
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে আরও একবার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপিপন্থি হিসেবে পরিচিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী প্যানেলের (নীল প্যানেল) প্রার্থী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। একই প্যানেল থেকে সম্পাদক পদে জয় পেয়েছেন মোহাম্মদ আলী।
নির্বাচনে শীর্ষ এ দুটি পদসহ সমিতির ১৪টি পদের মধ্যে ১৩ পদেই জয় পেয়েছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী প্যানেলের প্রার্থীরা। একটিমাত্র পদে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলীয় জোটের আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের (সবুজ প্যানেল) একজন প্রার্থী।
দুই দিনব্যাপী ভোট গ্রহণের পর বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে ভোট গণনা শুরু হয়। পরে দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনাসংক্রান্ত উপকমিটির আহ্বায়ক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, নীল প্যানেল থেকে সভাপতি পদে এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন জয়ী হয়েছেন ২৯৮৪ ভোট পেয়ে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সবুজ প্যানেলের আবদুল বাতেন পেয়েছেন ৭৮৮ ভোট। অন্যদিকে সম্পাদক পদে নীল প্যানেলেরই মোহাম্মদ আলী ২৫৮২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সবুজ প্যানেলের এ কে এম রেজাউল করিম খন্দকার ৭৮৬ ভোট পেয়েছেন।
নীল প্যানেল থেকে সহসভাপতি পদে মো. মাগফুর রহমান শেখ ও মো. শাহজাহান, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. জিয়াউর রহমান এবং সহসম্পাদক পদে মাকসুদ উল্লাহ ও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম মুকুল বিজয়ী হয়েছেন।
এ ছাড়া সাতটি সদস্য পদের মধ্যে ছয়টি পেয়েছেন নীল প্যানেলের প্রার্থীরা— এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, এ কে এম আজাদ হোসেন, ওয়াহিদ আফরোজ চৌধুরী, মো. কবির হোসেন, মো. জিয়া উদ্দিন মিয়া ও মো. টিপু সুলতান। সবুজ প্যানেলের একমাত্র প্রার্থী হিসেবে আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী জয় পেয়েছেন বাকি একটি সদস্য পদে।
এর আগে বুধবার ও গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে মাঝখানে ১ ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। সমিতির ১১ হাজার ৯৭ ভোটারের মধ্যে চার হাজার ৪৮ জন ভোট দেন, ভোটের হার প্রায় ৩৬ শতাংশ। পরে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে শুরু হয় ভোট গণনা।
এবারের নির্বাচনে ১৪টি পদের বিপরীতে বিএনপি ও জামায়াতপন্থি আইনজীবীরা নীল ও সবুজ নামে পূর্ণ প্যানেল দিয়েছিল। এনসিপি পৃথক প্যানেলে প্রার্থী দিয়েছিল ছয়জন। স্বতন্ত্রসহ সব মিলিয়ে এ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন ৪০ জন।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রায় দুই বছরের মাথায় এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগপন্থি হিসেবে পরিচিত আইনজীবীরা প্রার্থী হতে মনোনয়ন জমা দিলেও বাছাইয়ে তাদের মনোনয়ন টেকেনি। জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের লিখিত আবেদন ও সাধারণ আইনজীবীদের আপত্তির কারণে তারা এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানানো হয়।
এর আগে সবশেষ ২০২৪ সালে এই সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও তিনজন সদস্যসহ চারটি পদে বিএনপিপন্থিরা জয় পান। বাকি ১০টি পদেই জিতেছিলেন আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরা। ভোটের পর জাল ভোট ও কারচুপির অভিযোগ তুলে ওই সময় বিএনপিপন্থি প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সমিতির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১৪ সদস্যের অন্তর্বর্তী কমিটি গঠন করা হয়। তলবি সাধারণ সভায় এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনকে সভাপতি রেখে রুহুল কুদ্দুস কাজলকে সম্পাদক করা হয়। তবে ব্যারিস্টার কাজল দায়িত্ব পালন করতে অসম্মতি জানালে মাহফুজুর রহমান মিলনকে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কমিটির মেয়াদ শেষে ২০২৫ সালের মার্চে নির্বাচন করার কথা থাকলেও তা হয়নি।
সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ৩১ মার্চ পর্যন্ত কমিটির মেয়াদ থাকে। তাই এ বছরের ১১ ও ১২ মার্চ ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করে ১৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তবে অনেকে নির্বাচনের তারিখ পেছানোর জন্য লিখিত আবেদন করেন। এরপর ১ মার্চ সমিতির বিশেষ সভা ডেকে নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করা হয়।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে আরও একবার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপিপন্থি হিসেবে পরিচিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী প্যানেলের (নীল প্যানেল) প্রার্থী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। একই প্যানেল থেকে সম্পাদক পদে জয় পেয়েছেন মোহাম্মদ আলী।
নির্বাচনে শীর্ষ এ দুটি পদসহ সমিতির ১৪টি পদের মধ্যে ১৩ পদেই জয় পেয়েছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী প্যানেলের প্রার্থীরা। একটিমাত্র পদে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলীয় জোটের আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের (সবুজ প্যানেল) একজন প্রার্থী।
দুই দিনব্যাপী ভোট গ্রহণের পর বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে ভোট গণনা শুরু হয়। পরে দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনাসংক্রান্ত উপকমিটির আহ্বায়ক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, নীল প্যানেল থেকে সভাপতি পদে এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন জয়ী হয়েছেন ২৯৮৪ ভোট পেয়ে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সবুজ প্যানেলের আবদুল বাতেন পেয়েছেন ৭৮৮ ভোট। অন্যদিকে সম্পাদক পদে নীল প্যানেলেরই মোহাম্মদ আলী ২৫৮২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সবুজ প্যানেলের এ কে এম রেজাউল করিম খন্দকার ৭৮৬ ভোট পেয়েছেন।
নীল প্যানেল থেকে সহসভাপতি পদে মো. মাগফুর রহমান শেখ ও মো. শাহজাহান, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. জিয়াউর রহমান এবং সহসম্পাদক পদে মাকসুদ উল্লাহ ও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম মুকুল বিজয়ী হয়েছেন।
এ ছাড়া সাতটি সদস্য পদের মধ্যে ছয়টি পেয়েছেন নীল প্যানেলের প্রার্থীরা— এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, এ কে এম আজাদ হোসেন, ওয়াহিদ আফরোজ চৌধুরী, মো. কবির হোসেন, মো. জিয়া উদ্দিন মিয়া ও মো. টিপু সুলতান। সবুজ প্যানেলের একমাত্র প্রার্থী হিসেবে আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী জয় পেয়েছেন বাকি একটি সদস্য পদে।
এর আগে বুধবার ও গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে মাঝখানে ১ ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। সমিতির ১১ হাজার ৯৭ ভোটারের মধ্যে চার হাজার ৪৮ জন ভোট দেন, ভোটের হার প্রায় ৩৬ শতাংশ। পরে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে শুরু হয় ভোট গণনা।
এবারের নির্বাচনে ১৪টি পদের বিপরীতে বিএনপি ও জামায়াতপন্থি আইনজীবীরা নীল ও সবুজ নামে পূর্ণ প্যানেল দিয়েছিল। এনসিপি পৃথক প্যানেলে প্রার্থী দিয়েছিল ছয়জন। স্বতন্ত্রসহ সব মিলিয়ে এ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন ৪০ জন।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রায় দুই বছরের মাথায় এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগপন্থি হিসেবে পরিচিত আইনজীবীরা প্রার্থী হতে মনোনয়ন জমা দিলেও বাছাইয়ে তাদের মনোনয়ন টেকেনি। জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের লিখিত আবেদন ও সাধারণ আইনজীবীদের আপত্তির কারণে তারা এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানানো হয়।
এর আগে সবশেষ ২০২৪ সালে এই সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও তিনজন সদস্যসহ চারটি পদে বিএনপিপন্থিরা জয় পান। বাকি ১০টি পদেই জিতেছিলেন আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরা। ভোটের পর জাল ভোট ও কারচুপির অভিযোগ তুলে ওই সময় বিএনপিপন্থি প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সমিতির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১৪ সদস্যের অন্তর্বর্তী কমিটি গঠন করা হয়। তলবি সাধারণ সভায় এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনকে সভাপতি রেখে রুহুল কুদ্দুস কাজলকে সম্পাদক করা হয়। তবে ব্যারিস্টার কাজল দায়িত্ব পালন করতে অসম্মতি জানালে মাহফুজুর রহমান মিলনকে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কমিটির মেয়াদ শেষে ২০২৫ সালের মার্চে নির্বাচন করার কথা থাকলেও তা হয়নি।
সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ৩১ মার্চ পর্যন্ত কমিটির মেয়াদ থাকে। তাই এ বছরের ১১ ও ১২ মার্চ ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করে ১৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তবে অনেকে নির্বাচনের তারিখ পেছানোর জন্য লিখিত আবেদন করেন। এরপর ১ মার্চ সমিতির বিশেষ সভা ডেকে নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে আইনজীবীদের উপস্থিতি ছিল বিগত বছরগুলোর তুলনায় অনেক কম। ১১ হাজার ৯৭ জন ভোটারের মধ্যে দুই দিনে ভোট দিয়েছেন ৪ হাজার ৪৮ জন৷ এ হিসেবে ভোট পড়েছে মাত্র ৩৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ।
১৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাময়িকী ‘টাইমে’র ২০২৬ সালের মানবসেবায় সেরা ১০০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় স্থান পেয়েছেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্। আজ বৃহস্পতিবার টাইমের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ তালিকায় স্থানীয়ভাবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মনোনীত করা হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের আওতায় ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এ নিয়ে সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৮টি। বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোরবানির ঈদ উপলক্ষ্যে ঘরমুখী যাত্রীদের নিরাপদ, আরামদায়ক ও সাশ্রয়ী ভাড়ায় যাতায়াত নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে যাত্রীরা সাশ্রয়ী ভাড়ায় দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
১৯ ঘণ্টা আগে