শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম।
লাখো মানুষের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসা আর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদি।
একই সাথে, ওই চিকিৎসককে কেন স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না, আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তাকে সে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আমাদের ওসমান হাদির শোককে জাতীয় শক্তিতে পরিণত করতে হবে। আবেগকে শক্তিতে পরিণত করতে হবে। শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, লাখ লাখ মানুষ আজ এখানে হাজির হয়েছেন। ঢেউয়ের মতো লোক আসছেন। সারা দেশের কোটি কোটি মানুষ আজ এই মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছে। ঘরে ঘরে মানুষ তাকিয়ে আছে ওসমান হাদির কথা শোনার জন্য। বিদেশে যেসব বাঙালি আছে, তারাও হাদির কথা শুনতে চায়।
শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এ কে খন্দকার ছিলেন একজন দৃঢ়চেতা মুক্তিযোদ্ধা, সৎ ও সাহসী এবং আদর্শনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক। তার কর্ম, চিন্তা ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
জানাজায় অংশ নেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং বিএনপি-জামায়াতসহ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা ও বিশিষ্টজনেরা।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বার্তায় জানিয়েছে, বার্ধক্যজনিত কারণে শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মারা গেছেন এ কে খন্দকার। তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর।
প্রিয় নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে সকাল থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে জড়ো হচ্ছেন। দেশে আজ একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে, যার অংশ হিসেবে সব প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে গোসল শেষে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছেছে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির লাশ। এলাকায় লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। জানাজার সময় যত ঘনিয়ে আসছে, মানুষের উপস্থিতি ততই বাড়ছে।