
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এলপিজির দামে কিছুটা স্বস্তি মিললেও সয়াবিন তেলের দামে বাড়ল চাপ। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। অন্যদিকে বোতলে ভরা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করেছে বিইআরসি। সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন দাম বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে। পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দাম বহাল থাকবে। একই দিনে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কথাও জানায় সরকার।
আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রতি মাসে এলপিজি ও অটোগ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ করে বিইআরসি।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এলপিজির সাড়ে ৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৭২৭ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির দাম ১ হাজার ৬৫২ টাকা, ১৫ কেজির দাম ১ হাজার ৯৮২ টাকা, ১৬ কেজির দাম ২ হাজার ১১৪ টাকা, ১৮ কেজির দাম ২ হাজার ৩৭৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ২০ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৬৪২ টাকা, ২২ কেজির দাম ২ হাজার ৯০৭ টাকা, ২৫ কেজির দাম ৩ হাজার ৩০৩ টাকা, ৩০ কেজির দাম ৩ হাজার ৯৬৪ টাকা, ৩৩ কেজির দাম ৪ হাজার ৩৬০ টাকা, ৩৫ কেজির দাম ৪ হাজার ৬২৪ টাকা এবং ৪৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯৪৫ টাকা।
আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও আমদানি ব্যয় বিবেচনায় বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৪ টাকা, যা আগে ছিল ১৯৯ টাকা। অর্থাৎ প্রতি লিটারে ৫ টাকা দাম বেড়েছে। তবে খোলা সয়াবিন তেল ও পাম তেলের বিদ্যমান দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান এ তথ্য জানান। পরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি জানানো হয়।
বাণিজ্য সচিব বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের মূল্য বৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয় বাড়ার কারণে আমদানিকারকরা দাম সমন্বয়ের আবেদন জানিয়েছিলেন। বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সরকার সীমিত পরিসরে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি জানান, ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে আরও বেশি মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) প্রতি লিটারে ১০ টাকা বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। তবে ভোক্তা স্বার্থ ও সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার তুলনামূলক কম হারে দাম সমন্বয় করেছে।
বাণিজ্য সচিব আরও জানান, বর্তমানে দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং কোনো সংকট নেই। বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। রমজানের আগে আবারও ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তা নির্ভর করবে সে সময়ের আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি, আমদানি ব্যয় ও সামগ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর।
সম্প্রতি নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন ও চিনির দাম বাড়ার পর ভোজ্যতেলের মূল্য পরিবর্তনের ফলে মূল্যস্ফীতিতে প্রভাব পড়তে পারে কি না প্রশ্নে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত সরকার মূল্যস্ফীতির কোনো কারণ দেখেনি। সার্বিক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করছে।
বাণিজ্য সচিব বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের চাপ ও আমদানি ব্যয়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সীমিত পরিসরে এ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। একই সঙ্গে খোলা তেল ও পাম তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার ফলে বাজারে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে গত ২৯ এপ্রিল সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা করা হয়েছিল। সে সময় ৫ লিটারের বোতলের দাম নির্ধারণ করা হয় ৯৭৫ টাকা। একই সঙ্গে খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৮০ টাকা করা হয়। তবে পাম তেলের দাম আগের দরেই রাখা হয়েছিল।
এরও আগে গত বছরের ১৪ অক্টোবর প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৬ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেলের দাম ৮ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।
একই সঙ্গে খোলা পাম তেলের দামও প্রতি লিটারে ১৩ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয় ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর সংগঠনটি। ওই সময় নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৫ টাকায় বিক্রি হয়। এর আগে দাম ছিল ১৮৯ টাকা।
আর খোলা সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয় ১৭৬ টাকা, যা আগে ছিল ১৬৮ টাকা। এ ছাড়া সয়াবিন তেলের ৫ লিটারের বোতলের দাম ২৫ টাকা বেড়ে ৯৪৫ টাকা করা হয়। অপরদিকে প্রতি লিটার খোলা পাম তেলের দাম নির্ধারণ করা হয় ১৬৩ টাকা।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে অপরিশোধিত ভোজ্যতেল আমদানি ব্যাহত হলে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বাড়তে শুরু করে। তবে গত ১২ এপ্রিল বাজারে ভোজ্যতেলের ‘পর্যাপ্ত’ সরবরাহ রয়েছে দাবি করে ভোক্তাদের ‘অহেতুক’ আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

এলপিজির দামে কিছুটা স্বস্তি মিললেও সয়াবিন তেলের দামে বাড়ল চাপ। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। অন্যদিকে বোতলে ভরা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করেছে বিইআরসি। সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন দাম বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে। পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দাম বহাল থাকবে। একই দিনে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কথাও জানায় সরকার।
আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রতি মাসে এলপিজি ও অটোগ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ করে বিইআরসি।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এলপিজির সাড়ে ৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৭২৭ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির দাম ১ হাজার ৬৫২ টাকা, ১৫ কেজির দাম ১ হাজার ৯৮২ টাকা, ১৬ কেজির দাম ২ হাজার ১১৪ টাকা, ১৮ কেজির দাম ২ হাজার ৩৭৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ২০ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৬৪২ টাকা, ২২ কেজির দাম ২ হাজার ৯০৭ টাকা, ২৫ কেজির দাম ৩ হাজার ৩০৩ টাকা, ৩০ কেজির দাম ৩ হাজার ৯৬৪ টাকা, ৩৩ কেজির দাম ৪ হাজার ৩৬০ টাকা, ৩৫ কেজির দাম ৪ হাজার ৬২৪ টাকা এবং ৪৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯৪৫ টাকা।
আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও আমদানি ব্যয় বিবেচনায় বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৪ টাকা, যা আগে ছিল ১৯৯ টাকা। অর্থাৎ প্রতি লিটারে ৫ টাকা দাম বেড়েছে। তবে খোলা সয়াবিন তেল ও পাম তেলের বিদ্যমান দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান এ তথ্য জানান। পরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি জানানো হয়।
বাণিজ্য সচিব বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের মূল্য বৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয় বাড়ার কারণে আমদানিকারকরা দাম সমন্বয়ের আবেদন জানিয়েছিলেন। বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সরকার সীমিত পরিসরে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি জানান, ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে আরও বেশি মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) প্রতি লিটারে ১০ টাকা বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। তবে ভোক্তা স্বার্থ ও সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার তুলনামূলক কম হারে দাম সমন্বয় করেছে।
বাণিজ্য সচিব আরও জানান, বর্তমানে দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং কোনো সংকট নেই। বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। রমজানের আগে আবারও ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তা নির্ভর করবে সে সময়ের আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি, আমদানি ব্যয় ও সামগ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর।
সম্প্রতি নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন ও চিনির দাম বাড়ার পর ভোজ্যতেলের মূল্য পরিবর্তনের ফলে মূল্যস্ফীতিতে প্রভাব পড়তে পারে কি না প্রশ্নে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত সরকার মূল্যস্ফীতির কোনো কারণ দেখেনি। সার্বিক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করছে।
বাণিজ্য সচিব বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের চাপ ও আমদানি ব্যয়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সীমিত পরিসরে এ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। একই সঙ্গে খোলা তেল ও পাম তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার ফলে বাজারে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে গত ২৯ এপ্রিল সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা করা হয়েছিল। সে সময় ৫ লিটারের বোতলের দাম নির্ধারণ করা হয় ৯৭৫ টাকা। একই সঙ্গে খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৮০ টাকা করা হয়। তবে পাম তেলের দাম আগের দরেই রাখা হয়েছিল।
এরও আগে গত বছরের ১৪ অক্টোবর প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৬ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেলের দাম ৮ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।
একই সঙ্গে খোলা পাম তেলের দামও প্রতি লিটারে ১৩ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয় ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর সংগঠনটি। ওই সময় নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৫ টাকায় বিক্রি হয়। এর আগে দাম ছিল ১৮৯ টাকা।
আর খোলা সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয় ১৭৬ টাকা, যা আগে ছিল ১৬৮ টাকা। এ ছাড়া সয়াবিন তেলের ৫ লিটারের বোতলের দাম ২৫ টাকা বেড়ে ৯৪৫ টাকা করা হয়। অপরদিকে প্রতি লিটার খোলা পাম তেলের দাম নির্ধারণ করা হয় ১৬৩ টাকা।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে অপরিশোধিত ভোজ্যতেল আমদানি ব্যাহত হলে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বাড়তে শুরু করে। তবে গত ১২ এপ্রিল বাজারে ভোজ্যতেলের ‘পর্যাপ্ত’ সরবরাহ রয়েছে দাবি করে ভোক্তাদের ‘অহেতুক’ আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

নাগরিক সেবা আরও সহজ ও কার্যকর করতে জনতা ব্যাংক পিএলসি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মধ্যে নাগরিক সেবা বিষয়ক একটি সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) সই হয়েছে। আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এ সমঝোতা স্মারক সই হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসা আবেদনকারীদের জন্য ঢাকায় নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু করেছে ভিএফএস গ্লোবাল। আজ বুধবার রাজধানীর বনানীতে কেন্দ্রটির উদ্বোধন করা হয়। এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের আবেদনকারীরা অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে এই কেন্দ্রে ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের কওমি মাদরাসাগুলোর সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ছয়টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এসব বোর্ডের সনদকে সরকারি ও বেসরকারি মাদরাসার দুটি নির্দিষ্ট পদে নিয়োগের যোগ্যতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিও সংসদকে জান
৭ ঘণ্টা আগে
কিডনি জটিলতা, নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের চিকিৎসার খরচ বহন করতে গিয়ে আর্থিক সংকটেও পড়েছিলেন কাজিম রেজা।
৮ ঘণ্টা আগে