
লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের পাটগ্রামের ধবলসুতি সীমান্ত থেকে সাজেদুল জবেদ (২০) ও রিমন হোসেন (১৬) নামে দুজনকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ধরে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্বজনদের অভিযোগ, শুক্রবার (২ মে) বিকেলে ধবলসুতি সীমান্তের চা বাগানে ছবি তুলতে গেলে বিএসএফ তাদের ধরে নিয়ে যায়।
রিমন উপজেলার পাটগ্রাম সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের রহমতপুর গাটিয়ারভিটা এলাকার মোস্তাক হোসেনের ছেলে এবং সাজেদুল বগুড়া জেলার শেরপুর থানার সাইফুল ইসলামের ছেলে। তারা দুজন সম্পর্কে মামা-ভাগনে। রিমন এবারে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
বিজিবি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান পিলার ৮২৫ নম্বরের এক নম্বর উপপিলারসংলগ্ন শূন্যরেখায় ভারতীয় চা বাগান দেখতে যান সাজেদুল ও রিমন। চা বাগানে মোবাইলে নিজেদের ছবি তোলার সময় ভারতের কোচবিহার রাজ্যের মেখলিগঞ্জ ৯৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গোমতি ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা তাদের ধরে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৬১ (তিস্তা-২) ইউনিটের ধবলসুতি বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোক্তার হোসেন বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানান। বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে পতাকা বৈঠকের আহ্বানে সাড়া দিয়েছে বিএসএফ।
পাটগ্রামের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমান বলেন, বিজিবির ধবলসুতি ক্যাম্পের কমান্ডারের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রাথমিক আলোচনায় বিএসএফ তাদের ফেরত দেবে বলে জানিয়েছে বিজিবিকে। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করা হবে।

লালমনিরহাটের পাটগ্রামের ধবলসুতি সীমান্ত থেকে সাজেদুল জবেদ (২০) ও রিমন হোসেন (১৬) নামে দুজনকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ধরে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্বজনদের অভিযোগ, শুক্রবার (২ মে) বিকেলে ধবলসুতি সীমান্তের চা বাগানে ছবি তুলতে গেলে বিএসএফ তাদের ধরে নিয়ে যায়।
রিমন উপজেলার পাটগ্রাম সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের রহমতপুর গাটিয়ারভিটা এলাকার মোস্তাক হোসেনের ছেলে এবং সাজেদুল বগুড়া জেলার শেরপুর থানার সাইফুল ইসলামের ছেলে। তারা দুজন সম্পর্কে মামা-ভাগনে। রিমন এবারে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
বিজিবি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান পিলার ৮২৫ নম্বরের এক নম্বর উপপিলারসংলগ্ন শূন্যরেখায় ভারতীয় চা বাগান দেখতে যান সাজেদুল ও রিমন। চা বাগানে মোবাইলে নিজেদের ছবি তোলার সময় ভারতের কোচবিহার রাজ্যের মেখলিগঞ্জ ৯৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গোমতি ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা তাদের ধরে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৬১ (তিস্তা-২) ইউনিটের ধবলসুতি বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোক্তার হোসেন বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানান। বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে পতাকা বৈঠকের আহ্বানে সাড়া দিয়েছে বিএসএফ।
পাটগ্রামের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমান বলেন, বিজিবির ধবলসুতি ক্যাম্পের কমান্ডারের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রাথমিক আলোচনায় বিএসএফ তাদের ফেরত দেবে বলে জানিয়েছে বিজিবিকে। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করা হবে।

বহিস্কৃত তিনজন হলেন— পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহমেদ বাবু এবং উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাজু আহমেদ ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান কবির।
৮ ঘণ্টা আগে
আহতরা হলেন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল পাটোয়ারী, কর্মী রাকিব ও আপন। অপরদিকে ছাত্রশিবিরের আহদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলা সভাপতি সুজন মিয়া, কর্মী মাহিন ও শরিফুল ইসলাম। আহতদের রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
তিনি জানান, শনিবার রাত থেকে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, রাজধানীর বাড্ডায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন মিমো। তিনি সাধারণত দরজা খোলা রেখে ঘুমালেও রোববার সকালে পরিবারের সদস্যরা তার ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। ধাক্কাধাক্কি করেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভাঙলে মিমোর মরদেহ ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
১ দিন আগে