
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে এক বৃদ্ধের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুবাইপ্রবাসী ছেলেরা কয়েকদিন ধরে ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে খোঁজ নিতে বললে বাড়িতে এসে তার লাশ দেখতে পান পুত্রবধূ।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) পুলিশ জানায়, মৃত আবদুর রহমান চন্দনাইশ উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের নগরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি একসময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে থাকলেও দেড় বছর আগে দেশে ফিরে আসেন। এরপর গ্রামের বাড়িতে একাই বসবাস করছিলেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, আবদুর রহমানের স্ত্রী ও তিন ছেলে দুবাইয়ে থাকেন। স্ত্রী বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন। কয়েকদিন ধরে বাবার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে ছেলেরা সোমবার খোঁজ নিতে বলেন। পরে মেজ ছেলের স্ত্রী বাবার বাড়ি থেকে এসে ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা খুলতেই খাটের ওপর তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
চন্দনাইশ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রিটন মিয়া জানান, মরদেহে পচন ধরে চোখ-মুখসহ বিভিন্ন স্থানে পোকা লেগে যায় এবং দুই হাতের চামড়া খসে পড়েছিল। দুর্গন্ধের কারণে ঘটনাস্থলে অবস্থান করাও কঠিন ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিন থেকে চার দিন আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের একটি চায়ের দোকানে শেষবারের মতো আবদুর রহমানকে দেখা যায়। এরপর আর কেউ তাঁকে বাইরে দেখেননি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাঁর মেজ ছেলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর পরিবারের সবাই আবার দুবাইয়ে ফিরে গেলেও আবদুর রহমান দেশে থেকে যান। তার পুত্রবধূ দোহাজারীতে বাবার বাড়িতে থাকেন এবং মাঝেমধ্যে এসে শ্বশুরের খোঁজ নিতেন।
চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সোলাইমান ফারুকী বলেন, আবদুর রহমান এলাকায় অনেকটা নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করতেন এবং মানুষের সঙ্গে খুব বেশি মেলামেশা করতেন না।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে তিনি স্ট্রোকসহ অন্য কোনো কারণে মারা গেছেন কি না।

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে এক বৃদ্ধের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুবাইপ্রবাসী ছেলেরা কয়েকদিন ধরে ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে খোঁজ নিতে বললে বাড়িতে এসে তার লাশ দেখতে পান পুত্রবধূ।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) পুলিশ জানায়, মৃত আবদুর রহমান চন্দনাইশ উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের নগরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি একসময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে থাকলেও দেড় বছর আগে দেশে ফিরে আসেন। এরপর গ্রামের বাড়িতে একাই বসবাস করছিলেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, আবদুর রহমানের স্ত্রী ও তিন ছেলে দুবাইয়ে থাকেন। স্ত্রী বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন। কয়েকদিন ধরে বাবার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে ছেলেরা সোমবার খোঁজ নিতে বলেন। পরে মেজ ছেলের স্ত্রী বাবার বাড়ি থেকে এসে ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা খুলতেই খাটের ওপর তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
চন্দনাইশ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রিটন মিয়া জানান, মরদেহে পচন ধরে চোখ-মুখসহ বিভিন্ন স্থানে পোকা লেগে যায় এবং দুই হাতের চামড়া খসে পড়েছিল। দুর্গন্ধের কারণে ঘটনাস্থলে অবস্থান করাও কঠিন ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিন থেকে চার দিন আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের একটি চায়ের দোকানে শেষবারের মতো আবদুর রহমানকে দেখা যায়। এরপর আর কেউ তাঁকে বাইরে দেখেননি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাঁর মেজ ছেলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর পরিবারের সবাই আবার দুবাইয়ে ফিরে গেলেও আবদুর রহমান দেশে থেকে যান। তার পুত্রবধূ দোহাজারীতে বাবার বাড়িতে থাকেন এবং মাঝেমধ্যে এসে শ্বশুরের খোঁজ নিতেন।
চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সোলাইমান ফারুকী বলেন, আবদুর রহমান এলাকায় অনেকটা নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করতেন এবং মানুষের সঙ্গে খুব বেশি মেলামেশা করতেন না।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে তিনি স্ট্রোকসহ অন্য কোনো কারণে মারা গেছেন কি না।

হাসপাতালে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর সেখানে হাজির হন ফরহাদ। হাসপাতালের ভেতরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে মনিরার বুকে ও পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।
১ দিন আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের মিরারচর ও আকবরনগর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস।
১ দিন আগে
রোববার (২৬ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কচিখালী অভয়ারণ্যের টাইগার পয়েন্ট এলাকায় ক্যামেরায় ধরা পড়ে বাঘটি।
১ দিন আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) আনোয়ারার বেলচূড়া এলাকায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
১ দিন আগে