
বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট শহরের পূবালী ব্যাংকের লকার (ভল্ট) থেকে সুমন কুমার দাস নামে এক ব্যবসায়ীর অন্তত ২০০ ভরি সোনার অলংকার গায়েব হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাছান চৌধুরী ব্যাংক পরিদর্শন করে জানিয়েছেন, পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী সড়কে অবস্থিত পূবালী ব্যাংক থেকে সোনার অলংকার খোয়া যাওয়ার এ ঘটনা জানাজানি হয়েছে।
যে ব্যবসায়ীর সোনার অলংকার খোয়া গেছে তিনি বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকার বাসিন্দা সুমন কুমার দাস। দীর্ঘদিন ধরে সুপারি ব্যবসা করে আসছেন তিনি।
ব্যবসায়ী সুমন কুমার দাস বলেন, এ ব্যাংকে আমার একটি লকার রয়েছে। সেখানে গত বছরের ১৫ অক্টোবর আমার মা, খালা, ভাই, স্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন আত্মীয়ের প্রায় ২০০ ভরি সোনার অলংকার জমা রাখি। বুধবার বাড়িতে একটি একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেজ কারণে ব্যাংকে এসেছিলাম। কিন্তু লকার খুলে দেখি সেখানে কোনো অলংকার নেই। লকার খালি। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ তদন্ত করছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পূবালী ব্যাংকের বাগেরহাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. মনিরুল আমিন সাংবাদিকদের বলেন, এক গ্রাহক লকারে তার রক্ষিত কিছু মালামাল দেখতে পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাটি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করছে। তদন্তের পর জানা যাবে আসলে ঘটনাটি কী ঘটেছিল।
বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন বলেন, সুমন দাস নামে এক গ্রাহকের ব্যাংকের লকারে রাখা সোনার অলংকার পাওয়া যাচ্ছে না— এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যাংকে এসে লকার পরিদর্শন করেছি। ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে কীভাবে বিপুল পরিমাণ সোনার অলংকার খোয়া গেল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাগেরহাট শহরের পূবালী ব্যাংকের লকার (ভল্ট) থেকে সুমন কুমার দাস নামে এক ব্যবসায়ীর অন্তত ২০০ ভরি সোনার অলংকার গায়েব হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাছান চৌধুরী ব্যাংক পরিদর্শন করে জানিয়েছেন, পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী সড়কে অবস্থিত পূবালী ব্যাংক থেকে সোনার অলংকার খোয়া যাওয়ার এ ঘটনা জানাজানি হয়েছে।
যে ব্যবসায়ীর সোনার অলংকার খোয়া গেছে তিনি বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকার বাসিন্দা সুমন কুমার দাস। দীর্ঘদিন ধরে সুপারি ব্যবসা করে আসছেন তিনি।
ব্যবসায়ী সুমন কুমার দাস বলেন, এ ব্যাংকে আমার একটি লকার রয়েছে। সেখানে গত বছরের ১৫ অক্টোবর আমার মা, খালা, ভাই, স্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন আত্মীয়ের প্রায় ২০০ ভরি সোনার অলংকার জমা রাখি। বুধবার বাড়িতে একটি একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেজ কারণে ব্যাংকে এসেছিলাম। কিন্তু লকার খুলে দেখি সেখানে কোনো অলংকার নেই। লকার খালি। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ তদন্ত করছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পূবালী ব্যাংকের বাগেরহাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. মনিরুল আমিন সাংবাদিকদের বলেন, এক গ্রাহক লকারে তার রক্ষিত কিছু মালামাল দেখতে পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাটি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করছে। তদন্তের পর জানা যাবে আসলে ঘটনাটি কী ঘটেছিল।
বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন বলেন, সুমন দাস নামে এক গ্রাহকের ব্যাংকের লকারে রাখা সোনার অলংকার পাওয়া যাচ্ছে না— এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যাংকে এসে লকার পরিদর্শন করেছি। ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে কীভাবে বিপুল পরিমাণ সোনার অলংকার খোয়া গেল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালিকায় মোছা. সালমা আক্তারের নাম থাকলেও তার নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা হয়নি; বরং অন্য এক নারীর হিসাবে টাকা জমা ও উত্তোলনের তথ্য মিলেছে। ফলে গত দুই বছর ধরে সরকারি ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন প্রকৃত ভাতাভোগী সালমা আক্তার।
১ দিন আগে
ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে কার্যালয় এলাকায় অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রতিমন্ত্রী অফিসের বারান্দায় প্রায় আধা ঘণ্টা বসে কর্মকর্তাদের জন্য অপেক্ষা করেন। স্থানীয় সেবাগ্রহীতা ও সাধারণ মানুষ এ দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন।
১ দিন আগে
পুলিশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নিহত শিশু ইরার বাবা মনিরের সঙ্গে বাবু শেখের বিরোধ ছিল। বিভিন্ন সময়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। এর জের ধরে মনিরের মেয়ে ইরাকে হত্যা করে প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি।
২ দিন আগে
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের গ্রামের প্রবাসী সাইদুল সরদারের ছেলে ফরিদ সরদারের কাছে দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন সাইফুল সরদার ও তাইজুল সরদার নামের দুই যুবক। এ সময় ফরিদ চাঁদা দিতে অস্বীকার জানালে গত ৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার দিকে ফাসিয়াতলা বাজারের অটোস্ট্যান্ডে
২ দিন আগে