
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার পর হবিগঞ্জেও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহর আটকে দিয়েছে পুলিশ। দীর্ঘ সময় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেও কোনো কাজ না হলে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সড়কে বসে প্রতিবাদ জানান।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার চা-কন্যা ভাস্কর্য এলাকায় প্রথমে এনসিপির গাড়িবহর থামিয়ে দেয় পুলিশ। ঘণ্টাখানেক পরে সেখান থেকে এনসিপি নেতারা রওয়ানা দেন হবিগঞ্জের পথে। পরে হবিগঞ্জের মিরপুর এলাকাতেও তাদের পথরোধ করা হয়।
এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। একপর্যায়ে হবিগঞ্জের মিরপুর এলাকায় পুলিশের ব্যারিকেডের সামনে সড়কে বসে প্রতিবাদ জানান তারা।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
হবিগঞ্জে মঙ্গলবার এনসিপির পদযাত্রায় হামলার ঘটনা ঘিরেই মূলত উত্তেজনা ছড়ায়। এনসিপি নেতাদের অভিযোগ, স্থানীয় ছাত্রদল ওই হামলায় জড়িত ছিল। তবে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের দাবি, এনসিপি নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের জের ধরে সেখানে হামলা হয়েছে। হামলায় তাদের সংশ্লিষ্টতা নেই।
এ হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ পৌর শহরে বুধবার বিকেল ৩টায় সমাবেশ ঘোষণা করেছিল এনসিপি। একই সময়ে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল পালটা কর্মসূচি ঘোষণা করে। পালটাপালটি কর্মসূচির কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে জেলা প্রশাসন শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। পরে সেখানে সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দেয় এনসিপি।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার পর হবিগঞ্জেও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহর আটকে দিয়েছে পুলিশ। দীর্ঘ সময় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেও কোনো কাজ না হলে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সড়কে বসে প্রতিবাদ জানান।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার চা-কন্যা ভাস্কর্য এলাকায় প্রথমে এনসিপির গাড়িবহর থামিয়ে দেয় পুলিশ। ঘণ্টাখানেক পরে সেখান থেকে এনসিপি নেতারা রওয়ানা দেন হবিগঞ্জের পথে। পরে হবিগঞ্জের মিরপুর এলাকাতেও তাদের পথরোধ করা হয়।
এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। একপর্যায়ে হবিগঞ্জের মিরপুর এলাকায় পুলিশের ব্যারিকেডের সামনে সড়কে বসে প্রতিবাদ জানান তারা।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
হবিগঞ্জে মঙ্গলবার এনসিপির পদযাত্রায় হামলার ঘটনা ঘিরেই মূলত উত্তেজনা ছড়ায়। এনসিপি নেতাদের অভিযোগ, স্থানীয় ছাত্রদল ওই হামলায় জড়িত ছিল। তবে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের দাবি, এনসিপি নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের জের ধরে সেখানে হামলা হয়েছে। হামলায় তাদের সংশ্লিষ্টতা নেই।
এ হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ পৌর শহরে বুধবার বিকেল ৩টায় সমাবেশ ঘোষণা করেছিল এনসিপি। একই সময়ে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল পালটা কর্মসূচি ঘোষণা করে। পালটাপালটি কর্মসূচির কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে জেলা প্রশাসন শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। পরে সেখানে সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দেয় এনসিপি।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের প্রবেশপথে ককটেলটি বিস্ফোরণ করা হয়। তবে কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে পালিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারেননি সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা।
৬ ঘণ্টা আগে
ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে