নাশকতার পরিকল্পনা ও গত ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলায় নেত্রকোণায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আট নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জেলা শহর ছাড়াও বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে রোববার রাতে এ গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত ‘গণহত্যা’ সহ মানবতাবিরোধী বিভিন্ন অপরাধে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমসমূহ।
পুলিশ হেফাজতে থাকা প্রধান অভিযুক্তের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় জানিয়ে তারা বলেন, এতে তদন্তের স্বচ্ছতা ও বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা সবার জানা। তবে যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে প্রস্তুত আছে কমিশন। এরপরও ইসির যতই চেষ্টা থাকুক না কেন, যদি রাজনৈতিক কোনো দল অসহযোগিতার চেষ্টা করে তবে সুষ্ঠু নির্বাচনের শঙ্কা থেকেই যাবে।’
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার এ কথা জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
আওয়ামী লীগের ডাকা শাটডাউন রাজশাহীর জনজীবনে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। নগরী ও জেলাজুড়ে যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক। সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যথারীতি চালু ছিল। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রমেও কোনো বিঘ্ন লক্ষ্য করা যায়নি।
তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ করে ইটপাটকেল ছুড়ছে বিক্ষোভকারীরা। এতে পুলিশের এক সদস্যের মাথায় আঘাত লাগতে দেখা গেছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রসঙ্গে বলেন, এই মামলার যথাযথ বিচার হলে তা দেশে একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
আগামী নির্বাচনকে শুধু পাঁচ বছরের সরকার গঠনের একটি নির্বাচন নয়; বরং গণভোট যুক্ত হওয়ায় এটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ নির্বাচন হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এটা সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি নির্বাচন। জাতি বহু প্রহসনের নির্বাচন দেখেছে, সেই স্মৃতি ছাপিয়ে যেতে আমাদের ভূমিকা রাখতে হবে।”