আগুন লাগার পর সারাজেভো থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত তুজলার ওই নার্সিংহোমের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ। এখনো ৩০ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। আহতদের মধ্যে দমকল বাহিনীর পাঁচজন কর্মী এবং তিন পুলিশ সদস্য রয়েছেন।
তাদের পাঁচ দফা দাবিতে জাতীয় পার্টিসহ ফ্যাসিবাদী কার্যক্রম নিষিদ্ধসহ অন্যান্য বিষয় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
বিএনপির সূত্রগুলো বলছে, তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-১ (আজমিরীগঞ্জ-বাহুবল) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে চান। এ আসনে এখনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিএনপি।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেতে নিজের চাচা-চাচিকে মা-বাবা হিসেবে দেখানোর অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নাচোল উপজেলার ইউএনও কামাল হোসেনসহ তার পরিবারের ডিএনএ টেস্ট করার সিদ্ধান্ত নেয়।
সরকার বলছে, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) তাৎক্ষণিক তদন্তে পাওয়া গেছে, সংসদ সদস্য পদে বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ এ হামলার লক্ষ্য ছিলেন না; বিক্ষিপ্তভাবে ছোড়া একটি গুলি তার শরীরে বিদ্ধ হয়। সরকার এ ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে এবং গুলিতে আহত এরশাদ উল্লাহর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় এরশাদ উল্লাহর গণসংযোগ চলাকালে গুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিএনপি নেতা এরশাদ উল্লাহসহ আরও কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান।
এর আগে, সন্ধ্যায় নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানার হাজীপাড়া এলাকায় নির্বাচনি প্রচারে গিয়ে হামলার শিকার হন এরশাদ উল্লাহ। তিনি পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। এছাড়া সরোয়ার হোসেন বাবলা নামে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
গণসংযোগকালে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর ওপর হামলা ও গুলির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আপনার বিরুদ্ধে গুরুতর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের একটি অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে এবং আপনার আচরণ সংগঠনের নীতি বিরুদ্ধ বলে আমাদের নিকট প্রতীয়মান হয়েছে। এমতাবস্থায় আপনাকে দলের সকল দায়িত্ব থেকে আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আক্তার হোসেনের নির্দেশক্রমে সাময়িক অব্যাহতি প্রদান
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার তার পদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনে অযোগ্য হয়ে পড়েছেন।