
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। এ খাত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে যেমন অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রাখবে, তেমনি শিল্প-সংস্কৃতির আদান-প্রদানে মানুষকে করে তুলবে উদার। কিন্তু বাংলাদেশে এ খাতটি এখনো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছায়নি। নিরাপত্তাহীনতা, সুযোগ-সুবিধাসহ নানা করণে পিছিয়ে রয়েছে দেশের পর্যটন খাত। তাই এ খাতকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন উদ্যোক্তাসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ।
গতকাল শুক্রবার বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনের শৈল প্রপাত হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তরা এসব কথা বলেন। বিশ্ব পর্যটন দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল- ‘পর্যটন শান্তির সোপান’।
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান এ কে এম আফতাব হোসেন প্রামাণিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব বেগম নাসরীন জাহান।
পর্যটনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ, সংস্কৃতি ও মানুষের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়। সৃষ্টি হয় সমঝোতা ও বন্ধুত্ব। যুদ্ধের অনুপস্থিতি শুধু শান্তি নয়; সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সহিংসতার অবসান ঘটিয়ে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টিতে পর্যটনের ভূমিকা অপার।
বিশ্বব্যাপী পর্যটনের প্রচার ও প্রসারে ১৯৮০ সাল থেকে জাতিসংঘের পর্যটন বিষয়ক সংস্থা ‘ইউএন ট্যুরিজম’ ঘোষিত এ দিবসটি সকল সদস্য দেশে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপিত হয়ে আসছে।
দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ‘পর্যটন ভবন’ শুক্রবার সকালে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বেরা করা হয়। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, অধীন দপ্তর-সংস্থা, ট্যুরিস্ট পুলিশের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের সদস্যরা প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন, টি-শার্ট, রঙ-বেরঙ এর বেলুন, ব্যান্ডপার্টি নিয়ে র্যালিতে অংশ নেন। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান র্যালির উদ্বোধন করেন।
র্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পর্যটন ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর ভবনের ‘শৈল প্রপাত’ হলে বিশ্ব পর্যটন দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্যের তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভার মূখ্য আলোচক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান বলেন, বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা বিরাজমান। কিন্তু এ বিশাল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও আমরা এ খাতে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারিনি। এ শিল্পের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সমন্বিত পরিকল্পনা।
দেশীয় পর্যটন বিকাশের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে প্রচার-প্রচারণার ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। পাশাপাশি এ শিল্পের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। সঠিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে পর্যটন শিল্প অন্যতম ভূমিকা পালন করতে পারবে।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব নাসরীন জাহান বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের ইমেজ বিল্ডিং-এ পর্যটন শিল্পের ভূমিকা বিশাল। এ বিশাল ভূমিকাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে এশিয়ার অন্যতম পর্যটন গন্তব্যে পরিণত করতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেনের চেয়ারম্যান একেএম আফতাব হোসেন প্রামাণিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুরুল কবীর ভুঁইয়া, ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি মো. আবু কালাম সিদ্দিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শরিফুল আলম খন্দকার, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, বেসামিরক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফাতেমা রহীম ভীনা প্রমুখ।
এ ছাড়াও পর্যটন বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠন নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয় দিবসটি উদযাপন করছে।

দেশে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। এ খাত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে যেমন অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রাখবে, তেমনি শিল্প-সংস্কৃতির আদান-প্রদানে মানুষকে করে তুলবে উদার। কিন্তু বাংলাদেশে এ খাতটি এখনো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছায়নি। নিরাপত্তাহীনতা, সুযোগ-সুবিধাসহ নানা করণে পিছিয়ে রয়েছে দেশের পর্যটন খাত। তাই এ খাতকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন উদ্যোক্তাসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ।
গতকাল শুক্রবার বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনের শৈল প্রপাত হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তরা এসব কথা বলেন। বিশ্ব পর্যটন দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল- ‘পর্যটন শান্তির সোপান’।
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান এ কে এম আফতাব হোসেন প্রামাণিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব বেগম নাসরীন জাহান।
পর্যটনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ, সংস্কৃতি ও মানুষের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়। সৃষ্টি হয় সমঝোতা ও বন্ধুত্ব। যুদ্ধের অনুপস্থিতি শুধু শান্তি নয়; সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সহিংসতার অবসান ঘটিয়ে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টিতে পর্যটনের ভূমিকা অপার।
বিশ্বব্যাপী পর্যটনের প্রচার ও প্রসারে ১৯৮০ সাল থেকে জাতিসংঘের পর্যটন বিষয়ক সংস্থা ‘ইউএন ট্যুরিজম’ ঘোষিত এ দিবসটি সকল সদস্য দেশে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপিত হয়ে আসছে।
দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ‘পর্যটন ভবন’ শুক্রবার সকালে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বেরা করা হয়। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, অধীন দপ্তর-সংস্থা, ট্যুরিস্ট পুলিশের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের সদস্যরা প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন, টি-শার্ট, রঙ-বেরঙ এর বেলুন, ব্যান্ডপার্টি নিয়ে র্যালিতে অংশ নেন। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান র্যালির উদ্বোধন করেন।
র্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পর্যটন ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর ভবনের ‘শৈল প্রপাত’ হলে বিশ্ব পর্যটন দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্যের তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভার মূখ্য আলোচক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান বলেন, বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা বিরাজমান। কিন্তু এ বিশাল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও আমরা এ খাতে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারিনি। এ শিল্পের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সমন্বিত পরিকল্পনা।
দেশীয় পর্যটন বিকাশের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে প্রচার-প্রচারণার ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। পাশাপাশি এ শিল্পের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। সঠিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে পর্যটন শিল্প অন্যতম ভূমিকা পালন করতে পারবে।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব নাসরীন জাহান বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের ইমেজ বিল্ডিং-এ পর্যটন শিল্পের ভূমিকা বিশাল। এ বিশাল ভূমিকাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে এশিয়ার অন্যতম পর্যটন গন্তব্যে পরিণত করতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেনের চেয়ারম্যান একেএম আফতাব হোসেন প্রামাণিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুরুল কবীর ভুঁইয়া, ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি মো. আবু কালাম সিদ্দিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শরিফুল আলম খন্দকার, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, বেসামিরক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফাতেমা রহীম ভীনা প্রমুখ।
এ ছাড়াও পর্যটন বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠন নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয় দিবসটি উদযাপন করছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এ আদেশ দেন। মামলার পাঁচ আসামি বর্তমানে গ্রেপ্তার অবস্থায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীসহ পাঁচজনকে এদিন ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। রায় ঘোষণার সময় তিনি কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের বিষয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবুও সম্প্রতি কয়েকটি দেশীয় গণমাধ্যম তার একটি সাক্ষাৎকার প্রচার করেছে, যা সরকারের নজরে এসেছে। তিনি বলেন, শুরুতে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোকে সতর্ক করা হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগের লেক রোডে নতুন এআই ক্যামেরা উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।
৪ ঘণ্টা আগে