তারা বলেন, ‘রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করেছে তা প্রহসনমূলক ও অগ্রহণযোগ্য। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বর্তমানে ক্যাঙারু কোর্টের রূপ পরিগ্রহ করেছে। এখন এই আদালত স্বৈরাচারী, পক্ষপাতদুষ্ট এবং ন্যায়
এই মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এস এইচ তামিম শুনানি করেন। এছাড়া শুনানিতে প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ, শাইখ মাহদি, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্য প্রসিকিউটরা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, পলাতক শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে শুন
নূরুল হক নূর আরও বলেন, আওয়ামী লীগ আজ গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। তারপরও আওয়ামী লীগের দেশে এখনো একটি সমর্থক গোষ্ঠী আছে। যারা শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসন আমল সমর্থন করেননি, পরিস্থিতির কারণে হয়তো দল করেছেন। তারা এলাকায় কারও ওপর নির্যাতন বা জুলুম করেননি। আমি বিএনপি, জামায়াত,
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ এর রায়ে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণার পর উল্লাস প্রকাশ করে মিষ্টি বিতরণ কারেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)। বুধবার বিকাল পৌনে ৫টায় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে মিষ্টি বিতরণের আয়োজন করা হয়।
তিনি আরও বলেন, 'বাংলাদেশের রাজনীতি আইনের শাসন ও বিচারের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এদেশের ১৮ কোটি মানুষের আকাঙ্খা ছিলো ঘৃণ্য মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দৃশ্যমান করার। আংশিক হলেও ট্রাইব্যুনালের রায়ে জাতির আশা কিছুটা পূর্ণ হয়েছে।'
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পলাতক আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল জুলাই হত্যাকাণ্ডের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এ ব্যক্তিদের দ্বিতীয় কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ ও ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার সামিল।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ‘‘আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই তারা যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন। দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে এটি ভারতের জন্য অবশ্য পালনীয় দায়িত্বও বটে।’’
জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জুলাইয়ে শহিদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা। তারা এই আসামির ন্যূনতম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড রায় দাবি করেছেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষিত হওয়ার পর রাজশাহীতে আনন্দ-উৎসব ও মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে রাজনৈতিক দলগুলো।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে ঘোষিত মৃত্যুদণ্ড একটি ঐতিহাসিক রায়। এই রায়ের গভীর তাৎপর্য উপলব্ধি করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সর্বস্তরের জনগণকে শান্ত, সংযত ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।