রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, সন্ধ্যার পর সিংহটিকে চেতনানাশক ইনজেকশন পুশ করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর অজ্ঞান হয়ে গেলে সেটিকে ধরে ফের খাঁচায় ঢুকানো হয়েছে। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
এতে আহত হন সিপিবির আবদুল্লাহ ক্বাফী আল রতন, কাজী রুহুল আমিন, জহুর লাল রায়, অন্ত অবিন্দম, ইমতিয়াজ আহমেদ রাফিন, রাসেল আহমেদ, শোয়েইব আহমেদ আসিফ, প্রিজম ফকির, বাসদ (মার্কসবাদী)'র সীমা দত্ত, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের শাহিনুর আক্তার সুমি, নাহিয়ান রেহমান রাহাত, পংকজনাথ সুর্য, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল
উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন তারিখ ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ৬ জন ভারতীয় নাগরিককে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইন করে। পুশইনের পর ওই ভারতীয় নাগরিকরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় প্রবেশ করলে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে গ্রেপ্তার করে এবং গত ২২ আগস্ট আদালতের
গত ২৩ নভেম্বর শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। পেনাল কোডের ৩০২/৩৪সহ ১৪৩/১৪৭/১৪৮/১৪৯/১০৯/১২০-খ/৩২৪/৩২৬/৩০৭/১১৪ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এ চার্জশিট দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
মূলত এটি দক্ষিণ এশিয়াকে ঘিরে চীনকে যুক্ত করে একটি বিকল্প আঞ্চলিক জোট গঠনের প্রস্তাব, যেখানে দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান আঞ্চলিক সংগঠন সার্ক গত বহু বছর ধরেই ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার কারণে কার্যত অচল হয়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ ৯ বছর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে আপোষহীন নেত্রী হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। গড়ে তুলেন এক দুর্বার গণআন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় ‘৯০ এর ৬ ডিসেম্বর এই দিনে ছাত্র-জনতার মিলিত শক্তিতে স্বৈরাচারকে পরাজিত করে মুক্ত হয়েছিলো গণতন্ত্র। সে
শুক্রবার বিকেলে তিনি রাজনীতিডটকমকে বলেন, কাতার সরকারই জার্মানি থেকে ভাড়া করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় পাঠাবে। জার্মানি থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি এখনো রওনা হয়নি। তবে সেটি প্রস্তুত রয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসকদের কাছ থেকে গ্রিন সিগনাল পেলেই সেটি রওনা হবে। অর্থাৎ সময় এখনো নির্ধারিত নয়।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানী কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো বিশেষ দলের বিজয় চাচ্ছি না, আট দলের বিজয়ও চাচ্ছি না। আমরা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের আকাঙ্ক্ষার বিজয় চাই। সেই আকাঙ্ক্ষার বিজয় হবে কোরআনের আইনের মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ। গ্রাম থেকে বিজয়ের বাঁশি বাজানো হবে। আগামীর বাংলাদেশ হবে কোরআনের বাংলাদেশ।
এসময় মঈন খান বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মধ্যে কোন হিংসা, প্রতিহিংসা ও ক্রোধ নেই, যার কারণে দেশের সকল শ্রেণি পেশার মানুষ তাকে শ্রদ্ধা করে। তিনি সব সময় দেশের গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন। সেই সংগ্রামি দেশপ্রেমিক মানুষটি আজ জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন।