
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ধান খায় বলে প্রবাদ বাক্যে বদনাম আছে বুলবুলি পাখিদের। কিন্তু বুলবুলিতে ধান খায় না। শুধু ধান নয়, কোনো শস্যই বুলবুলি খেতে পারে না। শস্যদানা খাওয়ার জন্য শক্ত ঠোঁট দরকার। চড়ুই পাখিদের এ ধরনের ঠোঁট থাকে। কিন্তু বুলবুলির সেরকম ঠোঁট নেই। তবে ছোট ছোট পোকা খায় বাংলা বুলবুলি। পোকা ধরার জন্য গাছের ডালে বসে থাকে। পোকা দেখলেই সামান্য উড়ে যায়। তার একপাকে পোকাটাকে ধরে আবার আগের জায়গায় ফিরে আসে। শীতকালে খেজুর রসের নলীতে বসে রস খায়। ‘কিয়াককুয়িক’ স্বরে ডাকে। ভয় পেলে তীক্ষ্ণ কণ্ঠে ‘পীপ... পীপ’ চিৎকার করে।
Rn বুলবুলিধান খায় বলে প্রবাদ বাক্যে বদনাম আছে বুলবুলি পাখিদের। কিন্তু বুলবুলিতে ধান খায় না। শুধু ধান নয়, কোনো শস্যই বুলবুলি খেতে পারে না। শস্যদানা খাওয়ার জন্য শক্ত ঠোঁট দরকার। চড়ুই পাখিদের এ ধরনের ঠোঁট থাকে। কিন্তু বুলবুলির সেরকম ঠোঁট নেই। তবে ছোট ছোট পোকা খায় বাংলা বুলবুলি। পোকা ধরার জন্য গাছের ডালে বসে থাকে। পোকা দেখলেই সামান্য উড়ে যায়। তার একপাকে পোকাটাকে ধরে আবার আগের জায়গায় ফিরে আসে। শীতকালে খেজুর রসের নলীতে বসে রস খায়। ‘কিয়াককুয়িক’ স্বরে ডাকে। ভয় পেলে তীক্ষ্ণ কণ্ঠে ‘পীপ... পীপ’ চিৎকার করে।ে প্রবাদ বাক্যে বদনাম আছে বুলবুলি পাখিদের। কিন্তু বুলবুলিতে ধান খায় না। শুধু ধান নয়, কোনো শস্যই বুলবুলি খেতে পারে না। শস্যদানা খাওয়ার জন্য শক্ত ঠোঁট দরকার। চড়ুই পাখিদের এ ধরনের ঠোঁট থাকে। কিন্তু বুলবুলির সেরকম ঠোঁট নেই। তবে ছোট ছোট পোকা খায় বাংলা বুলবুলি। পোকা ধরার জন্য গাছের ডালে বসে থাকে। পোকা দেখলেই সামান্য উড়ে যায়। তার একপাকে পোকাটাকে ধরে আবার আগের জায়গায় ফিরে আসে। শীতকালে খেজুর রসের নলীতে বসে রস খায়। ‘কিয়াককুয়িক’ স্বরে ডাকে। ভয় পেলে তীক্ষ্ণ কণ্ঠে ‘পীপ... পীপ’ চিৎকার করে।
বুলবুলি বাংলাদেশের খুব পরিচিত পাখি। মানুষকে এরা ভয় পায় না। মাঠে ঘাটে বাড়িতে শহরে সব জায়গায় এদের দেখা যায়। এই পাখিরা ফল খায়। তাই ফলজ গাছের আশ পাশে এদের খুব দেখা যায়। খেজুর, ডুমুর, বট, আম, জাম, পেয়ারা, পেঁপে, তেলাকুচো এদের খুব প্রিয় ফল। এদের নিয়ে একটা প্রবাদ আছে। ‘বুলবুলিতে ধান খেয়েছে, খাজনা দিব কী সে!’ এই প্রবাদ শুনে মনে হয়, বুলবুলি বুঝি ধান খায়। কিন্তু বুলবুলি ধান খেতে পারে না।
