
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক বিধবা নারী ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন।
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত বছর আগে ভুক্তভোগীর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়ি ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চলে যান। সেখানে তাকে দেখে শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। রাজি না হলে তিনি বিয়ের প্রস্তাব দেন।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ ওই বিধবাকে প্রলোভন দেখিয়ে শহরের শেরে বাংলা সড়কে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে একটি কক্ষে আটকে ধর্ষণ করেন তিনি। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করায় ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির জানান, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে আনা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন এবং পটুয়াখালী সদর থানার ওসিকে এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু মো. শহিদুলের নামে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলা উচিত নয়। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন বিষয়টি সত্য নাকি মিথ্যা। দোষী প্রমাণিত হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, এখন পর্যন্ত মামলার কপি হাতে পাওয়া যায়নি। কপি পাওয়া গেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক বিধবা নারী ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন।
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত বছর আগে ভুক্তভোগীর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়ি ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চলে যান। সেখানে তাকে দেখে শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। রাজি না হলে তিনি বিয়ের প্রস্তাব দেন।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ ওই বিধবাকে প্রলোভন দেখিয়ে শহরের শেরে বাংলা সড়কে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে একটি কক্ষে আটকে ধর্ষণ করেন তিনি। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করায় ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির জানান, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে আনা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন এবং পটুয়াখালী সদর থানার ওসিকে এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু মো. শহিদুলের নামে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলা উচিত নয়। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন বিষয়টি সত্য নাকি মিথ্যা। দোষী প্রমাণিত হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, এখন পর্যন্ত মামলার কপি হাতে পাওয়া যায়নি। কপি পাওয়া গেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২১ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে