
নোয়াখালী প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিন নোয়াখালীর হাতিয়ায় ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী (৪০) বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে নোয়াখালী জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন।
ওই ঘটনার পাঁচ দিন পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এ মামলা করা হয়েছে। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারক এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার ছয় আসামি হলেন— চানন্দী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আবদুর রহমান, আবদুল গফুরের ছেলে মো. মতিন, হালিম ডুবাইর ছেলে হেলাল উদ্দিন কেরানী, আবুল কাশেমের ছেলে মো. রুবেল, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোস্তফা সর্দারের ছেলে এমরান হোসেন ওরফে কালা এমরান ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর আজিমপুর গ্রামের মো. মোস্তফার ছেলে বেলাল মাঝি।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার পর ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে আসামিরা সন্ত্রাসীদের নিয়ে ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পে হামলা চালান। এ সময় তারা বাদীর ঘরে প্রবেশ করে তাকে ও তার স্বামীকে মারধর করেন। পরে স্বামীকে একটি কক্ষে আটকে রেখে প্রধান আসামি আবদুর রহমান বাদীকে ধর্ষণ করেন।
এ ঘটনা জানাজানি হলে প্রাণনাশ হতে পারে বলে বাদীকে হুমকি দেওয়া হয় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, পরদিন ভোরে আসামিরা আবার হামলা চালিয়ে ওই দম্পতিকে মারধর ও বাদীর শ্লীলতাহানি করেন।
এ ঘটনায় বাদী ও ভুক্তভোগী নারীকে পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নোয়াখালী ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. নোমান সিদ্দিক বৃহস্পতিবার রাতে জানান, অভিযোগ গ্রহণের পর আদালত হাতিয়া থানাকে মামলা নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ভুক্তভোগীর চিকিৎসার জন্য তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করে ওই নারীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, আদালতের নির্দেশে মামলা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুক্তভোগীকে সার্বক্ষণিক পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিন নোয়াখালীর হাতিয়ায় ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী (৪০) বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে নোয়াখালী জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন।
ওই ঘটনার পাঁচ দিন পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এ মামলা করা হয়েছে। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারক এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার ছয় আসামি হলেন— চানন্দী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আবদুর রহমান, আবদুল গফুরের ছেলে মো. মতিন, হালিম ডুবাইর ছেলে হেলাল উদ্দিন কেরানী, আবুল কাশেমের ছেলে মো. রুবেল, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোস্তফা সর্দারের ছেলে এমরান হোসেন ওরফে কালা এমরান ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর আজিমপুর গ্রামের মো. মোস্তফার ছেলে বেলাল মাঝি।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার পর ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে আসামিরা সন্ত্রাসীদের নিয়ে ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পে হামলা চালান। এ সময় তারা বাদীর ঘরে প্রবেশ করে তাকে ও তার স্বামীকে মারধর করেন। পরে স্বামীকে একটি কক্ষে আটকে রেখে প্রধান আসামি আবদুর রহমান বাদীকে ধর্ষণ করেন।
এ ঘটনা জানাজানি হলে প্রাণনাশ হতে পারে বলে বাদীকে হুমকি দেওয়া হয় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, পরদিন ভোরে আসামিরা আবার হামলা চালিয়ে ওই দম্পতিকে মারধর ও বাদীর শ্লীলতাহানি করেন।
এ ঘটনায় বাদী ও ভুক্তভোগী নারীকে পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নোয়াখালী ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. নোমান সিদ্দিক বৃহস্পতিবার রাতে জানান, অভিযোগ গ্রহণের পর আদালত হাতিয়া থানাকে মামলা নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ভুক্তভোগীর চিকিৎসার জন্য তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করে ওই নারীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, আদালতের নির্দেশে মামলা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুক্তভোগীকে সার্বক্ষণিক পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে