
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুপক্ষ। এতে দুপক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে সিলেট ও ২০ জনকে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যান্ত দু্পক্ষের মধ্যে টেঁটা ও বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ হয় দুপক্ষের মধ্যে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার নোয়াগড় গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা শাহ জাহান মেম্বার ও একই গ্রামের লতিফুর মেম্বারের মধ্যে গ্রামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে দুজনের অনুসারীরা শুক্রবার সকালে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় দুই ঘণ্টার সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন।
আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইদুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে স্থানীয় মুরুব্বিদের সঙ্গে নিয়ে সংঘর্ঘ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুপক্ষ। এতে দুপক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে সিলেট ও ২০ জনকে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যান্ত দু্পক্ষের মধ্যে টেঁটা ও বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ হয় দুপক্ষের মধ্যে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার নোয়াগড় গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা শাহ জাহান মেম্বার ও একই গ্রামের লতিফুর মেম্বারের মধ্যে গ্রামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে দুজনের অনুসারীরা শুক্রবার সকালে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় দুই ঘণ্টার সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন।
আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইদুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে স্থানীয় মুরুব্বিদের সঙ্গে নিয়ে সংঘর্ঘ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের রামরাইল ইউনিয়নের বিয়াল্লিশহর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১১ ঘণ্টা আগে
ওই পরিবহন কোম্পানির প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসার সময় বাসটিতে ৩৭ জন যাত্রী ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন বাসের তত্ত্বাবধায়ক, সহকারী ও চালক। বাসটি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে পৌঁছায়। এ সময় ৭ নম্বর ঘাটে ছিল বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর ফেরি। সেখানে উঠতে গিয়েই বাসটি পাশের আরেকটি ফেরির র্যামে আঘাত
১২ ঘণ্টা আগে
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা বিওপি এলাকার সীমান্ত দিয়ে ১১ জন, পাটগ্রামের পয়ষট্টিবাড়ী বিওপি এলাকায় ১০ জন এবং আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর-দীঘলটারী সীমান্ত দিয়ে আরও ১২ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে বিএসএফ।
১৪ ঘণ্টা আগে
ঘাটে অবস্থানরত ব্যক্তিরা জানান, কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন সময় ৭ নম্বর ঘাটের পন্টুন এলাকায় হঠাৎ সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। জানা গেছে, ফেরিতে ওঠার প্রস্তুতির সময়ই বাসটি থেকে যাত্রীদের নামিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ফলে প্রাণহানি এড়ানো স
১৪ ঘণ্টা আগে