ঈদে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিমধারী

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এবার ঈদুল ফিতরের টানা ৯ দিনের ছুটিতে রাজধানী ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিমধারী (একক মানুষ)। ২৮ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল সাত দিনে ১ কোটি ৭ লাখ ২৯ হাজার ১৫৫ সিমধারী ঢাকার বাইরে গেছেন। একই সময়ে ঢাকায় প্রবেশ করেছেন ৪৪ লাখের বেশি সিমধারী।

শনিবার (৫ এপ্রিল) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ফেসবুকে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) বরাত দিয়ে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব লিখেছেন, ‘ঈদের ছুটির সাত দিনে ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী ঢাকা ত্যাগ করেছেন। বিপরীতে ৪৪ লাখ মোবাইল সিম ব্যবহারকারী ঢাকায় প্রবেশ করেছেন।’

তার দেওয়া তথ্য মতে; ২৮ মার্চ থেকে ঈদের দিন ৩১ মার্চ পর্যন্ত ৭৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯৮৫ সিমধারী ঢাকা ছাড়েন। এরপর ১ থেকে ৩ এপ্রিল ছাড়েন ২৯ লাখ ৮৩ হাজার ১৭০ সিমধারী। সবচেয়ে বেশি ২৩ লাখ ৯৪ হাজার ৪৬১ সিমধারী ঢাকা ছাড়েন ৩০ মার্চ। এই সাত দিনে ঢাকায় প্রবেশ করেছেন ৪৪ লাখ ৪০ হাজার ২৭৯ সিমধারী।

এখানে সিমধারী বলতে একক মানুষকে বোঝানো হয়েছে (ইউনিক ইউজার)। তাদের সঙ্গে প্রবীণ নারী-পুরুষ ও শিশুরা থাকতে পারে; যাদের অনেকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে না। ফলে প্রকৃতপক্ষে কত মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন, সেই হিসাব পাওয়া কঠিন। গড়ে একজনে দুইটি সিম ব্যবহার করলে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া মানুষে সংখ্যা ৫০ থেকে ৬০ লাখের মধ্যে হতে পারে। আবার অনেক নারী-শিশু বা বৃদ্ধ যারা ফোন ব্যবহার করেন না, তাদের ধরলে এই হিসাব ৫ থেকে ১০ লাখ কমবেশি হতে পারে।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

চট্টগ্রামে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারে

ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল রাখাইন রাজ্যের সিত্তে শহর থেকে প্রায় ১১৭ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্বে এবং ইয়েনানগিয়াং শহর থেকে প্রায় ৯৫ কিলোমিটার পশ্চিমে।

১৪ ঘণ্টা আগে

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে : দ্য ইকোনমিস্ট

২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত সর্বশেষ সংখ্যায় প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে সাময়িকীটি লিখেছে, ‘খ্যাতনামা এক রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান ৬০ বছর বয়সী মি. রহমান ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সাধারণ নির্বাচনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার শীর্ষ দাবিদার।’

১৫ ঘণ্টা আগে

নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, সহিংসতা তত বাড়ছে : আসক

জানুয়ারি মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে আসক জানিয়েছে, মাসজুড়েই সহিংসতার মাত্রা ছিল ঊর্ধ্বমুখী। ১ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১০ দিনে ৮টি সহিংস ঘটনায় ৫ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হন। ১১ থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১০ দিনে ১৮টি ঘটনায় ২ জন নিহত এবং ১৭৬ জন আহত হন। ২১ থেকে ৩১ জানুয়ারি ১১ দিনে নির্বাচনী প্রচার শুরু হওয়ার (

১৫ ঘণ্টা আগে

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা প্রস্তুত : সেনাপ্রধান

সভায় সেনাপ্রধান বলেন, কিছু আর্থিক লেনদেন হতে পারে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য। আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি। কিছু ক্রিমিনাল থাকতে পারে, তারা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দিতে পারে। কিন্তু ভোটের দিন সবাই এ ধরনের অপরাধ করবে না।

১৫ ঘণ্টা আগে