বাংলাদেশে বেশ কয়েক জাতের বুলবুলি আছে। বাংলা বুলবুলিই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। বাংলা বুলবুলির দৈর্ঘ্য ২০ সেন্টিমিটার। ওজন ৪২ গ্রাম। প্রাপ্ত বয়স্ক বুলবুলির মাথা কালো। দেহ কালো। ডানা, লেজ, বুক কালচে বাদামি। পেটের দিকটা সাদাটে। পা বাদামি, ঠোঁট কালো। পেটের নিচের দিকে টকটকে লালএকটা পট্টি। এই লালপট্টিটাই সবার আগে চোখে পড়ে।
এদের মাথায় আছে রাজকীয় ঝুটি। ছোট গাছে বাসা বাঁধে। ঝোপ ঝাড়, বাড়ির ডালিম এমনকি ফুলগাছেও বাসা বাঁধে। বাসাটা ভারি সুন্দর। গোল বাটির মতো। গাছের শিকড়, শুকনো ঘাস, মানুষের মাথার চুল আর মাকড়সার জাল জড়িয়ে বাসা বানায়।
বসন্ত কালে তিনটি ডিম পাড়ে। ডিমের রঙ সাদা। পনেরো থেকে বিশদিনের মধ্যে ডিম থেকে ছানা বের হয়।
ছবি : লেখক কৃতজ্ঞতা :ইনাম আল হক

ধান খায় বলে প্রবাদ বাক্যে বদনাম আছে বুলবুলি পাখিদের। কিন্তু বুলবুলিতে ধান খায় না। শুধু ধান নয়, কোনো শস্যই বুলবুলি খেতে পারে না। শস্যদানা খাওয়ার জন্য শক্ত ঠোঁট দরকার। চড়ুই পাখিদের এ ধরনের ঠোঁট থাকে। কিন্তু বুলবুলির সেরকম ঠোঁট নেই। তবে ছোট ছোট পোকা খায় বাংলা বুলবুলি। পোকা ধরার জন্য গাছের ডালে বসে থাকে। পোকা দেখলেই সামান্য উড়ে যায়। তার একপাকে পোকাটাকে ধরে আবার আগের জায়গায় ফিরে আসে। শীতকালে খেজুর রসের নলীতে বসে রস খায়। ‘কিয়াককুয়িক’ স্বরে ডাকে। ভয় পেলে তীক্ষ্ণ কণ্ঠে ‘পীপ... পীপ’ চিৎকার করে।
Rn বুলবুলিধান খায় বলে প্রবাদ বাক্যে বদনাম আছে বুলবুলি পাখিদের। কিন্তু বুলবুলিতে ধান খায় না। শুধু ধান নয়, কোনো শস্যই বুলবুলি খেতে পারে না। শস্যদানা খাওয়ার জন্য শক্ত ঠোঁট দরকার। চড়ুই পাখিদের এ ধরনের ঠোঁট থাকে। কিন্তু বুলবুলির সেরকম ঠোঁট নেই। তবে ছোট ছোট পোকা খায় বাংলা বুলবুলি। পোকা ধরার জন্য গাছের ডালে বসে থাকে। পোকা দেখলেই সামান্য উড়ে যায়। তার একপাকে পোকাটাকে ধরে আবার আগের জায়গায় ফিরে আসে। শীতকালে খেজুর রসের নলীতে বসে রস খায়। ‘কিয়াককুয়িক’ স্বরে ডাকে। ভয় পেলে তীক্ষ্ণ কণ্ঠে ‘পীপ... পীপ’ চিৎকার করে।ে প্রবাদ বাক্যে বদনাম আছে বুলবুলি পাখিদের। কিন্তু বুলবুলিতে ধান খায় না। শুধু ধান নয়, কোনো শস্যই বুলবুলি খেতে পারে না। শস্যদানা খাওয়ার জন্য শক্ত ঠোঁট দরকার। চড়ুই পাখিদের এ ধরনের ঠোঁট থাকে। কিন্তু বুলবুলির সেরকম ঠোঁট নেই। তবে ছোট ছোট পোকা খায় বাংলা বুলবুলি। পোকা ধরার জন্য গাছের ডালে বসে থাকে। পোকা দেখলেই সামান্য উড়ে যায়। তার একপাকে পোকাটাকে ধরে আবার আগের জায়গায় ফিরে আসে। শীতকালে খেজুর রসের নলীতে বসে রস খায়। ‘কিয়াককুয়িক’ স্বরে ডাকে। ভয় পেলে তীক্ষ্ণ কণ্ঠে ‘পীপ... পীপ’ চিৎকার করে।
