
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই বিপ্লবের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে নিজের বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমকে বিশ্বমঞ্চে পরিচয় করিয়ে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এর পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।
তবে আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ শব্দটির সঙ্গে একমত নন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক এবং অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। তার মতে, এই আন্দোলনে একক কোনো নেতৃত্ব ছিল না। সাধারণ মানুষ এটাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঠিকানা টিভির প্রধান সম্পাদক খালেদ মুহিউদ্দীনের মুখোমুখি হন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্ল্যাটফরম সাধারণ শিক্ষার্থীদের জায়গা।
এখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারাও ছিলেন। এই আন্দোলনে একক কোনো নেতৃত্ব ছিল না। সাধারণ মানুষ এটাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। একটা সময় আন্দোলন পরিচালনা করতে অনেকেই বুদ্ধি-পরামর্শ দিয়েছেন।
এ ক্ষেত্রে যার (মাহফুজ আলম) কথা বলা হয়েছে তিনি বিশেষভাবে আমাদের পরামর্শ দিয়েছেন।’
নাহিদ বলেন, ‘তিনি (মাহফুজ আলম) বা আমরা কেউই এ মাস্টারমাইন্ড শব্দের সঙ্গে একমত নই। তিনি (ড. ইউনূস) শব্দটাকে হয়তো ভালোবেসে ব্যবহার করেছেন।’
আন্দোলনে কারো একক নেতৃত্ব ছিল না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষ একে এগিয়ে নিয়ে গেছে। আন্দোলনটাকে কয়েকজন মিলে পরিচালনা করতে হয়েছে। নিতে হয়েছে নানাজনের বুদ্ধি-পরামর্শ। তবে আমরা একে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন হিসেবেই দেখি।’

জুলাই বিপ্লবের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে নিজের বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমকে বিশ্বমঞ্চে পরিচয় করিয়ে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এর পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।
তবে আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ শব্দটির সঙ্গে একমত নন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক এবং অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। তার মতে, এই আন্দোলনে একক কোনো নেতৃত্ব ছিল না। সাধারণ মানুষ এটাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঠিকানা টিভির প্রধান সম্পাদক খালেদ মুহিউদ্দীনের মুখোমুখি হন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্ল্যাটফরম সাধারণ শিক্ষার্থীদের জায়গা।
এখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারাও ছিলেন। এই আন্দোলনে একক কোনো নেতৃত্ব ছিল না। সাধারণ মানুষ এটাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। একটা সময় আন্দোলন পরিচালনা করতে অনেকেই বুদ্ধি-পরামর্শ দিয়েছেন।
এ ক্ষেত্রে যার (মাহফুজ আলম) কথা বলা হয়েছে তিনি বিশেষভাবে আমাদের পরামর্শ দিয়েছেন।’
নাহিদ বলেন, ‘তিনি (মাহফুজ আলম) বা আমরা কেউই এ মাস্টারমাইন্ড শব্দের সঙ্গে একমত নই। তিনি (ড. ইউনূস) শব্দটাকে হয়তো ভালোবেসে ব্যবহার করেছেন।’
আন্দোলনে কারো একক নেতৃত্ব ছিল না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষ একে এগিয়ে নিয়ে গেছে। আন্দোলনটাকে কয়েকজন মিলে পরিচালনা করতে হয়েছে। নিতে হয়েছে নানাজনের বুদ্ধি-পরামর্শ। তবে আমরা একে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন হিসেবেই দেখি।’

তিনি বলেন, ভালো অফিসার সাজা খুব সহজ। মন্ত্রী বা সচিবের হুকুম সাথেসাথে পালন করেই ভালো অফিসার সাজা সম্ভব। তবে এরূপ ভালো অফিসার সেজে অফিসের বা দেশের খুব একটা লাভ হয় না। এমন ভালো অফিসার সাজার কোনো মানে নেই। আল্লাহর সন্তুষ্টি ও বেতনটাকে হালাল করার জন্য আপনাকে-আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেটা যথাযথভাবে প
১৭ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, আমরা জাতীয় সংসদের অধিবেশন কবে আহ্বান করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করেছি। নির্ধারণ হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি অধিবেশন আহ্বানের যে প্রজ্ঞাপন জারি করবেন, তা অধিবেশন শুরুর কমপক্ষে ১৫ দিন আগে জারি করতে হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
হাইকমিশনার বলেন, আজকের বৈঠকে আমি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছি, আমরা বাংলাদেশে নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। আমি এ বার্তা জানিয়েছি, আমরা সকল ক্ষেত্রে জনমুখী সহযোগিতা জোরদার করতে চাই, পারস্পরিক স্বার্থ ও পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং ভবিষ্যতমুখী হয়ে একসঙ্
১৭ ঘণ্টা আগে
এদিকে ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে কয়েকটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার কথা রয়েছে। দুই জন মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীসহ ১৫ সদস্যের ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে