
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নাশকতার পরিকল্পনা ও গত ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলায় নেত্রকোনায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আট নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জেলা শহর ছাড়াও বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে রোববার রাতে এ গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন— নেত্রকোনা জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মাহফুজুল ইসলাম লিংকন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি শরীফুল হক শরীফ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মুন্না, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খান শুভ্র, এবং পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াসিন আলম খান। ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
এ ছাড়া বারহাট্টা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. হাদিস ফকিরকে উপজেলার বাউসী ইউনিয়নের আটগাঁ বাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে। একই রাতে বারহাট্টার সাহতা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা মো. সুরাপ খান এবং নিতাই চন্দ্র সূত্রধরকে আটক করে বারহাট্টা থানা পুলিশ।
বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, “৫ আগস্টের পর দায়ের করা মামলায় যুবলীগ নেতা হাদিস ফকির এজাহারভুক্ত আসামি। নিতাই চন্দ্র সূত্রধর ও সুরাপ খানকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
সোমবার দুপুরে তাদের নেত্রকোণা আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বলেও জানান তিনি।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজ জানান, আওয়ামী লীগের ঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ পাঁচ নেতাকে আটক করেছে। ৫ আগস্টের পর নাশকতার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের থানায়ও মামলা রয়েছে। হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাশকতার পরিকল্পনা ও গত ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলায় নেত্রকোনায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আট নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জেলা শহর ছাড়াও বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে রোববার রাতে এ গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন— নেত্রকোনা জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মাহফুজুল ইসলাম লিংকন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি শরীফুল হক শরীফ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মুন্না, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খান শুভ্র, এবং পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াসিন আলম খান। ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
এ ছাড়া বারহাট্টা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. হাদিস ফকিরকে উপজেলার বাউসী ইউনিয়নের আটগাঁ বাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে। একই রাতে বারহাট্টার সাহতা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা মো. সুরাপ খান এবং নিতাই চন্দ্র সূত্রধরকে আটক করে বারহাট্টা থানা পুলিশ।
বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, “৫ আগস্টের পর দায়ের করা মামলায় যুবলীগ নেতা হাদিস ফকির এজাহারভুক্ত আসামি। নিতাই চন্দ্র সূত্রধর ও সুরাপ খানকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
সোমবার দুপুরে তাদের নেত্রকোণা আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বলেও জানান তিনি।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজ জানান, আওয়ামী লীগের ঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ পাঁচ নেতাকে আটক করেছে। ৫ আগস্টের পর নাশকতার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের থানায়ও মামলা রয়েছে। হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আগামী ১৪ ডিসেম্বর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তার লাশ বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে বিজিবি জানিয়েছে। এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর রাতে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের আশ্রয়ণ বিওপি এলাকায় গুলির ঘটনা ঘটে। বিএসএফ গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হেফাজতে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
৩ দিন আগে
হাদির চাচাতো ভাই সিরাজুল ইসলাম বলেন, কেউ না থাকার সুযোগে জানালা ভেঙে চোর ঘরে প্রবেশ করে। এখন কী পরিমাণ মালামাল নিয়েছে সেটা আমরা জানতে পারিনি।
৩ দিন আগে
জেলা নির্বাচন অফিসার মো. আবদুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্বৃত্তরা দেয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে নির্বাচন অফিসের স্টোর রুমে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়। তিনি বলেন, আগুনে অফিসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র (২০০৮-০৯ সালের ভোটার ফরম) পুড়ে গেছে। তবে নৈশপ্রহরী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতি এড়ান
৩ দিন আগে
হাসপাতালের সামনে ভিড় করছেন হাদির সমর্থক, সাধারণ মানুষ ও উৎসুক জনতা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
৪ দিন আগে