বুলবুলি বাংলাদেশের খুব পরিচিত পাখি। মানুষকে এরা ভয় পায় না। মাঠে ঘাটে বাড়িতে শহরে সব জায়গায় এদের দেখা যায়। এই পাখিরা ফল খায়। তাই ফলজ গাছের আশ পাশে এদের খুব দেখা যায়। খেজুর, ডুমুর, বট, আম, জাম, পেয়ারা, পেঁপে, তেলাকুচো এদের খুব প্রিয় ফল। এদের নিয়ে একটা প্রবাদ আছে। ‘বুলবুলিতে ধান খেয়েছে, খাজনা দিব কী সে!’ এই প্রবাদ শুনে মনে হয়, বুলবুলি বুঝি ধান খায়। কিন্তু বুলবুলি ধান খেতে পারে না।
বাংলাদেশে বেশ কয়েক জাতের বুলবুলি আছে। বাংলা বুলবুলিই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। বাংলা বুলবুলির দৈর্ঘ্য ২০ সেন্টিমিটার। ওজন ৪২ গ্রাম। প্রাপ্ত বয়স্ক বুলবুলির মাথা কালো। দেহ কালো। ডানা, লেজ, বুক কালচে বাদামি। পেটের দিকটা সাদাটে। পা বাদামি, ঠোঁট কালো। পেটের নিচের দিকে টকটকে লালএকটা পট্টি। এই লালপট্টিটাই সবার আগে চোখে পড়ে।
এদের মাথায় আছে রাজকীয় ঝুটি। ছোট গাছে বাসা বাঁধে। ঝোপ ঝাড়, বাড়ির ডালিম এমনকি ফুলগাছেও বাসা বাঁধে। বাসাটা ভারি সুন্দর। গোল বাটির মতো। গাছের শিকড়, শুকনো ঘাস, মানুষের মাথার চুল আর মাকড়সার জাল জড়িয়ে বাসা বানায়।
বসন্ত কালে তিনটি ডিম পাড়ে। ডিমের রঙ সাদা। পনেরো থেকে বিশদিনের মধ্যে ডিম থেকে ছানা বের হয়।
ছবি : লেখক কৃতজ্ঞতা :ইনাম আল হক

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার ভাষায় বলে দিয়েছেন, কোনো অন্যায়-অপরাধ, হাজিদের ওপর কোনো অবিচার সহ্য করা হবে না। প্রধানমন্ত্রী দু-এক দিনের মধ্যে হাজ ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে অন্যান্য আন্দোলনকারীর সঙ্গে মিছিল করছিলেন মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে এক ব্যক্তি। ঘটনার দিন আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে তার বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা
৩ ঘণ্টা আগে
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিপুল মানুষের সমাগম হবে। সব শ্রেণিপেশার মানুষ যেন নির্বিঘ্নে উৎসব উপভোগ করতে পারে, সেজন্য ডিএমপি ব্যাপক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সাবেক আইনমন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী শফিক আহমেদ আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।
৪ ঘণ্টা আগে