির পরিমাপ করতে পারেনি সংস্থাটি।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতি মাসের সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে, যা বুধবার (২ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, সাতটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।
এদিকে এর আগে মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৮৭ জন নিহত হয়েছিলেন। প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছিলেন ১৮ দশমিক ৯৩ জন। সে হিসাবে মে মাসের তুলনায় জুনে ১০৯ জন বেশি নিহত হয়েছেন সড়কে, যা শতাংশের হারে ২২ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেশি।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, নিহতের মধ্যে নারী ১০৪ জন (১৫ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ), শিশু ১০৯ জন (১৫ দশমিক ৮২ দশমিক)। দুর্ঘটনায় ১২০ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ১৭ দশমিক ২৪ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ১০৬ জন, অর্থাৎ ১৫ দশমিক ২২ শতাংশ।
এ ছাড়া ২৫৬টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২২৮ জন, যা মোট নিহতের ৩২ দশমিক ৭৫ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৭ দশমিক ১৫ শতাংশ।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৯৬টি (৪২ দশমিক ৯৬ শতাংশ) ঘটেছে জাতীয় মহাসড়কে। এ ছাড়া ২৪৩টি (৩৫ দশমিক ২৬ শতাংশ) ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে।
অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি ৩০৬টি (৪৪ দশমিক ৪১ শতাংশ) দুর্ঘটনা ঘটেছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬৭টি (২৪ দশমিক ২৩ শতাংশ) দুর্ঘটনা ঘটেছে মুখোমুখি সংঘর্ষে। এ ছাড়া ১২৪টি (১৮ শতাংশ) দুর্ঘটনায় পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
দুর্ঘটনায় জড়িত মোট এক হাজার ২৪৩টি যানবাহনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৭১টি মোটরসাইকেল, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১৯টি থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান), তৃতীয় সর্বোচ্চ ২১৩টি বাস। এ ছাড়া ১৮০টি ট্রাক এ মাসে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে অতিরিক্ত গতির কারণে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। এই গতি নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি এবং চালকদের মোটিভেশনাল প্রশিক্ষণ দরকার। যানবাহনের বেপরোয়া গতি ও পথচারীদের অসচেতনতার কারণে পথচারী নিহতের ঘটনা বাড়ছে। এ জন্য সরকারি উদ্যোগে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে জীবনমুখী সচেতনতামূলক প্রচার চালাতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের যেসব এলাকা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব এলাকায় সরকারের পক্ষ থেকে জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত
৯ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে জাতিসংঘে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত স্তাভরস লামব্রিনিদিস এবং জি৭৭ ও চীনের চেয়ার ও জাতিসংঘে উরুগুয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসেরের মধ্যে বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ক্ষুদ্র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছ থেকে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
এর ফলে উপসচিব থেকে সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের খরচ আগের মতো ৫০ হাজার টাকাই থাকছে। বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রাধিকারভুক্ত কর্মকর্তারাও গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের এ খরচ পেয়ে থাকেন। তাদের জন্যও এ খরচ কমানোর উদ্যোগ নিয়েও তা থেক
১৩ ঘণ্টা আগে