
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ থেকে বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সংশ্লিষ্ট ঢাকার একজন ওয়ার্ড কমিশনারের নির্দেশে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযোগপত্রও দাখিল করেছে আদালতে। তাতে ১৭ জনকে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে ওসমান হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেয় ডিবি। পরে বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগপত্রে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম।
ডিবিপ্রধান জানান, তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এ হত্যাকাণ্ডে ১৭ জনের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যায় সরাসরি জড়িত দুজনসহ বাকি ছয়জনকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।

অভিযোগত্রে প্রধান আসামি হিসেবে ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ (৩৭) ও তার সহযোগী হিসেবে আলমগীর হোসেনের (২৬) নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযুক্ত বাকি ১৫ জন হলেন— ওয়ার্ড কমিশনার তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী (৪৩), ফিলিপ স্নাল (৩২), মুক্তি মাহমুদ (৫১), জেসমিন আক্তার (৪২), হুমায়ুন কবির (৭০), হাসি বেগম (৬০), সাহেদা পারভীন সামিয়া (২৪), ওয়াহিদ আহমেদ শিপু (২৭), মারিয়া আক্তার লিমা (২১), কবির (৩৩), নুরুজ্জামান ওরফে উজ্জ্বল (৩৪), সিবিয়ন দিও (৩২), সঞ্জয় চিসিম (২৩), আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু (৩৭) ও ফয়সাল (২৫)।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, হাদি হত্যায় সরাসরি জড়িত ছিলেন ফয়সাল ও তার সহযোগী আলমগীর। ঘটনার দিন তারা হাদিকে অনুসরণ করেন। মোটরসাইকেলে করে পেছন থেকে এসে রিকশায় বসা হাদিকে গুলি করেন। মোটরসাইকেলে চালকের আসনে ছিলেন আলমগীর হোসেন, পেছনে বসে গুলি করেন ‘শুটার’ ফয়সাল।
তদন্তে হাদি হত্যায় পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে বলে জানান ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম। বলেন, বাপ্পীই এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা। শুটার ফয়সাল ও তার সহযোগী আলমগীরের পলায়নে ‘সার্বিক সহায়তাকারী’ হিসেবে ভূমিকা পালন করেন তিনি।
অন্যদের মধ্যে ফয়সালের পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠজনসহ মোট আটজন ফয়সালকে পালাতে নানাভাবে সহায়তা করেছেন। তারা হলেন— ফয়সালের দুলাভাই মুক্তি মাহমুদ, বোন জেসমিন, বাবা হুমায়ুন, মা হাসি, স্ত্রী সাহেদা, শ্যালক ওয়াহিদ, বান্ধবী মারিয়া ও কবির।
এ ছাড়া ফয়সালকে পালাতে ভাড়া গাড়ি ব্যবস্থা করে দিয়েছেন নুরুজ্জামান। ফিলিপ, সিবিয়ন, সঞ্জয় ও আমিনুল ফয়সালকে সীমান্ত পাড়ি দিতে সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে এ মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নতুন তথ্য পাওয়া গেলে বা অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে সম্পূরক অভিযোগ দাখিল করা হবে।
হাদি হত্যার মোটিভ তুলে ধরে শফিকুল ইসলাম বলেন, ফয়সাল ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় ও ভিকটিমের আগের বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্য থেকে এটি স্পষ্ট— রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে ঘটেছে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের পরিকল্পনায় ন্যক্কারজনক এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলতে ইনকিলাব মঞ্চ প্রতিষ্ঠা করে ওসমান হাদি। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন বলে ঘোষণা দেন। সে লক্ষ্যে জনসংযোগও করে আসছিলেন।
এর মধ্যে গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের কিছুক্ষণ পর রাজধানীর বিজয়নগরের কালভার্ট রোড এলাকায় রিকশায় করে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল থেকে মাথায় গুলি করা হয় তাকে। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও এভারকেয়ার হাসপাতাল হয়ে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় তার।

‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ থেকে বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সংশ্লিষ্ট ঢাকার একজন ওয়ার্ড কমিশনারের নির্দেশে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযোগপত্রও দাখিল করেছে আদালতে। তাতে ১৭ জনকে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে ওসমান হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেয় ডিবি। পরে বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগপত্রে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম।
ডিবিপ্রধান জানান, তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এ হত্যাকাণ্ডে ১৭ জনের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যায় সরাসরি জড়িত দুজনসহ বাকি ছয়জনকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।

