
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আলোচিত ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ (পিএইচআরসি)। সংগঠনটির দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, মব সহিংসতা, পেশাজীবীদের হয়রানি, গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, চিকিৎসাসেবায় বিঘ্ন এবং রাজনৈতিক সহিংসতাসহ বিভিন্ন ঘটনায় মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। এসব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিচারের পাশাপাশি ভবিষ্যতে মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো জনগণ, সংশ্লিষ্ট সরকার এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছে তুলে ধরা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ।
সংগঠনটির ভাষ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনায় সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার, বিশেষ করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হয়েছে। বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, মব সহিংসতার মাধ্যমে ব্যক্তির সম্মানহানি, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলের শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত, সাময়িক বরখাস্ত বা একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ধরনের তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের গ্রেপ্তার, চাকরিচ্যুতি, নির্যাতন, মামলা ও মব সহিংসতার শিকার হতে হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
এ ছাড়া প্রকৌশলী, কৃষিবিদ ও চিকিৎসকদের চাকরিচ্যুতি, গ্রেপ্তার এবং বিভিন্ন ধরনের হয়রানি, আইনজীবীদের স্বাধীনভাবে আইনপেশা পরিচালনায় বাধা ও গ্রেপ্তার, শিল্পী-সাহিত্যিকদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার ও হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সব পেশাজীবীর মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। সংগঠনটির মতে, এসব কর্মকাণ্ড মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের শামিল এবং মানবাধিকারের প্রতি হুমকিস্বরূপ।
সংগঠনটির আহ্বায়ক ডা. মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, কো-আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান এবং সদস্যসচিব কৃষিবিদ এম এম মিজানুর রহমানের সই করা প্রেস বিবৃতিতে বিশেষভাবে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (সাবেক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) খ্যাতিমান মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক (আজীবন) পদ বাতিলের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। সংগঠনটির দাবি, তাকে ২০২৪ সালের ২০ জুন থেকে ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে নেওয়া বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একজন বিশেষ মেধাসম্পন্ন চিকিৎসকের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তার ইমেরিটাস অধ্যাপকের নিয়োগ বাতিলকে মানবাধিকারের প্রতি ‘সুস্পষ্ট হস্তক্ষেপ ও অমানবিক সিদ্ধান্ত’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংবিধানের ১৫(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। একইভাবে ১৮ অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন ও পুষ্টির মান বৃদ্ধিকে রাষ্ট্রের অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু প্রচলিত নিয়মে হামের টিকা আমদানি না করায় সংবিধান স্বীকৃত চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়েছে বলে দাবি করে সংগঠনটি। তাদের ভাষ্য, এর ফলে সারা দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে ৭০০-এর বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং লক্ষাধিক শিশু আক্রান্ত হয়েছে, যাদের অনেককে আজীবন নানা জটিলতা নিয়ে বেঁচে থাকতে হতে পারে। সংগঠনটির মতে, এটিও মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি সুস্পষ্ট চিত্র।
তুরাগে সাতজন রাজনৈতিক নেতাকর্মী নিখোঁজ ও হত্যার অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে বিবৃতিতে। এতে বলা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ জুন তুরাগ থানা এলাকায় একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সাত নেতাকর্মী নিখোঁজ হওয়ার দাবি করা হয়েছে এবং তাদের নির্মমভাবে হত্যা করে তুরাগ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ব্যাখ্যা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, সারা দেশে মত ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করে মব কালচারের নামে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। বর্তমান সরকারের সময়েও এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে বলে দাবি করে সংগঠনটি। তাদের মতে, এ ধরনের সব ঘটনাই মানবাধিকার লঙ্ঘনের সুস্পষ্ট উদাহরণ।
পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ আশা প্রকাশ করে, সরকার অভিযোগ ওঠা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আলোচিত ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ (পিএইচআরসি)। সংগঠনটির দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, মব সহিংসতা, পেশাজীবীদের হয়রানি, গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, চিকিৎসাসেবায় বিঘ্ন এবং রাজনৈতিক সহিংসতাসহ বিভিন্ন ঘটনায় মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। এসব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিচারের পাশাপাশি ভবিষ্যতে মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো জনগণ, সংশ্লিষ্ট সরকার এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছে তুলে ধরা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ।
