
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসসচিব হিসেবে যুক্ত হওয়ার পূর্বে শফিকুল আলম দেশের বাইরের একটি বার্তা সংস্থায় চাকরি করতেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শেষ হয়ে গেলে ‘গন্তব্য’ কী হবে জানতে চাইলে শফিকুল আলম বলেন, ‘এটা নিয়ে এখনও ভাবিনি। আমাদের এখনো আরো কয়েক মাস তো আছে। হতে পারে ইলেকশনটা যখন হবে তারপরে আমি (প্রেস সচিব পদ) ছেড়ে দেব। ’
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ‘গল্পের ঈদ’ এ এসব কথা বলেন তিনি।
শফিকুল আলম বলেন, প্রেসসচিবের দায়িত্ব ছাড়ার পর খুব একান্ত ব্যক্তিগত ইচ্ছা, বই লেখা। কিন্তু এতে তো সংসার চলে না, আমার তো সংসার চালাতে হবে। সেই চিন্তা করে আমার হয়তো জার্নালিজমে আবার ফিরতে হবে। আবার কেউ কেউ বলেন যে, ভাই —আপনি তো প্রেস কনফারেন্স খুব ভালো করেন, রাজনীতিতে আসেন। তবে ওটাও আমি অতোটা দেখি না। দুই-তিন জন বলার কারণে রাজনীতির বিষয়টি মাথায় ঘুরছিল, পরে আমি স্ত্রীকে বললাম। সে সাফ বলে দিয়েছে, একদম না; কোনোভাবেই ওটাতে (রাজনীতি) যাওয়া যাবে না।
তিনি আরও বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশে যদি আমি কিছু কন্ট্রিবিউট করতে পারি সেটাও একটা কাজ হবে। কিন্তু আমার প্রাইমারি ইচ্ছা জার্নালিজমে ফিরে যাওয়া, তবে সেটি লোকাল জার্নালিজমে হতে পারে। নিজে যদি কোনো পত্রিকা দিতে পারি সেটার একটা খুব ইচ্ছা আছে।’
এসময় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রশংসা করেন শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, ‘পুরো পৃথিবীতে তো উনি (ড. ইউনূস) সেলিব্রিটি। এটা আমি আরো জানতে পেরেছি এই গত সাড়ে সাত আট মাসে। তাকে দেশের বাইরে যে মর্যাদার সঙ্গে ট্রিট করা হয় সেটি অবিশ্বাস্য।’
উদাহরণ দিতে গিয়ে শফিকুল আলম বলেন, ডাভোসে আমরা গিয়েছি, ওখানে গিয়ে আমরা এইমাত্র ভেতরে প্রবেশ করেছি এই সময় খবর আসে যে, ড. ইউনূসের সঙ্গে জার্মানির চ্যান্সেলর মানে ওদের প্রাইম মিনিস্টার কথা বলবেন। উনি অ্যাপয়েন্টমেন্ট চাচ্ছেন। ওনার যে স্ট্রাচার এটা তো আনবিলিভেবল।
অন্তর্বর্তী সরকারের অর্জন অনেক জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব বলেন, অর্জনটা আসলে অনেক তবে দৃশ্যমান না। অর্জনটা আমি দেখি, একটা রেভুলেশন হলে বিপ্লব হলে যেই ধরনের বিশৃঙ্খলার তৈরি হয়, যে অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি হয় বাংলাদেশের মানুষ সেই পরিস্থিতিতে পড়েনি। এটা না হওয়ার মূল কারণ, প্রফেসর ইউনূসের লিডারশিপের গুণ। দেখেন তিনি কীভাবে এই সিচুয়েশনগুলো হ্যান্ডেল করলেন, আমরা আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছি। প্রচুর সাপোর্ট আমাদের এসেছে। বাংলাদেশকে নতুন করে সবাই চিনছে। আমাদের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের পর নির্বাচিত সরকারের কাছে অন্তর্বর্তী সরকার যে বাংলাদেশকে সমর্পণ করবে সেটি আমার মনে হয় খুবই বেটার ও হেলদি অবস্থায় থাকবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় পুলিশ বাহিনীর মধ্যে কনফিডেন্স যত দ্রুত আনা প্রয়োজন ছিল সেটি আমরা পারিনি। এই জায়টায় আমাদের অনেক স্ট্রাগল করতে হয়েছে। মাস খানেকের মধ্যে এটিও ঠিক হয়ে যাবে। ’
ঈদ অনুষ্ঠানে প্রে সসচিব শফিকুল আলমের সঙ্গে তার স্ত্রী সাবিনা জাহান লুনাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক। এ সময় দুজনই তাদের ঈদের পরিকল্পনার কথা জানান।
পরিবারের সবার সঙ্গে ঈদের দিন সময় কাটানোই মূল পরিকল্পনা থাকে বলে জানান প্রেসসচিব।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসসচিব হিসেবে যুক্ত হওয়ার পূর্বে শফিকুল আলম দেশের বাইরের একটি বার্তা সংস্থায় চাকরি করতেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শেষ হয়ে গেলে ‘গন্তব্য’ কী হবে জানতে চাইলে শফিকুল আলম বলেন, ‘এটা নিয়ে এখনও ভাবিনি। আমাদের এখনো আরো কয়েক মাস তো আছে। হতে পারে ইলেকশনটা যখন হবে তারপরে আমি (প্রেস সচিব পদ) ছেড়ে দেব। ’
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ‘গল্পের ঈদ’ এ এসব কথা বলেন তিনি।
শফিকুল আলম বলেন, প্রেসসচিবের দায়িত্ব ছাড়ার পর খুব একান্ত ব্যক্তিগত ইচ্ছা, বই লেখা। কিন্তু এতে তো সংসার চলে না, আমার তো সংসার চালাতে হবে। সেই চিন্তা করে আমার হয়তো জার্নালিজমে আবার ফিরতে হবে। আবার কেউ কেউ বলেন যে, ভাই —আপনি তো প্রেস কনফারেন্স খুব ভালো করেন, রাজনীতিতে আসেন। তবে ওটাও আমি অতোটা দেখি না। দুই-তিন জন বলার কারণে রাজনীতির বিষয়টি মাথায় ঘুরছিল, পরে আমি স্ত্রীকে বললাম। সে সাফ বলে দিয়েছে, একদম না; কোনোভাবেই ওটাতে (রাজনীতি) যাওয়া যাবে না।
তিনি আরও বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশে যদি আমি কিছু কন্ট্রিবিউট করতে পারি সেটাও একটা কাজ হবে। কিন্তু আমার প্রাইমারি ইচ্ছা জার্নালিজমে ফিরে যাওয়া, তবে সেটি লোকাল জার্নালিজমে হতে পারে। নিজে যদি কোনো পত্রিকা দিতে পারি সেটার একটা খুব ইচ্ছা আছে।’
এসময় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রশংসা করেন শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, ‘পুরো পৃথিবীতে তো উনি (ড. ইউনূস) সেলিব্রিটি। এটা আমি আরো জানতে পেরেছি এই গত সাড়ে সাত আট মাসে। তাকে দেশের বাইরে যে মর্যাদার সঙ্গে ট্রিট করা হয় সেটি অবিশ্বাস্য।’
উদাহরণ দিতে গিয়ে শফিকুল আলম বলেন, ডাভোসে আমরা গিয়েছি, ওখানে গিয়ে আমরা এইমাত্র ভেতরে প্রবেশ করেছি এই সময় খবর আসে যে, ড. ইউনূসের সঙ্গে জার্মানির চ্যান্সেলর মানে ওদের প্রাইম মিনিস্টার কথা বলবেন। উনি অ্যাপয়েন্টমেন্ট চাচ্ছেন। ওনার যে স্ট্রাচার এটা তো আনবিলিভেবল।
অন্তর্বর্তী সরকারের অর্জন অনেক জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব বলেন, অর্জনটা আসলে অনেক তবে দৃশ্যমান না। অর্জনটা আমি দেখি, একটা রেভুলেশন হলে বিপ্লব হলে যেই ধরনের বিশৃঙ্খলার তৈরি হয়, যে অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি হয় বাংলাদেশের মানুষ সেই পরিস্থিতিতে পড়েনি। এটা না হওয়ার মূল কারণ, প্রফেসর ইউনূসের লিডারশিপের গুণ। দেখেন তিনি কীভাবে এই সিচুয়েশনগুলো হ্যান্ডেল করলেন, আমরা আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছি। প্রচুর সাপোর্ট আমাদের এসেছে। বাংলাদেশকে নতুন করে সবাই চিনছে। আমাদের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের পর নির্বাচিত সরকারের কাছে অন্তর্বর্তী সরকার যে বাংলাদেশকে সমর্পণ করবে সেটি আমার মনে হয় খুবই বেটার ও হেলদি অবস্থায় থাকবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় পুলিশ বাহিনীর মধ্যে কনফিডেন্স যত দ্রুত আনা প্রয়োজন ছিল সেটি আমরা পারিনি। এই জায়টায় আমাদের অনেক স্ট্রাগল করতে হয়েছে। মাস খানেকের মধ্যে এটিও ঠিক হয়ে যাবে। ’
ঈদ অনুষ্ঠানে প্রে সসচিব শফিকুল আলমের সঙ্গে তার স্ত্রী সাবিনা জাহান লুনাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক। এ সময় দুজনই তাদের ঈদের পরিকল্পনার কথা জানান।
পরিবারের সবার সঙ্গে ঈদের দিন সময় কাটানোই মূল পরিকল্পনা থাকে বলে জানান প্রেসসচিব।

‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে বিলটি উত্থাপন করা হয়। এই বিলের মাধ্যমে এপিবিএনকে প্রথমবারের মতো ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
সংকট উত্তরণে সৌরবিদ্যুতের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এতদিন আমরা আমদানিনির্ভর উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের গ্রাহক ছিলাম। বর্তমান সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে, তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে আমরা কেবল গ্রাহক থাকব না, বরং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক হব।’
৭ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেজেইউ আহ্বায়ক সাইফুর সাগর বলেন, অভ্যুত্থানের আড়াই বছরেও এমন সংগঠন হয়নি। এখন কেন হয়েছে? হয়েছে সময়ের প্রয়োজনে। জুলাইপন্থি সব সাংবাদিকের জন্য এটি উন্মুক্ত। গণমাধ্যমকে সঠিক পথে রাখতে জুলাইয়ের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।
৭ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগ নেতারা স্থানীয় নির্বাচনে এলে বিএনপির অবস্থান কী হবে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বলেন, এখানে তো আওয়ামী লীগ হিসেবে নির্বাচন করছে না। দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগই নেই।
৮ ঘণ্টা আগে