
রাজশাহী ব্যুরো

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমনকে তার জন্মস্থান রাজশাহীতেই সমাহিত করা হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার জোহরের নামাজের পর নগরের ঝাউতলা জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হেতেমখাঁ কবরস্থান-এ তাকে দাফন করা হবে। এর আগে, আজ বুধবার সকালে ঢাকায় চ্যানেল আই প্রাঙ্গনে তার প্রথম জানাজা শেষে মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা শামস সুমনের ছোট ভাই বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল জিটিভির রাজশাহী প্রতিনিধি রাশেদ ইবনে ওবাইদ রিপন। তিনি জানান, শামস সুমনের স্ত্রী-সন্তানেরা লন্ডন থেকে ঢাকায় পৌঁছে বৃহস্পতিবার ভোরে মরদেহ নিয়ে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হবেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঝাউতলা মিঠুর মোড়ের বাসায় মরদেহ রাখা হবে।
৬১ বছর বয়সী এই অভিনেতা মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তার স্ত্রী ফারজানা শামস লিজা দীর্ঘদিন ধরে সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি রেখে গেছেন দুই ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে জুবায়ের শামস শাহিল লন্ডনের একটি মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত। ছোট ছেলে জুবায়েদ শামস সাফিন ‘ও’ লেভেলে এবং মেয়ে সায়ান শামস ‘এ’ লেভেলে পড়াশোনা করছেন।
শামস সুমনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা রাজশাহীতে। ১৯৮২ সালে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড-এর অধীনে মেধাতালিকায় পঞ্চম স্থান অর্জন করেন তিনি। পরবর্তীতে রাজশাহী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিং বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
শৈশবেই বাংলাদেশ বেতার-এর অভিনয়শিল্পী ও আবৃত্তিশিল্পী হিসেবে পরিচিতি পান তিনি। তিনি রাজশাহী আবৃত্তি পরিষদ-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং স্বনন-এর সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে ঢাকায় গিয়ে মঞ্চনাটকের মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করে ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ হিসেবে পরিচিতি পান। পরবর্তীতে তিনি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন এবং ২০০৮ সালে ‘স্বপ্নপুরণ’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমনকে তার জন্মস্থান রাজশাহীতেই সমাহিত করা হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার জোহরের নামাজের পর নগরের ঝাউতলা জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হেতেমখাঁ কবরস্থান-এ তাকে দাফন করা হবে। এর আগে, আজ বুধবার সকালে ঢাকায় চ্যানেল আই প্রাঙ্গনে তার প্রথম জানাজা শেষে মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা শামস সুমনের ছোট ভাই বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল জিটিভির রাজশাহী প্রতিনিধি রাশেদ ইবনে ওবাইদ রিপন। তিনি জানান, শামস সুমনের স্ত্রী-সন্তানেরা লন্ডন থেকে ঢাকায় পৌঁছে বৃহস্পতিবার ভোরে মরদেহ নিয়ে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হবেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঝাউতলা মিঠুর মোড়ের বাসায় মরদেহ রাখা হবে।
৬১ বছর বয়সী এই অভিনেতা মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তার স্ত্রী ফারজানা শামস লিজা দীর্ঘদিন ধরে সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি রেখে গেছেন দুই ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে জুবায়ের শামস শাহিল লন্ডনের একটি মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত। ছোট ছেলে জুবায়েদ শামস সাফিন ‘ও’ লেভেলে এবং মেয়ে সায়ান শামস ‘এ’ লেভেলে পড়াশোনা করছেন।
শামস সুমনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা রাজশাহীতে। ১৯৮২ সালে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড-এর অধীনে মেধাতালিকায় পঞ্চম স্থান অর্জন করেন তিনি। পরবর্তীতে রাজশাহী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিং বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
শৈশবেই বাংলাদেশ বেতার-এর অভিনয়শিল্পী ও আবৃত্তিশিল্পী হিসেবে পরিচিতি পান তিনি। তিনি রাজশাহী আবৃত্তি পরিষদ-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং স্বনন-এর সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে ঢাকায় গিয়ে মঞ্চনাটকের মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করে ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ হিসেবে পরিচিতি পান। পরবর্তীতে তিনি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন এবং ২০০৮ সালে ‘স্বপ্নপুরণ’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

তিনি বলেছেন, ‘সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ সব সময় হচ্ছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী তেমন নেই। যারা আছে, তারা শীর্ষ সন্ত্রাসীর সহযোগী বা তাদের নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।’
১৭ ঘণ্টা আগে
ঈশ্বরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জামাল উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ব্যায়াম করতে গিয়ে তিনি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন। এ সময় তার সহকর্মীরা তাকে গ্রীনসিটি আবাসিক এলাকার মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান।
২১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুর্গাপুর থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী একটি বাসের সঙ্গে শ্যামগঞ্জ থেকে দুর্গাপুরগামী একটি সিএনজির বমুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজির যাত্রী আইনুল হক নিহত হন।
২১ ঘণ্টা আগে
আহত সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সোয়া ১০টার দিকে বাতেন খাঁ মোড়ে চা পান করছিলেন দুই সাংবাদিক। এ সময় পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রাব্বির নেতৃত্বে ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
২ দিন আগে