
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলা ভাষাভাষী শিশু-কিশোরদের মাঝে দেশাত্মবোধ জাগানো এবং বাংলা সংস্কৃতির শাশ্বত ধারা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে ‘লন্ডন-বাংলা বইমেলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৪’-এর পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করেছে ‘লন্ডন-বাংলা বইমেলা উদযাপন পর্ষদ’ ও ‘সৃষ্টি বিশ্বময়’।
গতকাল শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এ আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন লন্ডন-বাংলা বইমেলা পর্ষদের প্রধান গোলাম মোস্তফা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবি আলফ্রেড খোকন। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক বাসুদেব ধর, অভিনেতা খায়রুল আলম সবুজ, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান শামসুল আলম লিটন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা কামাল যাত্রা। স্বাগত বক্তব্য দেন ‘সৃষ্টি বিশ্বময়’-এর সম্পাদক অলক দাশগুপ্ত। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রূপশ্রী চক্রবর্তী ও সোয়াইব আহমদ।

সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৪’-এর পুরস্কার ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান। ছবি: সংগৃহীত
আলোচকরা বলেন, ’শিশুরা দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের শুধু শিক্ষায় নয়, সংস্কৃতির চর্চায়ও এগিয়ে রাখতে হবে। সাংস্কৃতিক অনুশীলন তাদের মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার পথে সহায়ক ভূমিকা রাখে।’ এ ধরনের আয়োজনে শিশুদের অংশগ্রহণ এবং তাদের সাংস্কৃতিক প্রতিভার উন্মেষ ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে আরও আলোকিত করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অংশ নেয় তিন শতাধিক শিশু-কিশোর। তাদের ৪০ জন বিজয়ীকে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট এবং সব অংশগ্রহণকারীর হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত সংগঠন কস্তুরী বাচিক পাঠশালা, কিংবদন্তি আবৃত্তি পরিষদ এবং শিল্পবাংলা ব্যান্ড দলসহ বিজয়ী শিশু-কিশোররা পরিবেশন করে দলীয় ও একক সংগীত, আবৃত্তি, নৃত্য ও যন্ত্রসংগীত।

বাংলা ভাষাভাষী শিশু-কিশোরদের মাঝে দেশাত্মবোধ জাগানো এবং বাংলা সংস্কৃতির শাশ্বত ধারা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে ‘লন্ডন-বাংলা বইমেলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৪’-এর পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করেছে ‘লন্ডন-বাংলা বইমেলা উদযাপন পর্ষদ’ ও ‘সৃষ্টি বিশ্বময়’।
গতকাল শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এ আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন লন্ডন-বাংলা বইমেলা পর্ষদের প্রধান গোলাম মোস্তফা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবি আলফ্রেড খোকন। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক বাসুদেব ধর, অভিনেতা খায়রুল আলম সবুজ, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান শামসুল আলম লিটন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা কামাল যাত্রা। স্বাগত বক্তব্য দেন ‘সৃষ্টি বিশ্বময়’-এর সম্পাদক অলক দাশগুপ্ত। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রূপশ্রী চক্রবর্তী ও সোয়াইব আহমদ।

সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৪’-এর পুরস্কার ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান। ছবি: সংগৃহীত
আলোচকরা বলেন, ’শিশুরা দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের শুধু শিক্ষায় নয়, সংস্কৃতির চর্চায়ও এগিয়ে রাখতে হবে। সাংস্কৃতিক অনুশীলন তাদের মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার পথে সহায়ক ভূমিকা রাখে।’ এ ধরনের আয়োজনে শিশুদের অংশগ্রহণ এবং তাদের সাংস্কৃতিক প্রতিভার উন্মেষ ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে আরও আলোকিত করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অংশ নেয় তিন শতাধিক শিশু-কিশোর। তাদের ৪০ জন বিজয়ীকে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট এবং সব অংশগ্রহণকারীর হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত সংগঠন কস্তুরী বাচিক পাঠশালা, কিংবদন্তি আবৃত্তি পরিষদ এবং শিল্পবাংলা ব্যান্ড দলসহ বিজয়ী শিশু-কিশোররা পরিবেশন করে দলীয় ও একক সংগীত, আবৃত্তি, নৃত্য ও যন্ত্রসংগীত।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ভারতের কূটনীতিকরা চাইলে তাদের পরিবারকে সরাতেই পারেন। এটি তাদের ব্যাপার। কিন্তু নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশে কোনো শঙ্কা নেই। এ বিষয়ে তাদের সংকেত যে কী, তা আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।
৪ ঘণ্টা আগে
ইসি সচিব বলেন, তারা আমাদেরকে জানিয়েছেন যে নির্বাচন উপলক্ষে তাদের কোন পর্যবেক্ষক দল আসবে না। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বাধীন একটা দল আসবে এবং মার্কিন দূতাবাস থেকে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনায় নিজ উদ্যোগে, নিজেদের মতো করে তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে যাবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
এ ছাড়া যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির র্যাপিড অ্যাকশন টিম (র্যাট), কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) এবং প্রয়োজনে হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে এবার বডি ওর্ন ক্যামেরা, নাইট ভিশন ডিভাইস, এপিসি ও আধুনিক সিগন্যাল সরঞ্জাম ব্যবহার করা হবে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ
৫ ঘণ্টা আগে
আগুন নিয়ন্ত্রণে তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আরো দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাকিবুল হাসান।
৬ ঘণ্টা আগে