
প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম

কুমিগ্রামে নাগেশ্বরীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষে তিনজন মারা যাওয়া খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অন্তত পাঁচজন।
রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুর ১২ট দিকে উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের হাইলাটারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গণমাধ্যমকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম।
ওসি বলেন, ‘নিহত তিনজনের মধ্যে একজন নারী। দুইজন পুরুষ। নারীর পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অপর দুইজনের নাম আলতাফ ও মানিক বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যে অভিযানও শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।’

কুমিগ্রামে নাগেশ্বরীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষে তিনজন মারা যাওয়া খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অন্তত পাঁচজন।
রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুর ১২ট দিকে উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের হাইলাটারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গণমাধ্যমকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম।
ওসি বলেন, ‘নিহত তিনজনের মধ্যে একজন নারী। দুইজন পুরুষ। নারীর পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অপর দুইজনের নাম আলতাফ ও মানিক বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যে অভিযানও শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।’

আন্দোলনকারীরা আরও জানান, তাদের দাবিদাওয়া সম্বলিত ফাইলটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কিন্তু অযথা সময়ক্ষেপণ করে বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। দাবিদাওয়ার বিষয়টি সমাধান করা না হলে আগামী ৩ ডিসেম্বর অর্ধদিবস ও ৪ ডিসেম্বর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করা হবে বলে জানান।
১১ ঘণ্টা আগে
তারা হলেন- সিলেট সদর উপজেলার ভার্থখোলা এলাকার আব্দুল জহিরের ছেলে আবুল আসাদ বাদল (৬২) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কোট্টাপাড়া এলাকায় নাজির উদ্দিনের ছেলে মঈন উদ্দিন (১০০)।
১১ ঘণ্টা আগে
কিশোর দাবি করে কয়েক বছর আগে তার নানাকে দুষ্কৃতিকারীরা হত্যা করে এবং বস্তুটি ওই সময় দুর্বৃত্তরা তাদের বাড়িতে ফেলে গিয়েছিল। কিশোর আরও জানায়, এটির গুলি বাড়িতে থাকলেও সে সঙ্গে আনেনি।
১ দিন আগে
তিনি বলেন, শিক্ষকরা হচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তারাই মূল শিক্ষা দেন। আর শিক্ষকদের অবস্থার উন্নতির জন্য আমরা বরাবরই কাজ করেছি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের আমরা ১০ম গ্রেড দিয়েছি এবং সহকারী শিক্ষকদের আমরা ১১তম গ্রেড দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছি। আশা করছি সফল হবো।
১ দিন আগে