সংগঠনটির ভাষ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনায় সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার, বিশেষ করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হয়েছে। বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, মব সহিংসতার মাধ্যমে ব্যক্তির সম্মানহানি, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলের শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত, সাময়িক বরখাস্ত বা একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ধরনের তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের গ্রেপ্তার, চাকরিচ্যুতি, নির্যাতন, মামলা ও মব সহিংসতার শিকার হতে হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
এ ছাড়া প্রকৌশলী, কৃষিবিদ ও চিকিৎসকদের চাকরিচ্যুতি, গ্রেপ্তার এবং বিভিন্ন ধরনের হয়রানি, আইনজীবীদের স্বাধীনভাবে আইনপেশা পরিচালনায় বাধা ও গ্রেপ্তার, শিল্পী-সাহিত্যিকদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার ও হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সব পেশাজীবীর মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। সংগঠনটির মতে, এসব কর্মকাণ্ড মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের শামিল এবং মানবাধিকারের প্রতি হুমকিস্বরূপ।
সংগঠনটির আহ্বায়ক ডা. মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, কো-আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান এবং সদস্যসচিব কৃষিবিদ এম এম মিজানুর রহমানের সই করা প্রেস বিবৃতিতে বিশেষভাবে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (সাবেক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) খ্যাতিমান মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক (আজীবন) পদ বাতিলের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। সংগঠনটির দাবি, তাকে ২০২৪ সালের ২০ জুন থেকে ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে নেওয়া বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একজন বিশেষ মেধাসম্পন্ন চিকিৎসকের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তার ইমেরিটাস অধ্যাপকের নিয়োগ বাতিলকে মানবাধিকারের প্রতি ‘সুস্পষ্ট হস্তক্ষেপ ও অমানবিক সিদ্ধান্ত’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংবিধানের ১৫(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। একইভাবে ১৮ অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন ও পুষ্টির মান বৃদ্ধিকে রাষ্ট্রের অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু প্রচলিত নিয়মে হামের টিকা আমদানি না করায় সংবিধান স্বীকৃত চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়েছে বলে দাবি করে সংগঠনটি। তাদের ভাষ্য, এর ফলে সারা দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে ৭০০-এর বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং লক্ষাধিক শিশু আক্রান্ত হয়েছে, যাদের অনেককে আজীবন নানা জটিলতা নিয়ে বেঁচে থাকতে হতে পারে। সংগঠনটির মতে, এটিও মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি সুস্পষ্ট চিত্র।
তুরাগে সাতজন রাজনৈতিক নেতাকর্মী নিখোঁজ ও হত্যার অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে বিবৃতিতে। এতে বলা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ জুন তুরাগ থানা এলাকায় একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সাত নেতাকর্মী নিখোঁজ হওয়ার দাবি করা হয়েছে এবং তাদের নির্মমভাবে হত্যা করে তুরাগ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ব্যাখ্যা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, সারা দেশে মত ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করে মব কালচারের নামে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। বর্তমান সরকারের সময়েও এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে বলে দাবি করে সংগঠনটি। তাদের মতে, এ ধরনের সব ঘটনাই মানবাধিকার লঙ্ঘনের সুস্পষ্ট উদাহরণ।
পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ আশা প্রকাশ করে, সরকার অভিযোগ ওঠা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

রোববার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, পে স্কেল সরকারের বিবেচনায় রয়েছে এবং এটি বাস্তবায়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তিনি বলেন, “এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। যেকোনো মুহূর্তে পে স্কেল ঘোষণা হতে পারে।”
৪ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’। সংগঠনটি এ ধরনের পদক্ষেপকে ‘অগণতান্ত্রিক, প্রতিহিংসামূলক
৪ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম বলেন, তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ায় পরিবেশ নষ্ট হয়েছে
৬ ঘণ্টা আগে
মামলাটি তদন্ত শেষে আজ রোববার বেলা ১২টার দিকে নোয়াখালী জেলা বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শওকত আলী ৩ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২ জনকে খালাস প্রদান করেন। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেয়া হয়।
৭ ঘণ্টা আগে