
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশের তালিকায় ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কার পেছনে। এ বছর ১৪৭টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৪।
এর আগে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৩ দেশের মধ্যে ছিল ১২৯তম। ২০২৩ সালে এই তালিকায় বাংলাদেশ ছিল ১১৮তম।
সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারতের অবস্থান ১১৮তম, পাকিস্তানের অবস্থান ১০৯তম, মিয়ানমারের অবস্থান ১২৬তম, শ্রীলঙ্কার অবস্থান ১৩৩তম এবং নেপালের অবস্থান ৯২তম।
ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৫-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা অষ্টমবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড। সেখানে মানুষের জীবনযাত্রার মান খুবই উন্নত।
ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ফিনল্যান্ডে প্রতি বর্গকিলোমিটারে সবচেয়ে বেশি বন রয়েছে। ফিনল্যান্ডের মানুষেরা প্রকৃতি খুব ভালোবাসেন। প্রকৃতির সঙ্গে তাদের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে।
দেশটির সংস্কৃতি সমৃদ্ধ। তাঁরা নিয়মিত হাঁটতে যান, সাঁতার কাটেন, সাইকেল চালান।
এভাবে নিয়মিত ঘুরতে যাওয়া, প্রকৃতির সান্নিধ্য পাওয়া তাদের সুখী জীবনযাপনে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন দেশটির বাসিন্দাদের অনেকেই।
জনশ্রুতি আছে, ফিনল্যান্ডের নাগরিকেরা বাকি বিশ্বকে স্বার্থপর না হয়েও কীভাবে সুখী জীবন যাপন করা যায় সেই শিক্ষা দিতে পারেন।
ফিনল্যান্ডের পর যথাক্রমে রয়েছে ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড ও সুইডেন, নেদারল্যান্ড, কোস্টা রিকা, নরওয়ে।
এ ছাড়া সুখী দেশের তালিকায় ৮তম স্থানে রয়েছে ইসরায়েল। এরপরেই আছে লুক্সেমবার্গ, মেক্সিকো, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, বেলজিয়াম, আয়ারল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া, অষ্ট্রিয়া, ক্যানাডা, স্লোভেনিয়া।
অন্যদিকে বিশ্বের সবচেয়ে অসুখী দেশ হিসেবে আবারো স্থান পেয়েছে আফগানিস্তান। এরপরেই পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন দ্বিতীয় অসুখী দেশ হিসেবে তালিকায় রয়েছে। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে লেবানন, যা নিচ থেকে তৃতীয়।
বিশ্বের ১৪০টিরও বেশি দেশ থেকে গ্যালাপ বিশ্ব জরিপের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারী মানুষদের আগের ৩ বছর (এবারের প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে ২০২২-২০২৪) তাদের জীবন কেমন কেটেছে, তা মূল্যায়ন করতে বলা হয়। পাশাপাশি, এ প্রতিবেদনে ছয়টি সূচককেও বিবেচনায় নেওয়া হয়। এই সূচকগুলো হলো—মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি), সামাজিক সহায়তা, সুস্থ জীবনযাপনের প্রত্যাশা, জীবনযাপনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা, বদান্যতা এবং দুর্নীতি নিয়ে মনোভাব।
গ্যালাপ, দ্য অক্সফোর্ড ওয়েলবিইং রিসার্চ সেন্টার ও জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সমাধান নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন) ও একটি সম্পাদকীয় বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশের তালিকায় ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কার পেছনে। এ বছর ১৪৭টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৪।
এর আগে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৩ দেশের মধ্যে ছিল ১২৯তম। ২০২৩ সালে এই তালিকায় বাংলাদেশ ছিল ১১৮তম।
সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারতের অবস্থান ১১৮তম, পাকিস্তানের অবস্থান ১০৯তম, মিয়ানমারের অবস্থান ১২৬তম, শ্রীলঙ্কার অবস্থান ১৩৩তম এবং নেপালের অবস্থান ৯২তম।
ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৫-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা অষ্টমবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড। সেখানে মানুষের জীবনযাত্রার মান খুবই উন্নত।
ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ফিনল্যান্ডে প্রতি বর্গকিলোমিটারে সবচেয়ে বেশি বন রয়েছে। ফিনল্যান্ডের মানুষেরা প্রকৃতি খুব ভালোবাসেন। প্রকৃতির সঙ্গে তাদের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে।
দেশটির সংস্কৃতি সমৃদ্ধ। তাঁরা নিয়মিত হাঁটতে যান, সাঁতার কাটেন, সাইকেল চালান।
এভাবে নিয়মিত ঘুরতে যাওয়া, প্রকৃতির সান্নিধ্য পাওয়া তাদের সুখী জীবনযাপনে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন দেশটির বাসিন্দাদের অনেকেই।
জনশ্রুতি আছে, ফিনল্যান্ডের নাগরিকেরা বাকি বিশ্বকে স্বার্থপর না হয়েও কীভাবে সুখী জীবন যাপন করা যায় সেই শিক্ষা দিতে পারেন।
ফিনল্যান্ডের পর যথাক্রমে রয়েছে ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড ও সুইডেন, নেদারল্যান্ড, কোস্টা রিকা, নরওয়ে।
এ ছাড়া সুখী দেশের তালিকায় ৮তম স্থানে রয়েছে ইসরায়েল। এরপরেই আছে লুক্সেমবার্গ, মেক্সিকো, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, বেলজিয়াম, আয়ারল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া, অষ্ট্রিয়া, ক্যানাডা, স্লোভেনিয়া।
অন্যদিকে বিশ্বের সবচেয়ে অসুখী দেশ হিসেবে আবারো স্থান পেয়েছে আফগানিস্তান। এরপরেই পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন দ্বিতীয় অসুখী দেশ হিসেবে তালিকায় রয়েছে। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে লেবানন, যা নিচ থেকে তৃতীয়।
বিশ্বের ১৪০টিরও বেশি দেশ থেকে গ্যালাপ বিশ্ব জরিপের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারী মানুষদের আগের ৩ বছর (এবারের প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে ২০২২-২০২৪) তাদের জীবন কেমন কেটেছে, তা মূল্যায়ন করতে বলা হয়। পাশাপাশি, এ প্রতিবেদনে ছয়টি সূচককেও বিবেচনায় নেওয়া হয়। এই সূচকগুলো হলো—মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি), সামাজিক সহায়তা, সুস্থ জীবনযাপনের প্রত্যাশা, জীবনযাপনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা, বদান্যতা এবং দুর্নীতি নিয়ে মনোভাব।
গ্যালাপ, দ্য অক্সফোর্ড ওয়েলবিইং রিসার্চ সেন্টার ও জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সমাধান নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন) ও একটি সম্পাদকীয় বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, রমজানে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস চলবে। এর মধ্যে দুপুর সোয়া ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত ১৫ মিনিট জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে।
২ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে আলোচনার বিষয়বস্তু তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ইইউ ডেলিগেশন চিফ মূলত নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং আমাদের দিক থেকে কোনো শঙ্কা আছে কি না, তা জানতে চেয়েছিলেন। তারা জানতে চেয়েছেন এই মুহূর্তে আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ কোনটা? আমরা আগাগোড়াই যে চ্যালেঞ্জটার কথা বলে আসছি, তাদের আবারও সেটাই বলেছি। নির্বাচনে আমাদের বড় চ্য
২ ঘণ্টা আগে
প্রেস সচিব বলেন, ‘১৮০ দিন ক্ষমতা ধরে রাখার বিষয়টি একটি অপপ্রচার, এর কোনো সুযোগ নেই। আমাদের লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া।’
৩ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে এই দায় আমি স্বীকার করতে রাজি নই। এটা দেশের দায়, পুরো সিস্টেমের দায়। এটা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরও না, ব্যক্তিগতভাবে আমারও না।’
৩ ঘণ্টা আগে