অভিযোগত্রে প্রধান আসামি হিসেবে ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ (৩৭) ও তার সহযোগী হিসেবে আলমগীর হোসেনের (২৬) নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযুক্ত বাকি ১৫ জন হলেন— ওয়ার্ড কমিশনার তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী (৪৩), ফিলিপ স্নাল (৩২), মুক্তি মাহমুদ (৫১), জেসমিন আক্তার (৪২), হুমায়ুন কবির (৭০), হাসি বেগম (৬০), সাহেদা পারভীন সামিয়া (২৪), ওয়াহিদ আহমেদ শিপু (২৭), মারিয়া আক্তার লিমা (২১), কবির (৩৩), নুরুজ্জামান ওরফে উজ্জ্বল (৩৪), সিবিয়ন দিও (৩২), সঞ্জয় চিসিম (২৩), আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু (৩৭) ও ফয়সাল (২৫)।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, হাদি হত্যায় সরাসরি জড়িত ছিলেন ফয়সাল ও তার সহযোগী আলমগীর। ঘটনার দিন তারা হাদিকে অনুসরণ করেন। মোটরসাইকেলে করে পেছন থেকে এসে রিকশায় বসা হাদিকে গুলি করেন। মোটরসাইকেলে চালকের আসনে ছিলেন আলমগীর হোসেন, পেছনে বসে গুলি করেন ‘শুটার’ ফয়সাল।
তদন্তে হাদি হত্যায় পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে বলে জানান ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম। বলেন, বাপ্পীই এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা। শুটার ফয়সাল ও তার সহযোগী আলমগীরের পলায়নে ‘সার্বিক সহায়তাকারী’ হিসেবে ভূমিকা পালন করেন তিনি।
অন্যদের মধ্যে ফয়সালের পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠজনসহ মোট আটজন ফয়সালকে পালাতে নানাভাবে সহায়তা করেছেন। তারা হলেন— ফয়সালের দুলাভাই মুক্তি মাহমুদ, বোন জেসমিন, বাবা হুমায়ুন, মা হাসি, স্ত্রী সাহেদা, শ্যালক ওয়াহিদ, বান্ধবী মারিয়া ও কবির।
এ ছাড়া ফয়সালকে পালাতে ভাড়া গাড়ি ব্যবস্থা করে দিয়েছেন নুরুজ্জামান। ফিলিপ, সিবিয়ন, সঞ্জয় ও আমিনুল ফয়সালকে সীমান্ত পাড়ি দিতে সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে এ মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নতুন তথ্য পাওয়া গেলে বা অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে সম্পূরক অভিযোগ দাখিল করা হবে।
হাদি হত্যার মোটিভ তুলে ধরে শফিকুল ইসলাম বলেন, ফয়সাল ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় ও ভিকটিমের আগের বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্য থেকে এটি স্পষ্ট— রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে ঘটেছে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের পরিকল্পনায় ন্যক্কারজনক এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলতে ইনকিলাব মঞ্চ প্রতিষ্ঠা করে ওসমান হাদি। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন বলে ঘোষণা দেন। সে লক্ষ্যে জনসংযোগও করে আসছিলেন।
এর মধ্যে গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের কিছুক্ষণ পর রাজধানীর বিজয়নগরের কালভার্ট রোড এলাকায় রিকশায় করে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল থেকে মাথায় গুলি করা হয় তাকে। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও এভারকেয়ার হাসপাতাল হয়ে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় তার।

১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট— দুটিই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদে সমর্থন দিয়েছে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে তারা প্রচার চালাবে বলে তার বিশ্বাস। তিনি বলেন, “আমি মনে করি না কোনো দল ‘না’ ভোটের পক্ষে যাবে।”
৮ ঘণ্টা আগে
এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা যদি অতীতের মতো শাসন দেখতে না চাই, তাহলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-সূচক ভোট দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে। যখন মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে উঠবে, তখন রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কার মেনে নিতে বাধ্য হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা, দেশের মর্যাদা এবং বাংলাদেশের নিরাপত্তা—এসব বিষয়ে আমরা কোনো আপস করব না। আমরা অবশ্যই ক্রিকেট খেলতে চাই, আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই। অন্য একটি আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কাও আছে, সেখানে আমরা খেলতে ইচ্ছুক।’
১০ ঘণ্টা আগে
পুলিশের ১৪ জন কর্মকর্তার পদায়ন ও বদলি করা হয়েছে। আজ বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
১০ ঘণ্টা আগে