
খুলনা প্রতিনিধি

খুলনায় ঘরে ঢুকে একই পরিবারের চারজনকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে লবনচরা থানাধীন খাদিজাবাগ কৃষ্ণনগর ঠিকরাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আহতরা হলেন- কাজী আনিসুর রহমান, তার স্ত্রী রঞ্জুয়ারা বেগম, ছেলে রাইছুল ইসলাম ও তার ছোট ছেলে রাশিদুলের স্ত্রী ফাহিমা। এদের মধ্যে রঞ্জুয়ারা বেগম ও ছেলের স্ত্রী ফাহিমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাজী আনিসুরের ছোট ছেলে রাশিদুল মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় তিন বছর আগে কারাগারে যান। সেখানে ইমরান নামে একজনের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয়ের সুবাদে রাশিদুল তার বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন। এ সুযোগে ইমরানের স্ত্রী ফাহিমার সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।
ছয় মাস আগে ইমরান পুনরায় একটি মামলায় কারাগারে গেলে রাশিদুল ফাহিমাকে বিয়ে করেন। এ ঘটনা শুনে ক্ষুব্ধ হন ইমরান এবং প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করেন। এরই এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার সকালে এ হামলার ঘটনা ঘটান ইমরান। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
লবনচরা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. তুহিনুজ্জামান বলেন, পরকীয়ার জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। কাজী আনিসুরের স্ত্রী রঞ্জুয়ারা বেগমের বুকে এবং ফাহিমার পায়ের গুলি বের করতে না পারায় তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হামলায় অংশ নেয় ছয়জন। তাদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।

খুলনায় ঘরে ঢুকে একই পরিবারের চারজনকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে লবনচরা থানাধীন খাদিজাবাগ কৃষ্ণনগর ঠিকরাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আহতরা হলেন- কাজী আনিসুর রহমান, তার স্ত্রী রঞ্জুয়ারা বেগম, ছেলে রাইছুল ইসলাম ও তার ছোট ছেলে রাশিদুলের স্ত্রী ফাহিমা। এদের মধ্যে রঞ্জুয়ারা বেগম ও ছেলের স্ত্রী ফাহিমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাজী আনিসুরের ছোট ছেলে রাশিদুল মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় তিন বছর আগে কারাগারে যান। সেখানে ইমরান নামে একজনের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয়ের সুবাদে রাশিদুল তার বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন। এ সুযোগে ইমরানের স্ত্রী ফাহিমার সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।
ছয় মাস আগে ইমরান পুনরায় একটি মামলায় কারাগারে গেলে রাশিদুল ফাহিমাকে বিয়ে করেন। এ ঘটনা শুনে ক্ষুব্ধ হন ইমরান এবং প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করেন। এরই এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার সকালে এ হামলার ঘটনা ঘটান ইমরান। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
লবনচরা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. তুহিনুজ্জামান বলেন, পরকীয়ার জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। কাজী আনিসুরের স্ত্রী রঞ্জুয়ারা বেগমের বুকে এবং ফাহিমার পায়ের গুলি বের করতে না পারায় তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হামলায় অংশ নেয় ছয়জন। তাদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১০ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে