
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় পৃথক মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ ১০ জনকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বুধবার (১৬ এপ্রিল) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুর রহমান শুনানি শেষে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে অন্যরা হলেন- সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার।
এর আগে আসামিদের আদালতে হাজির করে পৃথক আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা। বিচারক শুনানি শেষে আবেদনগুলো মঞ্জুর করেন।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউশন বিভাগের অফিসার ইনচার্জ কাজী গোলাম মোস্তফা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সূত্র জানায়, আনিসুল হককে শাহবাগ থানায় একটি, মুগদা থানায় একটি ও যাত্রাবাড়ী থানায় পাঁচটি, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে মুগদা থানায় একটি, যাত্রাবাড়ী থানায় চারটি, জুনাইদ আহমেদ পলককে মুগদা থানায় একটি ও যাত্রাবাড়ী থানায় তিনটি, শাহজাহান খানকে যাত্রাবাড়ী থানায় তিনটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এ ছাড়া সালমান এফ রহমান, নজরুল ইসলাম মজুমদার, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবকে যাত্রাবাড়ী থানায় পৃথক একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় পৃথক মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ ১০ জনকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বুধবার (১৬ এপ্রিল) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুর রহমান শুনানি শেষে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে অন্যরা হলেন- সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার।
এর আগে আসামিদের আদালতে হাজির করে পৃথক আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা। বিচারক শুনানি শেষে আবেদনগুলো মঞ্জুর করেন।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউশন বিভাগের অফিসার ইনচার্জ কাজী গোলাম মোস্তফা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সূত্র জানায়, আনিসুল হককে শাহবাগ থানায় একটি, মুগদা থানায় একটি ও যাত্রাবাড়ী থানায় পাঁচটি, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে মুগদা থানায় একটি, যাত্রাবাড়ী থানায় চারটি, জুনাইদ আহমেদ পলককে মুগদা থানায় একটি ও যাত্রাবাড়ী থানায় তিনটি, শাহজাহান খানকে যাত্রাবাড়ী থানায় তিনটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এ ছাড়া সালমান এফ রহমান, নজরুল ইসলাম মজুমদার, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবকে যাত্রাবাড়ী থানায় পৃথক একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন।
১২ ঘণ্টা আগে
দুদক জানিয়েছে, শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপার পৃথক সম্পদ বিবরণী নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলে তাদের নামে আলাদা আদেশপত্র ও সম্পদ বিবরণীর ফরম ইস্যু করা হয়। সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় গিয়ে তাদের না পেলে সে আদেশপত্র ও ফরম ফিরিয়ে নিয়ে আসেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কনস্টেবল মো. জুয়েল মিয়া।
১৪ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় বঙ্গভবনে পৌঁছান। এ সময় প্রধান ফটক-২-এ বাংলাদেশ পুলিশের একটি সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল তাকে অভ্যর্থনা জানায়। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি সুসজ্জিত চৌকস দল তাকে ক্রেডেনশিয়াল মাঠে গার্ড অব অনার প্রদান করে।
১৫ ঘণ্টা আগে
আকতারুল ইসলাম বলেন, জাল কাগজপত্র বানিয়ে এম এইচ এন্টারপ্রাইজের মালিক মমিনুর রহমানের নামে এক কোটি ৯৫ লাখ টাকা ঋণ মঞ্জুর ও আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধান করে দুদক। মমিনুরের অভিযোগের ভিত্তিতেই অনুসন্ধান শুরু হয়েছিল। তবে অনুসন্ধানে দুদক তারও সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে