
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের সব উপজেলায় সরকারিভাবে সংসদ সদস্যদের জন্য কার্যালয় প্রস্তুতের খবরকে স্বাগত জানিয়ে সেখানে যাতায়াতের জন্য সরকারিভাবে গাড়ির ব্যবস্থা করার কথা বলেছেন কুমিল্লা-৪ আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সরকারি দল ও বিরোধী দল মিলে সম্মিলিতভাবে আলাপ-আলোচনা করে সংসদ সদস্যদের যানবাহনের বিষয়ে বিহিত ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে এসব আলোচনা হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ সময় চলছিল সংসদ অধিবেশন।
এর আগে গত ৩১ মার্চ জাতীয় সংসদে উপজেলা পর্যায়ে সংসদ সদস্যদের জন্য কার্যালয় করার অনুরোধ করেন কুড়িগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত এনসিপির সংসদ সদস্য আতিকুর রহমান মোজাহিদ।
মঙ্গলবার এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সংসদ সদস্যের একটা দাবি ছিল, তারা উপজেলা পরিষদে গেলে তাদের বসার জায়গা থাকে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেন। আমি স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে প্রতিটি উপজেলা পরিষদের দোতলায় অ্যাটাচ বাথরুম ও আসবাবপত্রসহ সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের বসার জন্য একটি রুম প্রস্তুত করে দেওয়ার জন্য জিও (সরকারি আদেশ) ইস্যু করেছি।
কক্ষটির নাম ‘পরিদর্শন কক্ষ’ হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্যের নামে কোনো কক্ষ বরাদ্দের বিধান নেই। এ কারণে ‘পরিদর্শন কক্ষ’ নামে কক্ষটি থাকবে। এমপিরা সেখানে বসে তাদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ করতে পারবেন।
এ উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘অন্তত বসার একটি জায়গা হয়েছে। ইউএনওদের গাড়ি থাকে, উপজেলা চেয়ারম্যানদের গাড়ি থাকে। আমাদের ভাড়ায় গাড়ি চালাতে হয়। আমরা লজ্জায় এটা কাউকে বলতে পারি না। আমাদের একটা বসার ব্যবস্থা করে দিছে, এখন মানুষের কাছে যাওয়ার জন্য যদি একটা গাড়ির ব্যবস্থা করে দেয়, তাইলে আমাদের জন্য একটু সুবিধা হয়, মানুষের কাছে একটু যাইতে পারি।’
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেদিন সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন, সেদিনই আমাদের সংসদীয় কমিটির বৈঠকে তিনি প্রধান দুটি অনুশাসন দিয়েছিলেন যে আমরা এমপিরা আলাদা কোনো সুযোগ-সুবিধা নেব না। আমরা ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না। সংসদ সদস্য (হাসনাত আবদুল্লাহ) নিশ্চয়ই অফিস পেয়ে খুশি হয়েছেন। আবার গাড়ি না পেলে নাখোশ হবেন। সে জন্য সংসদ সদস্যদের যানবাহনের ব্যবস্থা কীভাবে করা যায়, তা আলাদাভাবে সরকারি দল ও বিরোধী দল মিলে আলাপ-আলোচনা করে একটা বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানাচ্ছি।

দেশের সব উপজেলায় সরকারিভাবে সংসদ সদস্যদের জন্য কার্যালয় প্রস্তুতের খবরকে স্বাগত জানিয়ে সেখানে যাতায়াতের জন্য সরকারিভাবে গাড়ির ব্যবস্থা করার কথা বলেছেন কুমিল্লা-৪ আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সরকারি দল ও বিরোধী দল মিলে সম্মিলিতভাবে আলাপ-আলোচনা করে সংসদ সদস্যদের যানবাহনের বিষয়ে বিহিত ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে এসব আলোচনা হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ সময় চলছিল সংসদ অধিবেশন।
এর আগে গত ৩১ মার্চ জাতীয় সংসদে উপজেলা পর্যায়ে সংসদ সদস্যদের জন্য কার্যালয় করার অনুরোধ করেন কুড়িগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত এনসিপির সংসদ সদস্য আতিকুর রহমান মোজাহিদ।
মঙ্গলবার এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সংসদ সদস্যের একটা দাবি ছিল, তারা উপজেলা পরিষদে গেলে তাদের বসার জায়গা থাকে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেন। আমি স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে প্রতিটি উপজেলা পরিষদের দোতলায় অ্যাটাচ বাথরুম ও আসবাবপত্রসহ সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের বসার জন্য একটি রুম প্রস্তুত করে দেওয়ার জন্য জিও (সরকারি আদেশ) ইস্যু করেছি।
কক্ষটির নাম ‘পরিদর্শন কক্ষ’ হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্যের নামে কোনো কক্ষ বরাদ্দের বিধান নেই। এ কারণে ‘পরিদর্শন কক্ষ’ নামে কক্ষটি থাকবে। এমপিরা সেখানে বসে তাদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ করতে পারবেন।
এ উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘অন্তত বসার একটি জায়গা হয়েছে। ইউএনওদের গাড়ি থাকে, উপজেলা চেয়ারম্যানদের গাড়ি থাকে। আমাদের ভাড়ায় গাড়ি চালাতে হয়। আমরা লজ্জায় এটা কাউকে বলতে পারি না। আমাদের একটা বসার ব্যবস্থা করে দিছে, এখন মানুষের কাছে যাওয়ার জন্য যদি একটা গাড়ির ব্যবস্থা করে দেয়, তাইলে আমাদের জন্য একটু সুবিধা হয়, মানুষের কাছে একটু যাইতে পারি।’
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেদিন সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন, সেদিনই আমাদের সংসদীয় কমিটির বৈঠকে তিনি প্রধান দুটি অনুশাসন দিয়েছিলেন যে আমরা এমপিরা আলাদা কোনো সুযোগ-সুবিধা নেব না। আমরা ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না। সংসদ সদস্য (হাসনাত আবদুল্লাহ) নিশ্চয়ই অফিস পেয়ে খুশি হয়েছেন। আবার গাড়ি না পেলে নাখোশ হবেন। সে জন্য সংসদ সদস্যদের যানবাহনের ব্যবস্থা কীভাবে করা যায়, তা আলাদাভাবে সরকারি দল ও বিরোধী দল মিলে আলাপ-আলোচনা করে একটা বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানাচ্ছি।

জনগণের সরাসরি ভোটে নারীদের সংসদের যাওয়ার দাবি তুলে তাসনিম জারা লিখেন, ‘আজ ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ঘোষণা হয়েছে। অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করে, সহানুভূতি জানিয়ে লিখেছেন যে আমি সংসদে থাকছি না। আপনাদের ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞ। সংরক্ষিত আসনে যাওয়ার জন্য আমাকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। আমি কৃত
৯ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, আজকে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল। পূর্বঘোষিত সময় অনুযায়ী আজ বিকেল ৪টায় সময় শেষ হওয়া পর্যন্ত আমরা বিএনপি এবং জোট থেকে ৩৬টি মনোনয়নপত্র পেয়েছি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জোট থেকে ১৩টি এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে একটি মনোনয়নপত্র পেয়েছি।
৯ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ শিরোনামে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাইয়ে ৫ সদস্যের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। কমিটিকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
এদিন দুপুর ২টার দিকে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শেখ নজরুল ইসলাম আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
১০ ঘণ্টা আগে