সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক রইস উদ্দিন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিদ্দিকুর রহমান খান, ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক নুরুল ইসলাম এবং খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) অধ্
প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, ‘সাম্প্রতিক কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও ঝোড়ো আবহাওয়ার কারণে এ অঞ্চলের অনেক কৃষকের আলু ক্ষেত পানিতে ডুবে নষ্ট হয়েছে। আবার শুষ্ক মৌসুমে কৃষকদের সেচের পানির অভাবেও ভোগান্তিতে পড়তে হয়। খাল খনন সম্পন্ন হলে বর্ষাকালে জমে থাকা অতিরিক্ত পানি দ্রুত নেমে যাবে এবং শুষ্ক মৌসুমে খালের
অন্যদিকে প্রধান প্রধান নদীগুলোসহ সব গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদী, খাল-বিল ভরাট হওয়ার ফলে এক সময়ের স্রোতস্বিনী নদীগুলো এখন ভরা মৌসুমে পানি ধারণ করতে পারে না। ফলে অকাল বন্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, শুকনো মৌসুমে মরুভূমির রূপ ধারণ করে। বর্ষায় পানির প্রবাহ বিঘ্নিত হয়ে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমনকি প্রধান প্রধা
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেক ভিসির বিষয়ে চেক করেছি, সাইটেশন, কোটেশন, গুগল সার্চ, পিএইচডি, পোস্ট ডক, এমফিল, সব দেখে ক্যাটাগরি করে যারা ভালো পারফরম্যান্স করেছেন, তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার বিষয়ে স্টারমার বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার গত কয়েকদিন মধ্যপ্রাচ্যের ওই অঞ্চলে অবস্থান করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকায় পানির সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকার সারা বাংলাদেশে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৪টার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আগামী বছর থেকে লটারিতে স্কুলে ভর্তি পদ্ধতি থাকবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, 'আপনারাই (জনগণ) দেশের মালিক, আমরা কেবল আপনাদের সেবক বা মন্ত্রী হিসেবে কর্মচারী। তাই আমাদের সঙ্গে মালিকের মতোই আচরণ করবেন। আমাদের এমন প্রশ্রয় দেবেন না যে আপনারা প্রজা আর মন্ত্রীরা মালিক। আমি ও আমার সহকর্মীদের সঙ্গে অধিকার নিয়েই কথা বলবেন। অবশ্যই বাঁশে
চলতি মৌসুমে সুনামগঞ্জ জেলার ১৩৭টি হাওরে প্রায় ১০ লাখ কৃষক দুই লাখ ২৩ হাজার ৪১০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছেন। হাওর অঞ্চলে বোরো ধান এখন বৃদ্ধি পর্যায়ে রয়েছে। এই সময়ে টানা শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকলে ফসলের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।