
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে শুরু করে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার এখন অনেক গোছানো। পুরো রমজানে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিল। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক দিয়েও সরকার এখন অনেকটা প্রতিষ্ঠিত। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সবাই অনেকটা উদ্বিগ্ন ছিল, সেই পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বেসরকারি টেলিভিশন নিউজ২৪ এর ‘গল্পের ঈদ’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রেসসচিব শফিকুল আলম।
অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার বরাত দিয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘যদিও স্যার (প্রধান উপদেষ্টা) বলেন, আমরা এখনও একটা যুদ্ধাবস্থায় আছি। তবে আমরা মনে করি, আগস্টে আমরা যে জায়গায় ছিলাম সেখান থেকে বড় একটা উত্তরণ হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘স্যারের কথা হচ্ছে, ডিসেম্বরে হবে নির্বাচন যদি রাজনৈতিক দলগুলো কম সংস্কার চায়। নতুবা এটা ২০২৬ এর ৩০ জুনের মধ্যে যে কোনো সময় হতে পারে। সেটি ফেব্রুয়ারি হতে পারে মার্চে হতে পারে; এটি দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে বোঝা যাবে। তবে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের আয়োজন করতে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি আছে বলে ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।’
প্রধান উপদেষ্টার বিভিন্ন দেশে সফর নিয়ে প্রেসসচিব বলেন, ড. ইউনূস যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই নতুন বাংলাদেশের কথা বলছেন ওদের লিডারদের সঙ্গে এবং যেখানেই যাচ্ছেন উনি ওই সমস্ত দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলছেন। কেননা তারাই তো এসে বিনিয়োগ করে। যে সমস্ত জায়গায় উনি গেছেন প্রত্যেক জায়গায় ওনার বার্তা হচ্ছে, ‘বাংলাদেশ হচ্ছে রেডি ফর বিজনেস। তোমরা আসো, বিনিয়োগ করো।’
এই ডাকে সাড়াও পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান শফিকুল আলম।
বাংলাদেশ নিয়ে স্বপ্নের কথা জানিয়ে প্রেসসচিব বলেন, আমি মনে করি বাংলাদেশটা একদিন অনেক অনেক বড় হবে। বাংলাদেশ ২০-৪০ বছর মধ্যে বিশ্বের একটি ধনী দেশ হবে। খুব সমৃদ্ধ একটি সভ্যতার অংশ হবে।
ঈদ অনুষ্ঠানে প্রেসসচিব শফিকুল আলমের সঙ্গে তার স্ত্রী সাবিনা জাহান লুনাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক। এ সময় দুজনই তাদের ঈদের পরিকল্পনার কথা জানান।
পরিবারের সবার সঙ্গে ঈদের দিন সময় কাটানোই মূল পরিকল্পনা থাকে বলে জানান প্রেসসচিব।

চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে শুরু করে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার এখন অনেক গোছানো। পুরো রমজানে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিল। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক দিয়েও সরকার এখন অনেকটা প্রতিষ্ঠিত। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সবাই অনেকটা উদ্বিগ্ন ছিল, সেই পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বেসরকারি টেলিভিশন নিউজ২৪ এর ‘গল্পের ঈদ’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রেসসচিব শফিকুল আলম।
অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার বরাত দিয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘যদিও স্যার (প্রধান উপদেষ্টা) বলেন, আমরা এখনও একটা যুদ্ধাবস্থায় আছি। তবে আমরা মনে করি, আগস্টে আমরা যে জায়গায় ছিলাম সেখান থেকে বড় একটা উত্তরণ হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘স্যারের কথা হচ্ছে, ডিসেম্বরে হবে নির্বাচন যদি রাজনৈতিক দলগুলো কম সংস্কার চায়। নতুবা এটা ২০২৬ এর ৩০ জুনের মধ্যে যে কোনো সময় হতে পারে। সেটি ফেব্রুয়ারি হতে পারে মার্চে হতে পারে; এটি দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে বোঝা যাবে। তবে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের আয়োজন করতে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি আছে বলে ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।’
প্রধান উপদেষ্টার বিভিন্ন দেশে সফর নিয়ে প্রেসসচিব বলেন, ড. ইউনূস যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই নতুন বাংলাদেশের কথা বলছেন ওদের লিডারদের সঙ্গে এবং যেখানেই যাচ্ছেন উনি ওই সমস্ত দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলছেন। কেননা তারাই তো এসে বিনিয়োগ করে। যে সমস্ত জায়গায় উনি গেছেন প্রত্যেক জায়গায় ওনার বার্তা হচ্ছে, ‘বাংলাদেশ হচ্ছে রেডি ফর বিজনেস। তোমরা আসো, বিনিয়োগ করো।’
এই ডাকে সাড়াও পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান শফিকুল আলম।
বাংলাদেশ নিয়ে স্বপ্নের কথা জানিয়ে প্রেসসচিব বলেন, আমি মনে করি বাংলাদেশটা একদিন অনেক অনেক বড় হবে। বাংলাদেশ ২০-৪০ বছর মধ্যে বিশ্বের একটি ধনী দেশ হবে। খুব সমৃদ্ধ একটি সভ্যতার অংশ হবে।
ঈদ অনুষ্ঠানে প্রেসসচিব শফিকুল আলমের সঙ্গে তার স্ত্রী সাবিনা জাহান লুনাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক। এ সময় দুজনই তাদের ঈদের পরিকল্পনার কথা জানান।
পরিবারের সবার সঙ্গে ঈদের দিন সময় কাটানোই মূল পরিকল্পনা থাকে বলে জানান প্রেসসচিব।

আওয়ামী লীগের সময় নিয়োগ পাওয়া এই রাষ্ট্রপতি অন্তর্বর্তী সরকার এবং পরে ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের সময় পদে থাকবেন কি না, এ নিয়ে অনেকবার প্রশ্ন উঠেছে, নানা রকম আলোচনা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ পুলিশে ১৯৭৪ সালে প্রথম নারী সদস্য নিয়োগের মধ্য দিয়ে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হয়। সে সময় তাদের দায়িত্ব মূলত প্রশাসনিক ও সীমিত পরিসরের ছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
আব্দুল্লাহ জাবের বলেন, শেখ হাসিনার গুম-খুনকে বৈধতা দিয়েছেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। কিন্তু ৫ আগস্টের পর তাকে অপসারণ করে বিচারের দাবি করা হলেও বিএনপি সরকার তা অগ্রাহ্য করেছে। আমরা চাই একজন গণহত্যার সহায়তাকারী হিসেবে তার বিচার করা হোক৷ অন্যথায় কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে