
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রবীণ সাংবাদিক জাকারিয়া কাজলকে বিদায় জানিয়েছেন তার স্বজন, গুণগ্রাহী ও সাংবাদিক সমাজ।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাব এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মরহুমের পৃথক জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে জানাজা শুরুর আগে ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন। পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মরহুমের ছোট ভাই ও ব্র্যাকের মিডিয়া রিলেশন্স কমিউনিকেশন বিভাগের লিড আ ন ম গোলাম কিবরিয়া।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের পর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জাকারিয়া কাজলের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ডিআরইউ প্রাঙ্গণে সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিতি ছিলেন।
এ সময় সাংবাদিক জাকারিয়া কাজলের মৃত্যুতে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। তারা মরহুমের রুহের মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের (বিএফইউজে) সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি রফিক মোহাম্মদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি ও ডিআরইউর সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন, ইআরএফের সভাপতি দৌলত আক্তার মালা প্রমুখ।

জানাজা শেষে ফুলেল শ্রদ্ধার মাধ্যমে শেষ বিদায় জানিয়ে তার কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউর অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিজান চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন, আপ্যায়ন সম্পাদক আমিনুল হক ভূঁইয়া, কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মাহফুজ সাদি (মো. মাহফুজুর রহমান), আল-আমিন আজাদ ও সুমন চৌধুরী।
দেশের প্রবীণ এই সাংবাদিক গত শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি লিভার, কিডনি, হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
সাংবাদিক জাকারিয়া কাজল ১৯৫৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর করেন তিনি। কর্মজীবনে তিনি দৈনিক আজাদ, অবজারভার, ইনকিলাব, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, যমুনা টেলিভিশন ও বাংলা টিভির হেড অব নিউজ হিসেবে কাজ করেছেন।
এ ছাড়া অর্থনীতি বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সাবেক সভাপতি কাজল বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্বও পালন করেছেন।

গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রবীণ সাংবাদিক জাকারিয়া কাজলকে বিদায় জানিয়েছেন তার স্বজন, গুণগ্রাহী ও সাংবাদিক সমাজ।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাব এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মরহুমের পৃথক জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে জানাজা শুরুর আগে ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন। পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মরহুমের ছোট ভাই ও ব্র্যাকের মিডিয়া রিলেশন্স কমিউনিকেশন বিভাগের লিড আ ন ম গোলাম কিবরিয়া।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের পর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জাকারিয়া কাজলের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ডিআরইউ প্রাঙ্গণে সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিতি ছিলেন।
এ সময় সাংবাদিক জাকারিয়া কাজলের মৃত্যুতে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। তারা মরহুমের রুহের মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের (বিএফইউজে) সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি রফিক মোহাম্মদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি ও ডিআরইউর সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন, ইআরএফের সভাপতি দৌলত আক্তার মালা প্রমুখ।

জানাজা শেষে ফুলেল শ্রদ্ধার মাধ্যমে শেষ বিদায় জানিয়ে তার কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউর অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিজান চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন, আপ্যায়ন সম্পাদক আমিনুল হক ভূঁইয়া, কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মাহফুজ সাদি (মো. মাহফুজুর রহমান), আল-আমিন আজাদ ও সুমন চৌধুরী।
দেশের প্রবীণ এই সাংবাদিক গত শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি লিভার, কিডনি, হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
সাংবাদিক জাকারিয়া কাজল ১৯৫৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর করেন তিনি। কর্মজীবনে তিনি দৈনিক আজাদ, অবজারভার, ইনকিলাব, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, যমুনা টেলিভিশন ও বাংলা টিভির হেড অব নিউজ হিসেবে কাজ করেছেন।
এ ছাড়া অর্থনীতি বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সাবেক সভাপতি কাজল বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্বও পালন করেছেন।

তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ, সরাসরি বিনিয়োগ, ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ- সবই বাংলাদেশে আসছে। বাজেট প্রথমত বাংলাদেশের জন্য। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলের যে সম্ভাবনা আছে, সেটিকে মাথায় রেখে বাজেট করা হয়েছে এবং সেই সম্ভাবনাগুলো কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হ
১৩ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, “যে কারণে এত মানুষ জীবন দিয়েছে, সেই জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে সরকার। আইন অনুযায়ী, অন্যায়কারী এবং হত্যাকারীদের বিচার করা হবে। বিচারের নামে যেন কারও প্রতি অবিচার না হয়, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে”
১৪ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘জগতের সব ধরনের বৈচিত্র্য, ভিন্নমত ও আদর্শের অবাধ আদান-প্রদান এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই কেবল শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান সম্ভব; আর সেজন্য প্রয়োজন মুক্ত ও দায়িত্বশীল বুদ্ধিচর্চা।’
১৫ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার সকালে ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’-এর কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আ ন ম আয়াস, কেন্দ্রীয় সংগঠক তুহিন ফরাজী এবং কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক মুহাম্মদ শাহ্ আলম বাদশা এ অভিযোগ দায়ের করেন।
১৬ ঘণ্টা আগে