
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নতুন হিজরি বছরের সূচনাকে সামনে রেখে পবিত্র কাবার গিলাফ পরিবর্তনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। প্রতিবছরের মতো এবারও মহররম মাসের প্রথম দিনে কাবাকে নতুন কিসওয়ায় আবৃত করা হবে, যা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী আয়োজন হিসেবে বিবেচিত।
এই আয়োজন সৌদি আরবের পক্ষ থেকে মসজিদুল হারামের প্রতি বিশেষ যত্ন ও শ্রদ্ধার প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি কিসওয়া তৈরিতে ব্যবহৃত নিখুঁত কারিগরি দক্ষতা ও শৈল্পিক নৈপুণ্যেরও পরিচয় বহন করে।
সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেটের তথ্য অনুযায়ী, কাবার নতুন গিলাফ তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয় কয়েক মাস আগেই। এ কাজ সম্পন্ন করা হয় কিং আবদুলআজিজ কমপ্লেক্সে, যেখানে বিশেষজ্ঞরা বিশুদ্ধ প্রাকৃতিক রেশম দিয়ে গিলাফ তৈরি করেন। পরে তাতে সোনালি ও রুপালি প্রলেপযুক্ত সুতা দিয়ে পবিত্র কোরআনের আয়াত ও নকশা সূচিকর্ম করা হয়।
গিলাফ পরিবর্তনের দিন যত ঘনিয়ে আসে, মসজিদুল হারামে প্রস্তুতিও তত জোরদার হয়। নতুন গিলাফের বিভিন্ন অংশ নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে দেওয়া হয় এবং সূচিকর্ম করা অংশ, ইসলামি অলংকরণ ও কোরআনের আয়াতসম্বলিত নকশাগুলো চূড়ান্তভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়, যাতে স্থাপনের আগে সবকিছু পুরোপুরি প্রস্তুত থাকে।
গিলাফ পরিবর্তনের আগের রাতে বিশেষায়িত কারিগরি ও প্রকৌশল দল কাজ শুরু করে। অত্যন্ত সতর্কতা ও নিখুঁত পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রথমে পুরোনো গিলাফের সঙ্গে সংযুক্ত সোনালি অলংকরণ ও সূচিকর্ম করা অংশগুলো খুলে ফেলা হয়। এরপর ধাপে ধাপে পুরোনো গিলাফ সরিয়ে কাবার চারদিকে নতুন গিলাফ স্থাপন করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি নির্দিষ্ট ক্রম অনুসরণ করে সম্পন্ন করা হয়, যাতে সব অংশের মধ্যে নিখুঁত সামঞ্জস্য বজায় থাকে।
একই রাতে কাবাকে ঘিরে থাকা সূচিকর্ম করা বেল্ট এবং কাবার দরজার পর্দাও স্থাপন করা হয়। পাশাপাশি গিলাফের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে পরিচিত সোনালি অলংকরণগুলোও সংযোজন করা হয়।
এই বার্ষিক আয়োজন কিসওয়া তৈরি, সংরক্ষণ ও স্থাপনের ক্ষেত্রে সৌদি বিশেষজ্ঞদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়টিও তুলে ধরে। ইসলামি ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি বয়ন, সূচিকর্ম ও উৎপাদন প্রযুক্তিতে আধুনিক পদ্ধতির সমন্বয়ের মাধ্যমে সৌদি আরব এ ক্ষেত্রে বিশ্বমানের দক্ষতা অর্জন করেছে।
কাবার গিলাফ পরিবর্তনের এ আয়োজন ধর্মীয় ও সভ্যতাগত উভয় দিক থেকেই গভীর তাৎপর্য বহন করে। এটি মুসলমানদের হৃদয়ে পবিত্র কাবার বিশেষ অবস্থানের প্রতীক। একই সঙ্গে ইসলামের পবিত্রতম স্থানগুলোর সেবায় সৌদি নেতৃত্বের দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারেরও বহিঃপ্রকাশ।
মহররম মাসের প্রথম দিনের ভোরে নতুন গিলাফে সজ্জিত হবে পবিত্র কাবা। এর মধ্য দিয়ে শুরু হবে নতুন হিজরি বছর। প্রতিবছরের মতো এবারও গিলাফ পরিবর্তনের এ আয়োজন মসজিদুল হারামের প্রতি অব্যাহত যত্ন ও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান ইসলামি ঐতিহ্যের এক অনন্য প্রতীক হয়ে থাকবে।

