
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে গিয়ে স্লোগান দিয়েছেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এ সময় তাদের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনা-র ছবি দেখা গেছে। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
নগরের উপকণ্ঠ সিটিহাট এলাকায় অবস্থিত রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়টি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভাঙচুর ও লুটপাটের পর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। দরজা-জানালা এমনকি ভবনের ইটও খুলে নেওয়া হয়। এরপর থেকে কার্যালয়টি পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। হঠাৎ সেখানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কয়েকজনের স্লোগান দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৮টার দিকে ১২-১৫ জন নেতাকর্মী কার্যালয়ের সামনে যান। পরে চারজন ক্যামেরার সামনে এসে স্লোগান দেন। তাদের মধ্যে দুজন মাস্ক এবং একজন হেলমেট পরা ছিলেন। অপরজনের মুখ খোলা ছিল।
ভিডিওতে তাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ ও রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রাসিক দত্তের নামে স্লোগান দিতে দেখা যায়। একপর্যায়ে তারা কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি টানানোর চেষ্টা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর মুখপাত্র অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, এমন বিষয় আমার জানা নেই। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হলেও তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সুযোগ নেই। পুলিশ দেখতে পেলে গ্রেপ্তার করত।

রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে গিয়ে স্লোগান দিয়েছেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এ সময় তাদের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনা-র ছবি দেখা গেছে। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
নগরের উপকণ্ঠ সিটিহাট এলাকায় অবস্থিত রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়টি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভাঙচুর ও লুটপাটের পর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। দরজা-জানালা এমনকি ভবনের ইটও খুলে নেওয়া হয়। এরপর থেকে কার্যালয়টি পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। হঠাৎ সেখানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কয়েকজনের স্লোগান দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৮টার দিকে ১২-১৫ জন নেতাকর্মী কার্যালয়ের সামনে যান। পরে চারজন ক্যামেরার সামনে এসে স্লোগান দেন। তাদের মধ্যে দুজন মাস্ক এবং একজন হেলমেট পরা ছিলেন। অপরজনের মুখ খোলা ছিল।
ভিডিওতে তাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ ও রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রাসিক দত্তের নামে স্লোগান দিতে দেখা যায়। একপর্যায়ে তারা কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি টানানোর চেষ্টা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর মুখপাত্র অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, এমন বিষয় আমার জানা নেই। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হলেও তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সুযোগ নেই। পুলিশ দেখতে পেলে গ্রেপ্তার করত।

ওসি জানান, ফেরিতে ওঠার সময় একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে গেলে ট্রাকচাপায় আপন নামের এক যুবককের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। বর্তমানে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি উদ্ধারের চেষ্টা চালছে।
১ দিন আগে
স্থানীয়দের অভিযোগ, সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে শামিমকে একটি অনুষ্ঠানে কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্য দিতে দেখা যায়। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ জনতা দরবারে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে ঘটনাস্থলেই শামিমসহ কয়েকজন আহত হন। পর
২ দিন আগে
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জের ‘দেখার হাওরে’ ফসলরক্ষা বাঁধের একটি অংশ হঠাৎ ভেঙে পানি ঢুকে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে কয়েক হাজার হেক্টর বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিলেও স্থানীয় কৃষকদের কয়েক ঘণ্টার প্রাণপণ চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।
২ দিন আগে