
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল নিয়ে ইসলামাবাদে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর (পিএএফ) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। সেখানে তিনি পাকিস্তানের বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জাহির আহমেদ বাবর সিধুর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন। এ সময় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) বরাতে এ খবর দিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন। খবরে বলা হয়েছে, জেএফ-১৭ থান্ডার বহুমুখী যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাকিস্তানের কাছ থেকে এ যুদ্ধবিমান কিনতে আগ্রহ দেখিয়েছে বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের আইএসপিআর জানিয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের বিমানবাহিনীর মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব, প্রশিক্ষণ ও অ্যারোস্পেস প্রযুক্তিতে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল পাকিস্তানের জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাবনা।
ডন বলছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়টি বর্তমানে দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার টেবিলে রয়েছে। এটি চতুর্থ প্রজন্মের আধুনিক বহুমুখী (মাল্টিরোল) যুদ্ধবিমান। চীন ও পাকিস্তান যৌথভাবে এই বিমান তৈরি করেছে। ২০১৯ ও ২০২৫ সালে ভারতের সঙ্গে সামরিক সংঘাতে এই যুদ্ধবিমানটি সক্ষমতা ও কার্যকরিতা প্রমাণ করেছে।
বৈঠকে এয়ার চিফ মার্শাল জাহির আহমেদ বাবর সিধু বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, পাকিস্তান বিমানবাহিনীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশি ক্যাডেটদের জন্য প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে উচ্চতর পর্যায়ের উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ ও বিশেষায়িত কোর্স চালু থাকবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর জন্য সুপার মুশাক প্রশিক্ষণ বিমান দ্রুত সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দেন জাহির আহমেদ বাবর সিধু। এ বিমানের দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ ও কারিগরি সহযোগিতার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলারও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর তরফ থেকে।
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খান পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সক্ষমতার প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর পুরনো বিমানগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও দেশের আকাশসীমা সুরক্ষায় রাডার সিস্টেমকে আরও আধুনিক ও একীভূত করতে পাকিস্তানের কারিগরি সহায়তা চান।
পাকিস্তানের আইএসপিআর জানায়, এ সফর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার একটি পদক্ষেপ। উভয় দেশই প্রতিরক্ষা খাতে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে একমত পোষণ করেছে।
সফরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রতিনিধি দলটি পাকিস্তানের বিমানবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অপারেশনাল সুবিধাগুলো পরিদর্শন করেছে।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল নিয়ে ইসলামাবাদে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর (পিএএফ) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। সেখানে তিনি পাকিস্তানের বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জাহির আহমেদ বাবর সিধুর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন। এ সময় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) বরাতে এ খবর দিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন। খবরে বলা হয়েছে, জেএফ-১৭ থান্ডার বহুমুখী যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাকিস্তানের কাছ থেকে এ যুদ্ধবিমান কিনতে আগ্রহ দেখিয়েছে বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের আইএসপিআর জানিয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের বিমানবাহিনীর মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব, প্রশিক্ষণ ও অ্যারোস্পেস প্রযুক্তিতে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল পাকিস্তানের জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাবনা।
ডন বলছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়টি বর্তমানে দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার টেবিলে রয়েছে। এটি চতুর্থ প্রজন্মের আধুনিক বহুমুখী (মাল্টিরোল) যুদ্ধবিমান। চীন ও পাকিস্তান যৌথভাবে এই বিমান তৈরি করেছে। ২০১৯ ও ২০২৫ সালে ভারতের সঙ্গে সামরিক সংঘাতে এই যুদ্ধবিমানটি সক্ষমতা ও কার্যকরিতা প্রমাণ করেছে।
বৈঠকে এয়ার চিফ মার্শাল জাহির আহমেদ বাবর সিধু বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, পাকিস্তান বিমানবাহিনীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশি ক্যাডেটদের জন্য প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে উচ্চতর পর্যায়ের উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ ও বিশেষায়িত কোর্স চালু থাকবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর জন্য সুপার মুশাক প্রশিক্ষণ বিমান দ্রুত সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দেন জাহির আহমেদ বাবর সিধু। এ বিমানের দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ ও কারিগরি সহযোগিতার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলারও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর তরফ থেকে।
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খান পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সক্ষমতার প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর পুরনো বিমানগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও দেশের আকাশসীমা সুরক্ষায় রাডার সিস্টেমকে আরও আধুনিক ও একীভূত করতে পাকিস্তানের কারিগরি সহায়তা চান।
পাকিস্তানের আইএসপিআর জানায়, এ সফর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার একটি পদক্ষেপ। উভয় দেশই প্রতিরক্ষা খাতে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে একমত পোষণ করেছে।
সফরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রতিনিধি দলটি পাকিস্তানের বিমানবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অপারেশনাল সুবিধাগুলো পরিদর্শন করেছে।

বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রায় ২০ শতাংশ বাড়লেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অনেক গ্রাহকের বিল দ্বিগুণের বেশি হয়েছে বলে জানান তিনি। বলেন, ‘অথচ লোডশেডিংয়ের কারণে তারা আগের তুলনায় কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন। এটা তো লুটপাট। আগে এই অনিয়ম ও চুরি বন্ধ করা দরকার।’
৩ ঘণ্টা আগে
বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ইজতেমার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তাবলিগ জামাতের উভয় পক্ষের সঙ্গেই আলোচনা হয়েছে। সাদপন্থী মুরুব্বিদের সঙ্গে আজকের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, এর আগে জুবায়েরপন্থী শীর্ষ দায়িত্বশীলদের সঙ্গেও বিস্তারিত কথা বলেছে সরকার।
৪ ঘণ্টা আগে
তার দাবি, পেশাগত ঈর্ষা এবং ডিআইএতে পদায়ন না পাওয়া কয়েকজন কর্মকর্তার বিরোধিতার কারণেই তাকে যোগ দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এ সময় তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে আবহমানকাল থেকে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে সাম্প্রদায়িক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য এবং সম্প্রীতি বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম এবং সংস্কৃতি পালন করে আসছে। তবে সময় সময় কংস-চরিত্রের মানুষেরা রাষ্ট্র এবং সমাজে বিভেদ-বিরোধ সৃষ্টি জিইয়ে রাখার অপচে
৫ ঘণ্টা আগে