
কুমিল্লা প্রতিনিধি

রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে একটি আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে তিনজন কুমিল্লার একই পরিবারের— বাবা, মা ও তাদের দুই বছরের শিশুপুত্র। আগুনের চেয়ে ঘন ধোঁয়াই ছিল বেশি প্রাণঘাতী, এতেই শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৮টার দিকে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের একটি ছয়তলা আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগে। মুহূর্তেই ভবনটি ঘন কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। ধোঁয়ার কারণে ভেতরে আটকে পড়া বাসিন্দারা বের হতে না পারায় হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— কুমিল্লা নগরীর নানুয়া দিঘির পাড় এলাকার কাজী খোরশেদ আলমের ছেলে কাজী ফজলে রাব্বি রিজভী (৩৮), তার স্ত্রী আফরোজা আক্তার সুবর্ণা (৩৭) এবং তাদের দুই বছরের ছেলে কাজী ফাইয়াজ রিশান। রিজভী এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসে এবং সুবর্ণা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনার সময় উত্তরায় নানীর বাসায় থাকায় তাদের আরেক সন্তান অক্ষত রয়েছে।
এ ঘটনায় একই ভবনের আরেক পরিবারের তিনজনও প্রাণ হারান। তারা হলেন— ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা মো. হারিছ উদ্দিন (৫২), তার ছেলে মো. রাহাব (১৭) এবং ভাতিজি রোদেলা আক্তার (১৪)।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুটি অ্যাম্বুলেন্সে করে রিজভী, সুবর্ণা ও তাদের শিশুপুত্রের মরদেহ কুমিল্লা নগরীর নানুয়া দিঘির পাড় এলাকার নিজ বাড়িতে পৌঁছায়। মর্মান্তিক খবরে স্বজন, বন্ধু ও স্থানীয়দের ভিড়ে এলাকা শোকে ভারী হয়ে ওঠে। সন্তানের নিথর দেহের পাশে নির্বাক হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন বাবা কাজী খোরশেদ আলম।
রাত ১০টার দিকে কুমিল্লা নগরীর দারোগা বাড়ি মাজার মসজিদ মাঠে তিনজনের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানান কাজী খোরশেদ আলম।
নিহত রিজভীর চাচাতো ভাই কাজী ইরফান বলেন, রিজভী কুমিল্লা জিলা স্কুলের ২০০৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ভদ্র, মেধাবী ও বিনয়ী মানুষ হিসেবে সবার কাছে পরিচিত ছিলেন। দুই বছরের রিশান ছিল পরিবারের আনন্দের কেন্দ্রবিন্দু।
চাচা কাজী ফখরুল আলম কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, সকাল ১১টায় আমরা আগুন লাগার খবর পাই, এরপর আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পারি তারা আগুনের ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে মারা যায়। আগুন লেগেছে দুইতলায়, তারা থাকত ওই বাড়ির ছয়তলায়।
নিহতদের পরিবার জানায়, তাদের শরীরে পোড়ার তেমন কোনো চিহ্ন ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, ধোঁয়ার কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়। তারা বাঁচার জন্য ছাদে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, তবে ছাদের দরজা তালাবদ্ধ থাকায় বের হতে পারেননি।

রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে একটি আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে তিনজন কুমিল্লার একই পরিবারের— বাবা, মা ও তাদের দুই বছরের শিশুপুত্র। আগুনের চেয়ে ঘন ধোঁয়াই ছিল বেশি প্রাণঘাতী, এতেই শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৮টার দিকে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের একটি ছয়তলা আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগে। মুহূর্তেই ভবনটি ঘন কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। ধোঁয়ার কারণে ভেতরে আটকে পড়া বাসিন্দারা বের হতে না পারায় হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— কুমিল্লা নগরীর নানুয়া দিঘির পাড় এলাকার কাজী খোরশেদ আলমের ছেলে কাজী ফজলে রাব্বি রিজভী (৩৮), তার স্ত্রী আফরোজা আক্তার সুবর্ণা (৩৭) এবং তাদের দুই বছরের ছেলে কাজী ফাইয়াজ রিশান। রিজভী এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসে এবং সুবর্ণা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনার সময় উত্তরায় নানীর বাসায় থাকায় তাদের আরেক সন্তান অক্ষত রয়েছে।
এ ঘটনায় একই ভবনের আরেক পরিবারের তিনজনও প্রাণ হারান। তারা হলেন— ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা মো. হারিছ উদ্দিন (৫২), তার ছেলে মো. রাহাব (১৭) এবং ভাতিজি রোদেলা আক্তার (১৪)।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুটি অ্যাম্বুলেন্সে করে রিজভী, সুবর্ণা ও তাদের শিশুপুত্রের মরদেহ কুমিল্লা নগরীর নানুয়া দিঘির পাড় এলাকার নিজ বাড়িতে পৌঁছায়। মর্মান্তিক খবরে স্বজন, বন্ধু ও স্থানীয়দের ভিড়ে এলাকা শোকে ভারী হয়ে ওঠে। সন্তানের নিথর দেহের পাশে নির্বাক হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন বাবা কাজী খোরশেদ আলম।
রাত ১০টার দিকে কুমিল্লা নগরীর দারোগা বাড়ি মাজার মসজিদ মাঠে তিনজনের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানান কাজী খোরশেদ আলম।
নিহত রিজভীর চাচাতো ভাই কাজী ইরফান বলেন, রিজভী কুমিল্লা জিলা স্কুলের ২০০৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ভদ্র, মেধাবী ও বিনয়ী মানুষ হিসেবে সবার কাছে পরিচিত ছিলেন। দুই বছরের রিশান ছিল পরিবারের আনন্দের কেন্দ্রবিন্দু।
চাচা কাজী ফখরুল আলম কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, সকাল ১১টায় আমরা আগুন লাগার খবর পাই, এরপর আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পারি তারা আগুনের ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে মারা যায়। আগুন লেগেছে দুইতলায়, তারা থাকত ওই বাড়ির ছয়তলায়।
নিহতদের পরিবার জানায়, তাদের শরীরে পোড়ার তেমন কোনো চিহ্ন ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, ধোঁয়ার কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়। তারা বাঁচার জন্য ছাদে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, তবে ছাদের দরজা তালাবদ্ধ থাকায় বের হতে পারেননি।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যথেষ্ট সচেতন। দেশের কল্যাণে যা প্রয়োজন, সে সিদ্ধান্ত তারাই নেবে। যেসব ক্ষেত্রে সংস্কার দরকার, সেগুলো করা হবে। দেশের মঙ্গলের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী চৌদ্দমাদল মেলার অনুমতি দেয়নি জেলা প্রশাসন। ফলে দীর্ঘদিনের এই লোকজ ও ধর্মীয় উৎসব এবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।
১০ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
নিহত কিশোরীর বাবা মো. ছিদ্দিক আহমেদ বলেন, সন্ধ্যার দিকে পাহাড়ের ভেতর থেকে হঠাৎ করে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাই। কিছুক্ষণ পর আমার মেয়ের বুকে গুলি লাগে। সে সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি।
১ দিন আগে