নতুন হিজরি বছরের সূচনাকে সামনে রেখে পবিত্র কাবার গিলাফ পরিবর্তনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। প্রতিবছরের মতো এবারও মহররম মাসের প্রথম দিনে কাবাকে নতুন কিসওয়ায় আবৃত করা হবে, যা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী আয়োজন হিসেবে বিবেচিত।
এই আয়োজন সৌদি আরবের পক্ষ থেকে মসজিদুল হারামের প্রতি বিশেষ যত্ন ও শ্রদ্ধার প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি কিসওয়া তৈরিতে ব্যবহৃত নিখুঁত কারিগরি দক্ষতা ও শৈল্পিক নৈপুণ্যেরও পরিচয় বহন করে।
সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেটের তথ্য অনুযায়ী, কাবার নতুন গিলাফ তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয় কয়েক মাস আগেই। এ কাজ সম্পন্ন করা হয় কিং আবদুলআজিজ কমপ্লেক্সে, যেখানে বিশেষজ্ঞরা বিশুদ্ধ প্রাকৃতিক রেশম দিয়ে গিলাফ তৈরি করেন। পরে তাতে সোনালি ও রুপালি প্রলেপযুক্ত সুতা দিয়ে পবিত্র কোরআনের আয়াত ও নকশা সূচিকর্ম করা হয়।
গিলাফ পরিবর্তনের দিন যত ঘনিয়ে আসে, মসজিদুল হারামে প্রস্তুতিও তত জোরদার হয়। নতুন গিলাফের বিভিন্ন অংশ নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে দেওয়া হয় এবং সূচিকর্ম করা অংশ, ইসলামি অলংকরণ ও কোরআনের আয়াতসম্বলিত নকশাগুলো চূড়ান্তভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়, যাতে স্থাপনের আগে সবকিছু পুরোপুরি প্রস্তুত থাকে।
গিলাফ পরিবর্তনের আগের রাতে বিশেষায়িত কারিগরি ও প্রকৌশল দল কাজ শুরু করে। অত্যন্ত সতর্কতা ও নিখুঁত পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রথমে পুরোনো গিলাফের সঙ্গে সংযুক্ত সোনালি অলংকরণ ও সূচিকর্ম করা অংশগুলো খুলে ফেলা হয়। এরপর ধাপে ধাপে পুরোনো গিলাফ সরিয়ে কাবার চারদিকে নতুন গিলাফ স্থাপন করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি নির্দিষ্ট ক্রম অনুসরণ করে সম্পন্ন করা হয়, যাতে সব অংশের মধ্যে নিখুঁত সামঞ্জস্য বজায় থাকে।
একই রাতে কাবাকে ঘিরে থাকা সূচিকর্ম করা বেল্ট এবং কাবার দরজার পর্দাও স্থাপন করা হয়। পাশাপাশি গিলাফের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে পরিচিত সোনালি অলংকরণগুলোও সংযোজন করা হয়।
এই বার্ষিক আয়োজন কিসওয়া তৈরি, সংরক্ষণ ও স্থাপনের ক্ষেত্রে সৌদি বিশেষজ্ঞদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়টিও তুলে ধরে। ইসলামি ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি বয়ন, সূচিকর্ম ও উৎপাদন প্রযুক্তিতে আধুনিক পদ্ধতির সমন্বয়ের মাধ্যমে সৌদি আরব এ ক্ষেত্রে বিশ্বমানের দক্ষতা অর্জন করেছে।
কাবার গিলাফ পরিবর্তনের এ আয়োজন ধর্মীয় ও সভ্যতাগত উভয় দিক থেকেই গভীর তাৎপর্য বহন করে। এটি মুসলমানদের হৃদয়ে পবিত্র কাবার বিশেষ অবস্থানের প্রতীক। একই সঙ্গে ইসলামের পবিত্রতম স্থানগুলোর সেবায় সৌদি নেতৃত্বের দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারেরও বহিঃপ্রকাশ।
মহররম মাসের প্রথম দিনের ভোরে নতুন গিলাফে সজ্জিত হবে পবিত্র কাবা। এর মধ্য দিয়ে শুরু হবে নতুন হিজরি বছর। প্রতিবছরের মতো এবারও গিলাফ পরিবর্তনের এ আয়োজন মসজিদুল হারামের প্রতি অব্যাহত যত্ন ও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান ইসলামি ঐতিহ্যের এক অনন্য প্রতীক হয়ে থাকবে।

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে