
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ওসমান হাদি হত্যার বিচার ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে চার দফা দাবিতে সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে হাদি হত্যার চার্জশিট দাখিল এবং ২২ কর্মদিবসের মধ্যে বিচার নিশ্চিত করা না হলে সরকার পতনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি পালনকালে এসব ঘোষণা দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের।
এসময় তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে দিল্লির সঙ্গে যেকোনো গোপন বৈঠক থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব ধরনের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
আগামী দুই দিন বাংলাদেশপন্থি সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে হাদি হত্যার বিচারসহ চার দাবি নিয়ে আলোচনা করার কথাও জানান তিনি।
শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে মার্চ ফর ইনসাফ কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। সন্ধ্যায় আলটিমেটাম দিয়ে শাহবাগ মোড় থেকে অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করে সংগঠনটি।
এর আগে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শাহবাগ মোড়ে গিয়ে অবস্থান নেন।
এসময় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদের সঙ্গে যদি কেউ বৈঠক করতে আসে, আপনারা অবশ্যই বৈঠক করবেন। কিন্তু সেই বৈঠক হতে হবে ওপেন। কোনো সিক্রেট বৈঠক নাই। দিল্লির সঙ্গে আমাদের কোনো গোপন বৈঠক চলবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের তিন পাশ থেকে ভারতীয় আধিপত্যবাদ, যার কারণে আমরা ভারতীয় আধিপত্যের বিপক্ষে কথা বলি। এখন যদি আমেরিকা বাংলাদেশে আধিপত্যবাদ খাটাইতে চায়, আমরা কি আমেরিকার বিরুদ্ধে কথা বলব না? আমরা কি কারো কাছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব দিয়ে দিব? না, দেব না। আমাদের এই লড়াইটা কেবল শুরু।’
ওসমান হাদির আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব বলেন, ‘ওসমান হাদি আমাদের এই লড়াইয়ের পথটা দেখিয়ে গেছেন। এখন আমাদের সেই অনুযায়ী সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের কথা একটাই, বাংলাদেশের সব ধরনের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আমরা এই লড়াইটা করব, ইনশাআল্লাহ।’

ওসমান হাদি হত্যার বিচার ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে চার দফা দাবিতে সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে হাদি হত্যার চার্জশিট দাখিল এবং ২২ কর্মদিবসের মধ্যে বিচার নিশ্চিত করা না হলে সরকার পতনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি পালনকালে এসব ঘোষণা দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের।
এসময় তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে দিল্লির সঙ্গে যেকোনো গোপন বৈঠক থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব ধরনের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
আগামী দুই দিন বাংলাদেশপন্থি সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে হাদি হত্যার বিচারসহ চার দাবি নিয়ে আলোচনা করার কথাও জানান তিনি।
শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে মার্চ ফর ইনসাফ কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। সন্ধ্যায় আলটিমেটাম দিয়ে শাহবাগ মোড় থেকে অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করে সংগঠনটি।
এর আগে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শাহবাগ মোড়ে গিয়ে অবস্থান নেন।
এসময় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদের সঙ্গে যদি কেউ বৈঠক করতে আসে, আপনারা অবশ্যই বৈঠক করবেন। কিন্তু সেই বৈঠক হতে হবে ওপেন। কোনো সিক্রেট বৈঠক নাই। দিল্লির সঙ্গে আমাদের কোনো গোপন বৈঠক চলবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের তিন পাশ থেকে ভারতীয় আধিপত্যবাদ, যার কারণে আমরা ভারতীয় আধিপত্যের বিপক্ষে কথা বলি। এখন যদি আমেরিকা বাংলাদেশে আধিপত্যবাদ খাটাইতে চায়, আমরা কি আমেরিকার বিরুদ্ধে কথা বলব না? আমরা কি কারো কাছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব দিয়ে দিব? না, দেব না। আমাদের এই লড়াইটা কেবল শুরু।’
ওসমান হাদির আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব বলেন, ‘ওসমান হাদি আমাদের এই লড়াইয়ের পথটা দেখিয়ে গেছেন। এখন আমাদের সেই অনুযায়ী সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের কথা একটাই, বাংলাদেশের সব ধরনের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আমরা এই লড়াইটা করব, ইনশাআল্লাহ।’

জানুয়ারির এই সুপারমুনটি ঐতিহ্যগতভাবে ‘উলফ মুন’, ‘কোল্ড মুন’ এবং ‘হার্ড মুন’ নামেও পরিচিত। যদিও এসব নামের পেছনে ঐতিহ্যগত ভিত্তি রয়েছে, তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতেই নামগুলো বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বছরের শুরুতে আসাম মন্ত্রিসভার নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, অভিবাসী (আসাম থেকে বহিষ্কার) নির্দেশ, ১৯৫০' - এর বিধি নিয়ম মেনে গত কয়েক মাসে প্রায় দুই হাজার মানুষকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে 'পুশ ব্যাক' করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
সমাবেশে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, আমরা সরকারকে ৩০ কার্যদিবস সময় দিয়েছিলাম, যার মধ্যে আর ২২ দিন বাকি আছে। এর মধ্যে যদি বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকার ব্যর্থ হয়, তবে আমরা এই সরকারকে আর ক্ষমতায় দেখতে চাই না। ৩০ কার্যদিবস পর আমরা সরকার পতনের একদফা আন্দোলন শুরু করব।
৬ ঘণ্টা আগে
জাপানে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের প্রতিনিধি ও কূটনৈতিকরা এই শোকবইতে স্বাক্ষর করে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। তথ্যবিবরণী অনুযায়ী, শোকবইটি আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত সর্বসাধারণ ও প্রতিনিধিদের স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
৬ ঘণ্টা আগে